জটিল মেরুকরণ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির

newsgarden24.com    ১২:১৯ পিএম, ২০২০-০৯-০৪    104


জটিল মেরুকরণ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির

অধ্যাপক শব্বির আহমদ: ২০১০ সালে সংঘটিত তথাকথিত আরব বসন্তের চোরাবালিতে আটকে যাওয়ার দেশ তেল সম্পদে সমৃদ্ধ লিবিয়া। ন্যাটোর অস্ত্রে সজ্জিত লিবিয়ান বিদ্রোহীরা গাদ্দাফিকে হত্যা করে ৪২ বছরের স্বৈরশাসনের ইতি টানলেও নিজেদের মধ্যে রক্তারক্তির ইতি টানতে পারেনি প্রায় এক দশকেও। যারা পশ্চিমা মদদে গাদ্দাফির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন, তারাই আবার গাদ্দাফির জামানায় ফিরে যেতে চায়! ফিরে পেতে চায় রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক জীবনযাপন!! চাইলে কি ফিরে পাওয়া যায়? ভুলের মাশুল তো দিতেই হবে। গাদ্দাফি-পরবর্তী প্রজন্ম বেড়ে উঠছে সন্ত্রাস আর অনিশ্চয়তার মধ্যে। বেকারত্ব কাটাতে হয় মিলিশিয়া গোষ্ঠীতে, না হয় ইউরোপে নতুন জীবন গড়ার স্বপ্ন নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ডুবে মরছে এক দশক পূর্বেও অত্যন্ত সমৃদ্ধশীল লিবিয়ার নতুন প্রজন্ম। কথিত আরব বসন্তে যোগ দেয়া লিবিয়ানরা আজ হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করছে গণতন্ত্রের ফানুস উড়িয়ে পুঁজিবাদের মিথ্যেসব গল্প আর রঙিন দুনিয়ার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদী আবেগকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে তাদের দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ দখল করায়ই ছিল পশ্চিমাদের মূল উদ্দেশ্য। যে কাজটি ইরাক ও সিরিয়াতে ইতিমধ্যে সেরে নিয়েছে তারা। সাদ্দামকে হটিয়ে ইরাককে কার্যত ইরানের হাতে তুলে দিল আমেরিকা। আর লিবিয়ায় আমেরিকার নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী গাদ্দাফিকে হত্যা করিয়ে কার্যত রাশিয়া এবং তুরস্ককে ছড়ি ঘোরানোর সুযোগ করে দেওয়া হলো। অন্যদিকে স্বৈরাচার হঠানোর নামে সিরিয়াকে ধ্বংসের প্রান্তসীমায় নিয়ে গিয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করে বাশার আল আসাদকে বহাল তবিয়তে রাখা হলো।

আক্ষরিক অর্থে লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধের বড় দুই শক্তি যুদ্ধবাজ নেতা খলিফা হাফতার আর জাতিসংঘ স্বীকৃত জাতীয় ঐকমত্যের সরকার (জিএনএ)। জাতিসংঘ আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থনে জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাজধানী ত্রিপোলিসহ লিবিয়ার এক-তৃতীয়াংশ। জিএনএ সরকারকে গত জানুয়ারি থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। তুরস্কের সমর্থনে আছে কাতার ও ইতালী। আর খলিফা হাফতারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তেলসমৃদ্ধ বেনগাজিসহ দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা। হাফতারের সমর্থনে রয়েছে আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মিশর আর ফ্রান্স; তলে তলে গ্রীস আর ইসরাইল। স্নায়ুযুদ্ধের আদর্শিক বৈরিতা ভুলে গিয়ে ফরাসিরা এখন রাশিয়ার সঙ্গে মিলেমিশে লিবিয়ায় হাফতারের পক্ষে কাজ করছে। কেননা, লিবিয়ার তেলসম্পদ আছে তাঁর নিয়ন্ত্রণে। পশ্চিমারা নিজেদের স্বার্থ নিরাপদ রাখতে সময়-সময় মিত্র বদলিয়ে বন্দুকের বাণিজ্য সচল রাখে। লিবিয়া তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ।

লিবিয়ার চরম অনিশ্চিত গন্তব্যের মাঝে চলতি বছরের শুরুতেই এরদোগানের তুরস্ক অনেকটা ঘোষণা দিয়েই এই যুদ্ধে শামিল হয়। এর পূর্বে গত নভেম্বরে ত্রিপোলিতে জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের সঙ্গে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে 'লিবিয়া-তুরস্ক বিশেষ অর্থনৈতিক জোন' গঠন চুক্তি করে আঙ্কারা। খলিফা হাফতারের মিলিশিয়ারা গত বছরের এপ্রিলে জাতিসঙ্ঘ সমর্থিত সরকারের কাছ থেকে ত্রিপোলি দখলের জন্য বীরদর্পে যে আক্রমণ শুরু করেছিল রাজধানী ত্রিপলীর উপকণ্ঠে পৌঁছার পর তা অচল হয়ে পড়ে। গত জুনের শেষের দিকে জাতিসংঘ স্বীকৃত ত্রিপোলি সরকার তুরস্কের ড্রোনসহ অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের সহায়তায় পাল্টা অভিযান চালিয়ে রাজধানীর বিমানবন্দর, শহরের সব প্রধান প্রবেশদ্বার ও প্রস্থানপথ এবং এই অঞ্চলের মূল নগরগুলোর একটি পুনরুদ্ধার করে আরো পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে মধ্যাঞ্চলের কৌশলগত নগরী সির্তে দখলের অপেক্ষায় আছে। মিশরের সিসি কৌশলগত উপকূলীয় শহর সির্তেকে ‘রেডলাইন’ হিসেবে অভিহিত করে আগেই সতর্ক করেন যে, এই শহরে যেকোনো আক্রমণই কায়রোকে তেলসমৃদ্ধ দেশটিতে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে প্ররোচিত করবে। ইতিমধ্যে মিশরের তথাকথিত সংসদ বিদেশের মাটিতে মিশরীয় বাহিনীকে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার অনুমোদনও দিয়েছে।

লিবিয়া যুদ্ধে আঙ্কারার শামিল হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃত লিবিয়া সরকারের হাতে ভৌগলিক অখন্ডতা ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখা দিলেও আরব বিশ্বসহ উত্তর আফ্রিকার ভূ রাজনীতিতে জটিল রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হয়। রাজতন্ত্রের ধ্বজাধারী সংযুক্ত আরব আমিরাত-সৌদি জোট চাইছে আরব বিশ্বে রাজনৈতিক ইসলামের গতিরোধ করতে। তাদের দৃষ্টিকোণে জিএনএ সরকারের টিকে যাওয়া মানে তুর্কি স্টাইলে লিবিয়ায় রাজনৈতিক ইসলামের উত্থান, যা তাদের রাজতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি। তার জন্য তাদের ভারাটে মিশরের স্বৈরশাসক আবদুল ফাত্তাহ সিসি'কে প্রস্তুত রেখেছে যেকোন সময়ে লিবিয়ায় জিএনএ-তুর্কি জোটের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামাতে। এখানে বড়ো খেলোয়াড়ের ভূমিকায় আছে আরব আমিরাতের প্রিন্স মুহাম্মদ বিন জায়েদ। পক্ষান্তরে, লিবিয়ায় নিজের প্রভাব ধরে রাখতে চায় ফ্রান্স। রাশিয়া চাইছে খলিফা হাফতারকে টিকিয়ে রেখে তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন তেল সম্পদ কুক্ষিগত এবং বেনগাজির উপকন্ঠে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে ভূমধ্যসাগরে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা। অন্যদিকে রয়েছে গত জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এথেন্সে ইসরায়েল, গ্রিক সাইপ্রাস ও গ্রিস প্রায় সাত বিলিয়ন ডলারের ইস্টমেড গ্যাস পাইপলাইন চুক্তির ভবিষ্যত নিরাপদ রাখতে তুরস্ককে ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে না দেয়ার গ্রীক-ইসরাইলের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভূগর্ভস্থ এই গ্যাস পাইপলাইন ভূমধ্যসাগরের তলদেশ ব্যবহার করে ইসরায়েলের গ্যাস নিয়ে যাবে ইউরোপে। কিন্তু 'লিবিয়া-তুরস্ক বিশেষ অর্থনৈতিক জোন' চুক্তি ইস্টমেড গ্যাস পাইপলাইনকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। কোনো ধরনের আলাপ-মীমাংসা ছাড়া আঙ্কারা-ত্রিপোলি তাদের সীমানা ইস্টমেড গ্যাস পাইপলাইনকে ব্যবহার করতে দেবে না- তা পরিষ্কার। এখন ইসরায়েলের জন্য সমাধান কোথায়? সহজ উত্তর হলো, লিবিয়ার জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের বিলুপ্তির জন্য সম্ভাব্য সব কিছুর প্রস্তুতি। সবমিলিয়ে জটিল সমীকরণ-মেরুকরণে নিমজ্জিত লিবিয়ার ভবিষ্যত।

