ঐতিহাসিক ছয় দফা

newsgarden24.com    ০৩:১৭ পিএম, ২০২২-০৬-০৬    147


ঐতিহাসিক ছয় দফা

মোঃ খোরশেদ আলম: ছয় দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবী পেশ করেন। ৬ ফেব্রুয়ারি সম্মেলন বর্জন করার পর শেখ মুজিবুকে বিছিন্নবাদী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবী আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচী গৃহীত হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধী দলীয় সম্মেলনে

৬ দফা পেশ করেন। ঐ সময় দলের মধ্যেও অনেকে ৬ দফার বিপক্ষে ছিলেন। চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা ঘোষণা করেন। মরহুম জহুর আহম্মদ চৌধুরী সেই সভায় সভাপতিত্ব করেন। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চট্টল শার্দুল এম এ আজিজ সহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এরপর ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আমাদের বাঁচার দাবি ৬ দফা কর্মসূচী শীর্ষক  একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সংগে মিল রেখে। ৬ দফা কমসূচীর ভিত্তিতে পাকিস্তান হবে একটি ফেডালের রাষ্ট্র ৬ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের নীতিটি অঙ্গরাজ্যেকে পূর্ণ সায়ত্বশাসন দিতে হবে। ৬ দফা কর্মসূচীর ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ্ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতীর স্বায়ত্বশাসনের আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য এতই গুরুত্বপূর্ণ হয় যে একে বলা হয় বাঙালী জাতির মুক্তির সনদ। ৬ দফার মূল বক্তব্য ছিল প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়ক ছাড়া সব ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে।
অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব থাকবে এবং পূর্ব বাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌ বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপন করতে হবে।
বাংলার সর্বস্তরের জনগণকে ৬ দফা ব্যাপক সমর্থন পায়। বিষয়টি আচ করতে পেরে ১৯৬৬ সালের ৮ মে নারায়নগঞ্জে পাটকল শ্রমিকদের এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার পর শেখ মুজিবুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠী। তাকে এ ধরনের হয়রানিতে জনগণের মধ্যে হতাশার সঞ্চার হয়।
৭ জুন আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু ও অন্যন্য নেতাদের মুক্তির দাবিতে এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন তথা বাঙালীর জাতির মুক্তির সনদ  ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবীতে পূর্ণ দিবস হয়তাল আহ্বান করেছিল। অভূতপূর্বভাবে সে হরতাল সাড়া দেয় শ্রমিক জনতা সহ সারা দেশের মানুষ। হয়তাল বানচাল করতে পুলিশ ঢাকা নারায়নগঞ্জ মুক্তিকামী মানুষের মিছিলে গুলি চালায়। এতে ঢাকার তেজগাঁওয়ে শ্রমিক নেতা মনু মিয়া ওয়াজি উল্লাহ সহ ১১ জন, নারায়নগঞ্জে শফিক ও শামসুল হক নিহত হন। আহত হন আরো অনেকেই।
ছয় দফা ঘোষনার পর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বা ন্যাপ এর পূর্ব পাকিস্তান প্রধান অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ শেখ মুজিবুর রহমানকে জিজ্ঞেস করেছিলেন আপনি এই যে ৬ দফা দিলেন তার মূল কথাটি কি? আঞ্চলিক ভাষায় এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন শেখ মুজিব ‘আরে মিয়া বুঝলানা দফা তো একটাই। একটু ঘুরাইয়া কইলাম।’
ঘুরিয়ে বলা ঐ এক দফা হলো পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন অর্থাৎ স্বাধীনতা এর আগে বিভিন্ন সময়ে এই অঞ্চলের স্বাধীকার আন্দোলনের দাবী উঠেছে কিন্তু ছয় দফার দাবির মধ্যে দিয়ে এটি একক এজেন্ডায় পরিণত হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে এই দয়া পেশ করেন। অনেক এসব দাবীকে ‘রাজনৈতিক বোমা বলে উল্লেখ করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও যুক্তরাষ্ট্রে কলম্বিয়া বিশ্বাবিদ্যালয়ের শিক্ষক রওনক জাহান বলেন, এর আলোকে বাঙালির রাষ্ট্রভাষা থেকে শুরু করে আরো অনেক এজেন্ডা ছিল। কিন্তু ছয় দফা দেওয়ার পর থেকে জাতীয়তাবাদের বিষয়টি একমাত্র এজেন্ডায় পরিণত হয়। তখন লোকজন সংগঠিত করা অনেক বেশী সহজ হয়। তিনি বলেন, একারণে শেখ মুজিব খুব দ্রুত সকল মানুষকে জাতীয়তাবাদী এজেন্ডার পক্ষে নিতে পারলেন এবং ’৭০ এর নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে দেশকে স্বাধীনতার চূড়ান্ত পর্বে নিয়ে গেলেন। রওনক জাহান বলেন, ছয় দফা কোন রাতারাতি কর্মসূচী ছিলনা। এর প্রস্তুতি ছিল দীর্ঘদিনের ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব, ৪৭ সালে ভারত ভাগ, ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্ম। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ’৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয় এবং ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন এসবই ছয় দফার ভীত তৈরি করেছে।
