শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

newsgarden24.com    ০৪:৪৪ পিএম, ২০২২-০৫-১৭    149


শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

মোঃ খোরশেদ আলম: ১৭ মে ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা ৬ বছর নির্বাসিত জীবন থেকে স্বদেশে ফিরে এসেছিলেন। সেসময় দেশের সামরিক সরকারের ছত্রছায়ায় শেখ হাসিনার আগমন প্রতিরোধ কমিটি গঠিত হয়েছিল। স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর বাধ্য হয়ে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাসে নির্বাসিত জীবন যাপন করে শেখ হাসিনার এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। ৭৫ এর ১৫ আগস্ট ছোট বোন শেখ রেহানা, ডা. ওয়াজেদ মিয়া ও দুই সন্তান সজিব ওয়াজেদ ও সায়মা পুতুল সহ শেখ হাসিনা বেলজিয়ামে অবস্থানরত অবস্থায় স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকান্ডের

সংবাদ পান। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪১ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনগুলো দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এদিনে শেখ হাসিনাকে বহনকারী ইন্ডিয়ান এয়ার লাইন্সের একটি ফ্লাইট ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লী থেকে কলকাতা হয়ে ঢাকা তৎকালীন কুরমীটোলা বিমান বন্দরে অবতরণ করে। বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে এক নজর দেখার জন্য লাখো জনতার ঢল নামে। এসময় সামরিক তন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী জনতার স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠে গোটা বিমান বন্দর এলাকা। ১৯৮১ সালের ১৪-১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ঐতিহাসিক হোটেল ইডেনে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৭ মে দিনটি বাঙালির কাছে ‘ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ’ হিসেবে পরিচিত। জাতির পিতার হত্যার পর বাংলাদেশ যখন তার আদর্শচ্যুত হয়ে উল্টো পথে চলছিল। সে দিনের সেই বৃষ্টি¯œাত বিকেল থেকে শুরু হয়েছিল আদর্শহীন শাসনের বিরুদ্ধে এক নিরন্তর সংগ্রামের অভিযাত্রা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ৪ দশক পূর্ণ হয়েছে। এ ৪ দশক ছিল সংগ্রামের, ছিল অভূত পূর্ব উন্নয়ন ও অর্জনের।
জাতির পিতা হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের দেশি বিদেশী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে বাংলাদেশের মানুষের বিপুল সমর্থন নিয়ে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্টিত হন। আর্থ-সামাজিক সকল ক্ষেত্রের উন্নতিতে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ বিশ্বে আজ এক অনন্য উদাহরণ। সমগ্র বিশ্বে গণতন্ত্রের মানস কন্যা থেকে শেখ হাসিনা আজ ‘ উন্নয়ন কন্যায়’ ভূষিত। তাঁর মানবিকতা আর মমত্ববোধের জন্যে তিনি আজ মাদার অব হিউমিনিটি অর্থাৎ মানবতার মা হিসেবে অভিষিক্ত। ‘৭৫ এর ১৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের আদর্শ বিরোধী শক্তি আমাদের মুক্তি সংগ্রামের মহান আদর্শগুলোকে দুর্বল ও প্রয়োজনে ভূলণ্ঠিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। এ প্রক্রিয়ায় ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে লেখা সংবিধানকে ক্ষত বিক্ষত করা হল। ওই সময় তারা ইতিহাস বিকৃত মহোৎসবে মেতে উঠল। জাতির পিতার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হল। সরকারি ও প্রশাসনিকভাবে বঙ্গবন্ধু নামটি নিষিদ্ধ করা হলো। সে অন্ধকার তিমিরে শেখ হাসিনা পিতার আর্দশকে বুকে ধারণ করে বাংলাদেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের মানুষকে জাগিয়ে তুলোছিলেন। পিতার আর্দশের বাতি দেখে মানুষে প্রজ্জলিত মশাল নিয়ে তার পিছনে ছুটলেন। উন্নয়নশীল বিশ্বে তিনি একমাত্র রাষ্ট্রনায়ক যিনি সফলভাবে সংবিধানকে সকল অপশক্তি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য বিশেষ সংবিধান রক্ষা কবচ তৈরি করেন। যার সুফল আজ গণতন্ত্রকামী মানুষ পাচ্ছেন। তিনিই এদেশে গণহত্যাকারী, মানবতা বিরোধী অপরাধের সাথে যুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করেছেন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি অনন্য সফলতা দেখিয়েছেন। জাতির পিতার দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ (মধ্যম আয়ের দেশ) ও রূপকল্প-২০৪১ (উন্নত দেশের মর্যাদা) অর্জনে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার সরকার গত ১ দশকের বেশি সময় ধরে দেশে ব্যাপকভাবে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্মকান্ড ও নানামুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে অব্যাহতভাবে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উচ্চ প্রবৃদ্ধি এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সকল ক্ষেত্রে নব দিগন্তের সূচনা করে বিষ্ময়কর অগ্রগতি সাধন করেছেন। এত অল্প সময়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় কোন রাষ্ট্র এধরণের উন্নয়নের নজির স্থাপন করতে পারেননি। তিনি শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয় গোটা উন্নয়নশীল বিশ্বে একমাত্র সরকার প্রধান যিনি জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার সমার্থক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির মাধ্যমে একদিকে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা রক্ষা করেছেন অন্যদিকে ওই এলাকায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব টেকসই যথাযথ আইনি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর পর তিনিই বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের আলোকবর্তিকা, ‘৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশের সকল অর্জন শেখ হাসিনার কারণেই। তাঁর জন্যই বাংলাদেশ আজ বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। নানা প্রতিকূলতা সত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি অর্জন সহ মাথাপিছুর আয় বাড়ছে। কমেছে দারিদ্রতার হার। নিজস্ব অর্থায়নে নির্মানাধীন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করা হবে, মেট্রো রেল, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, কর্ণফুলী টানেল, হযরত শাহ জালাল বিমান বন্দরে দ্বিতীয় টার্মিনাল, রূপপুরে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বাঁশখালীর কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজও নিরবিচ্ছন্নভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা পরিণত করার লক্ষ্যে নানা দূরদর্শী কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন তিনি। গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে শেখ হাসিনার যুগান্তকারী কর্মসূচীগুলো বিশ্বে আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্প উন্নত দেশে থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুজিববর্ষে’ দেশ বিদেশে সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়েছে। ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে আমাদের দেশে পৃথিবীর বহু দেশের সরকার প্রধান রাষ্ট্র প্রধানদের উপস্থিতি এবং শুভেচ্ছা বার্তা প্রেরণ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষ দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীর আবাসনের ব্যবস্থা করা যা গোটা বিশ্বে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দারিদ্র বিমোচনের ধারণার ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারার সৃষ্টি করেছে। মহামারী করোনার প্রভাবে গোটা বিশ্বে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পরলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত ও সাহসী পদক্ষেপের ফলে করোনার প্রভাব মোকাবেলা করে সরকার অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে সরকারের নানামুখী আর্থ-সামাজিক ও বিনিয়োগ ধর্মী প্রকল্প কর্মসূচী এবং কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। টেকসই উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে ২০১৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
শেখ হাসিনা রাজনৈতিক লক্ষ্য ও উন্নয়নের দর্শন সম্পর্কে বলেছেন রাজনীতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে------------। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিযোগীতা হবে অর্থনৈতিক কর্মসূচী নিয়ে, সামাজিক কর্মসূচী নিয়ে। কে কত ভালো কর্মসূচী দিতে পারে, কোন দলের কর্মসূচী অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে বেশি ফলপ্রসূ জনগণ তা বিচার করার সুযোগ পাবে। আন্দোলন হবে সমাজ সংস্কারের জন্য অর্থণৈতিক উন্নয়নের জন্য। আর উন্নয়ন মুষ্টিমেয় মানুষের জন্য নয়, উন্নয়ন হবে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জন্য এবং রাজনীতি হবে গণতান্ত্রিক ধর্ম নিরপেক্ষ এবং সামাজিক অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছেন সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হয়েছে তাঁরই সুযোগ্য কন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে। ১৯৮১ সালের ১৭ মে যদি তিনি স্বদেশে ফিরে না আসতেন তাহলে কি আমরা আজকের এই বাংলাদেশ ফিরে পেতাম?
তাঁর হাতে যতদিন থাকবে দেশ পথ হারাবে না বাংলাদেশ। স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সরকারের অব্যাহত সাফল্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক: শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ