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন লিবিয়ায় সৈন্য পাঠিয়ে এরদোয়ান তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ভয়াবহ ঝুঁকি নিয়েছেন। তাঁদের মতে লিবিয়ার লাগামহীন গৃহযুদ্ধ ও ভৌগলিক অবস্থান সিরিয়ার যুদ্ধ থেকে সম্পূর্ণভাবে ভিন্ন। সিরিয়ার যুদ্ধে আঙ্কারা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সুবিধা পেয়েছে। পাশাপাশি তারা মার্কিন ও রাশিয়ার ক্ষমতার লড়াই থেকেও সুবিধা নিয়েছে। বেশ কূটনৈতিক বিজয়ও অর্জন করেছে। কিন্তু লিবিয়ায় আঙ্কারার সঙ্গে ইতালী, কাতার ছাড়া কেউ নেই। প্রতিপক্ষের তালিকায় রাশিয়া থেকে শুরু করে সবাই। তাই নিকট ভবিষ্যতে লিবিয়ায় তুর্কি সৈন্যদের যেকোনো ধরনের বিপর্যয়ের দায় এরদোয়ানকেই নিতে হবে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই কিন্তু এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাদের মতে বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে এরগোগান ঝানু খেলোয়াড়। যতোসব জটিল অংক কষেই কিন্তু তিনি খেলায় নেমেছেন। তাদের মতে, যেকোন মূল্যে লিবিয়ার জাতীয় ঐকমত্যের সরকারকে টিকিয়ে রেখে উত্তর আফ্রিকা পর্যন্ত নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে বদ্ধপরিকর তুর্কি-কাতার বলয়। তাছাড়া পূর্ব ভূমধ্যসাগরে লিবিয়া-তুরস্ক বিশেষ অর্থনৈতিক জোন গঠন চুক্তি বহাল রাখা তো আছেই। এরদোয়ান ভালোভাবেই জানেন, ত্রিপোলি হাফতারের করতলগত হলে তিউনিসিয়া ও আলজেরিয়াকেও সৌদি বলয় থেকে রক্ষা করা যাবে না। অন্যদিকে সৌদি-আমিরাত-মার্কিন-ইসরায়েল বলয় তিউনিসিয়ার বর্তমান সরকারে ইসলামপন্থী আন নাহদার প্রভাব আর সামনে আলজেরিয়ার জাতীয় নির্বাচনে মুসলিম ব্রাদারহুড পন্থীদের ভালো করার ইঙ্গিত দেখে হাফতারের মধ্যেই উত্তর আফ্রিকায় নিজেদের স্বার্থ দেখছে।