রাজনৈতিক ইতিহাসবিদ মহিউদ্দিন আহমদ তাঁর আওয়ামী লীগ উত্থান পর্ব ১৯৪৮-৭০ গ্রন্থে লিখেছেন ৬ দফা হঠাৎ করে আসমান থেকে পরেনি। দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক স্বায়ত্বশাসনের দাবি ও ধারাবাহিকতায় আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এর তাত্বিক ছয় দফা দাবীগুলো ছিল এরকম :
* পাকিস্তান একটি সংসদীয় সরকার ব্যবস্থাায় জেনারেশন হিসেবে গঠিত হবে।
* ফেডারেশন সরকারের এখতিয়ারে থাকবে কেবল প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র্ অন্যান্য বিষয় এদেশগুলো হাতে থাকবে।
* প্রতিটি প্রদেশের জন্য পৃথক করে অবাধে রূপান্তরযোগ্য মুদ্রা থাকবে। যদি একক মুদ্রা হয় তাহলে মুদ্রা হস্তান্তর রোধ করার উপায় থাকতে হবে।
* রাজস্ব থাকবে প্রদেশের হাতে
* প্রতিটি প্রদেশের মুদ্রা আয়ের জন্য পৃথক একাউন্ট থাকতে হবে।
* আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিটি প্রদেশকে মিলেমিশে রাখতে অনুমতি দিতে হবে।
ছয় দফায় স্বাধীনতা কোন লেখা ছিল না যেখানে ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রের গণতন্ত্রেনের সুপারিশ এবং স্বায়ত্বশাসনের মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটা পথ নির্দেশ। এটা ছিল শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক কৌশল।
ছয় দফা বলতে গিয়ে শেখ মুজিব বলেছিলেন, আমার দফা আসলে একটা কতো দেবা, কতো নেবা, কবে যাবা? শেখ মুজিব বিরোধী দলগুলোর যে সম্মেলনে এসব দফা তুলে ধরেছিলেন সেখানেই তার বিরোধীতা করা হয়। সবার আপত্তির কারণে এই প্রস্তাবটি সম্মেলনের এজেন্ডায় স্থান পায়নি। ক্ষুদ্ধ হয়ে শেখ মুজিব সম্মেলন থেকে ওয়াক আউট করেন। রাজনীতিবীদরা বলেন, ৬ দফা বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তান থাকবে না ভেস্তে যাবে।
ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ রাজত্ব শেষে পাকিস্তান নামে একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পূর্ব পাকিস্তান জনসংখ্যায় সংখ্যাঘরিষ্ট ছিল এবং পাকিস্তানের মোট রপ্তানির আয়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ রপ্তানি হতো পূর্ব পাকিস্তান থেকে। পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক সুবিধা আনুপাতিক ছিল না। বছরের পর বছর পূর্ব পাকিস্তান আঞ্চলিক ভিত্তিতে ক্রমাগত বৈষম্যের শিকার হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতির ধীনতার সম্মুখীন হয়। যার ফলশ্রুতিতে সৃষ্টি হয় ছয় দফা আন্দোলন।
সরকার বিরোধী প্রচারণা ও অত্যাচারে ৬ দফা আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ৬ দফা জনগণের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যায়। ঠিক সেই সময় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবকে বাকরুদ্ধ করে এক নম্বর আসামী করা হয়। স্বৈরাচারী শাসকেরা ভেবেছিল মামলা দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন নিঃশেষ করে দেবেন। কিন্তু হলো তার বিপরীত আগরতলা মামলা দায়ের পর তিনি পরিণত হয় মহানায়কে।
ঐতিহাসিক দিনটি বাঙালীর স্বাধীনতা, স্বাধিকার ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের অন্যতম মাইলফলক অবিষ্মরণীয় একটি দিন। মুক্তিযুদ্ধের আন্দোলন বাঙালীর মনে স্বাধীনতার চেতনা ও স্পৃহাকে জাগিয়ে তুলেছিল ৬ দফা আন্দোলন তারই ধারাবাহিকতার ফসল এরই ধারাবাহিকতা ’৬৯ এর গণঅভুত্থান ’৭০ এর নির্বাচন বাঙালীর অবিস্মরণীয় সময়। একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ ২৫ মার্চের গণহত্যা এবং ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার পথ ধরে দেশ স্বাধীন পথে এগিয়ে যায়। ১৬ ডিসেম্বর ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে।
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬ দফা দাবির সাথে যেমন এদেশের মানুষ একাত্বতা প্রকাশ করেছিল ঠিক তেমনি দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে যার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