 

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল


রিটেলেড নিউজ

গৌরব ও ঐতিহ্যের ৭৩ বছরে আওয়ামী লীগ

গৌরব ও ঐতিহ্যের ৭৩ বছরে আওয়ামী লীগ

newsgarden24.com

মোঃ খোরশেদ আলম: আওয়ামী মুসলিম লীগ একটি রাজনৈতিক দল যা বৃটিশ-ভারত বিভক্তিক্রমে পাকিস্তান জন্মের ২ ব... বিস্তারিত

সহজলভ্য ও সস্তা হবে তামাকপণ্য, বাড়বে স্বাস্থ্যঝুঁকি!

সহজলভ্য ও সস্তা হবে তামাকপণ্য, বাড়বে স্বাস্থ্যঝুঁকি!

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাস হলে তরুণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠির মধ্য... বিস্তারিত

ঐতিহাসিক ছয় দফা

ঐতিহাসিক ছয় দফা

newsgarden24.com

মোঃ খোরশেদ আলম: ছয় দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। ১৯৬৬ সালের ... বিস্তারিত

কোমলমতি শিশুদের এক বটবৃক্ষের নাম মাওলানা মুহি উদ্দিন আহমেদ স্মরণে

কোমলমতি শিশুদের এক বটবৃক্ষের নাম মাওলানা মুহি উদ্দিন আহমেদ স্মরণে

newsgarden24.com

কে. এম. আলী হাসান: চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী বহুমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুল উলুম আল ইসলা... বিস্তারিত

তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শনী বন্ধে আইন সংশোধন চান ব্যবসায়ীরা

তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শনী বন্ধে আইন সংশোধন চান ব্যবসায়ীরা

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: বিদ্যমান ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫’-এ তামাকজাত... বিস্তারিত

নারীরাই সমাজ পরিবর্তন করতে পারে

নারীরাই সমাজ পরিবর্তন করতে পারে

newsgarden24.com

সাফাত বিন ছানাউল্লাহ্: জীবনের প্রয়োজনে যেটাই করিনা কেন সবটুকু হোক মানুষের কল্যাণে। সমাজ বিনির্মা... বিস্তারিত

সর্বশেষ

চট্টগ্রামে রোটারী বর্ষ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামে রোটারী বর্ষ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: ছাত্র/ ছাত্রীদের জন্য গ্র্যাজুয়েশন পর্যন্ত শিক্ষা সহায়তা, সুবিধাবঞ্চিত প্র... বিস্তারিত

জীবাশ্ম জ্বালানিতে খুব দ্রুত সব ধরনের বিনিয়োগ বন্ধ করতে চট্টগ্রামে ক্লিন ও সংশপ্তকের র‌্যালি

জীবাশ্ম জ্বালানিতে খুব দ্রুত সব ধরনের বিনিয়োগ বন্ধ করতে চট্টগ্রামে ক্লিন ও সংশপ্তকের র‌্যালি

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগ বন্ধ করতে এশিয়ার কোম্পানিগুলোর উপর চাপ বাড়িয়ে দিল ... বিস্তারিত

সাতকানিয়ায় এক পুলিশ সদস্যের বিদায় অনুষ্ঠান

সাতকানিয়ায় এক পুলিশ সদস্যের বিদায় অনুষ্ঠান

newsgarden24.com

সাতকানিয়া প্রতিনিধি: সাতকানিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে গতকাল বুধবার থানার মাঠ প্রাঙ্গণে এক পুলিশ সদ... বিস্তারিত

সীতাকুণ্ডে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের গাড়ীর কারণে মহাসড়কে যানজট, প্রতিবাদে মানববন্ধন

সীতাকুণ্ডে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের গাড়ীর কারণে মহাসড়কে যানজট, প্রতিবাদে মানববন্ধন

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: ঢাকা চট্টগ্রাম মহাড়কের সীতাকুণ্ড অংশের বিভিন্নস্থানে সড়কের পাশে গড়ে উঠা বেসর... বিস্তারিত