লেখক : শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ

 

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল


রিটেলেড নিউজ

গৌরব ও ঐতিহ্যের ৭৩ বছরে আওয়ামী লীগ

গৌরব ও ঐতিহ্যের ৭৩ বছরে আওয়ামী লীগ

newsgarden24.com

মোঃ খোরশেদ আলম: আওয়ামী মুসলিম লীগ একটি রাজনৈতিক দল যা বৃটিশ-ভারত বিভক্তিক্রমে পাকিস্তান জন্মের ২ ব... বিস্তারিত

সহজলভ্য ও সস্তা হবে তামাকপণ্য, বাড়বে স্বাস্থ্যঝুঁকি!

সহজলভ্য ও সস্তা হবে তামাকপণ্য, বাড়বে স্বাস্থ্যঝুঁকি!

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাস হলে তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠির মধ্য... বিস্তারিত

কোমলমতি শিশুদের এক বটবৃক্ষের নাম মাওলানা মুহি উদ্দিন আহমেদ স্মরণে

কোমলমতি শিশুদের এক বটবৃক্ষের নাম মাওলানা মুহি উদ্দিন আহমেদ স্মরণে

newsgarden24.com

কে. এম. আলী হাসান: চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী বহুমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুল উলুম আল ইসলা... বিস্তারিত

তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শনী বন্ধে আইন সংশোধন চান ব্যবসায়ীরা

তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শনী বন্ধে আইন সংশোধন চান ব্যবসায়ীরা

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: বিদ্যমান ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫’-এ তামাকজাত... বিস্তারিত

নারীরাই সমাজ পরিবর্তন করতে পারে

নারীরাই সমাজ পরিবর্তন করতে পারে

newsgarden24.com

সাফাত বিন ছানাউল্লাহ্: জীবনের প্রয়োজনে যেটাই করিনা কেন সবটুকু হোক মানুষের কল্যাণে। সমাজ বিনির্মা... বিস্তারিত

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

newsgarden24.com

মোঃ খোরশেদ আলম: ১৭ মে ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা ৬ বছর নির্বাসিত জীবন থ... বিস্তারিত

সর্বশেষ

চট্টগ্রামে রোটারী বর্ষ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামে রোটারী বর্ষ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: ছাত্র/ ছাত্রীদের জন্য গ্র্যাজুয়েশন পর্যন্ত শিক্ষা সহায়তা, সুবিধাবঞ্চিত প্র... বিস্তারিত

জীবাশ্ম জ্বালানিতে খুব দ্রুত সব ধরনের বিনিয়োগ বন্ধ করতে চট্টগ্রামে ক্লিন ও সংশপ্তকের র‌্যালি

জীবাশ্ম জ্বালানিতে খুব দ্রুত সব ধরনের বিনিয়োগ বন্ধ করতে চট্টগ্রামে ক্লিন ও সংশপ্তকের র‌্যালি

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ বন্ধ করতে এশিয়ার কোম্পানিগুলোর উপর চাপ বাড়িয়ে দিল ... বিস্তারিত

সাতকানিয়ায় এক পুলিশ সদস্যের বিদায় অনুষ্ঠান

সাতকানিয়ায় এক পুলিশ সদস্যের বিদায় অনুষ্ঠান

newsgarden24.com

সাতকানিয়া প্রতিনিধি: সাতকানিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে গতকাল বুধবার থানার মাঠ প্রাঙ্গণে এক পুলিশ সদ... বিস্তারিত

সীতাকুণ্ডে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের গাড়ীর কারণে মহাসড়কে যানজট, প্রতিবাদে মানববন্ধন

সীতাকুণ্ডে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের গাড়ীর কারণে মহাসড়কে যানজট, প্রতিবাদে মানববন্ধন

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: ঢাকা চট্টগ্রাম মহাড়কের সীতাকুণ্ড অংশের বিভিন্নস্থানে সড়কের পাশে গড়ে উঠা বেসর... বিস্তারিত