যাই হোক, লিবিয়ার গৃহযুদ্ধের ফলাফল কি দাঁড়াবে এই মুহুর্তে আগাম কিছু বলা মুশকিল। তবে মিশরের সিসি তাঁর নাকের ডগায় এরদোয়ানের উপস্থিতি সহ্য করবেন না- নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। তাই বিশেষজ্ঞরা তুরস্ক-মিশর হাঙ্গামার আশঙ্কা বাতিল করে দিচ্ছেন না। যদি সেই সম্ভাবনা বাস্তব রূপ ধারণ করে, তাহলে তা আঞ্চলিক যুদ্ধ থেকে আন্তর্জাতিক যুদ্ধেও রূপান্তরিত হতে পারে। কারণ দু'টি রাষ্ট্রই সামরিক দিক দিয়ে বেশ শক্তিশালী। অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও সামরিক বাহিনীর পেশাদারিত্বের দিক দিয়ে তুরস্ক বেশ এগিয়ে থাকলেও মিশর লিবিয়ার নিকট প্রতিবেশী। ইসরাইল, আমিরাত; এমনকি সৌদি আরবও চাইবে লিবিয়ায় মিশরকে তুরস্কের সাথে সঙ্ঘাতে জড়িয়ে দিতে। এমনটি হলে বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বে চরম বিপর্যয় নেমে আসবে। অদম্য তুরস্ক কোনভাবে অপমানজনক কিছু মেনে নেবেনা। সিরিয়া এবং লিবিয়ায় সামরিক ও কূটনীতিক পরীক্ষায় প্রাথমিকভাবে তুরস্ক যে সফলতার প্রমাণ দিয়েছে সেটিই দেশটিকে এখন প্রভাবশালী আঞ্চলিক শক্তির মর্যাদা এনে দিয়েছে। যেভাবে হোক তুরস্ক সেটি ধরে রাখবে। কোন কারণে যদি যুদ্ধ লেগেই যায়, তাহলে এই ফাঁকে ইসরাইল নিজের সীমান্ত স্থায়ীভাবে পশ্চিম তীর ও জর্দান উপত্যকায় সম্প্রসারণের কাজটি সম্পন্ন করে নেবে। অন্যদিকে, সিরিয়ায় রাশিয়া-ইরান-তুরস্কের সমঝোতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার যে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে তা দীর্ঘায়িত হবে। তাই বলা যায়, যুদ্ধ শুরুর আগে রাশিয়া ও তুরস্কের সমঝোতা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে হবে। কারণ, বর্তমান লিবিয়া এবং সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়া মোড়লের ভূমিকায়। রাশিয়া এই মুহুর্তে কোনভাবে চাইবেনা তুরস্ককে দূরে ঠেলে দিতে। আমেরিকার মোকাবেলায় তুরস্ককে পাশে রাখা দরকার রাশিয়ার। আমেরিকাও চাইছেনা তুরস্ককে হাতছাড়া করতে। রাশিয়া অস্ত্র দিয়ে, ভাড়াটে দিয়ে খলিফা হাফতারকে সহযোগিতা দিলেও তুরস্কের বিরুদ্ধে টু শব্দটিও করছেনা। যেভাবে করেনি সিরিয়ার ক্ষেত্রেও। সিরিয়ায় কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযানের প্রাক্কালে এরদোগান তুর্কি বাহিনীর সামনে থেকে প্রথমে আমেরিকা, পরে রাশিয়াকে সরে দাঁড়াতে বললেও তারা এরদোগানের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়নি কৌশলগত কারণে। লিবীয় সঙ্কট সমাধানে আঙ্কারা-মস্কোর মধ্যে ইতিমধ্যে আলোচনাও শুরু হয়েছে। রাশিয়ার পুতিন আর এরদোগানের মাঝে রয়েছে ঘনিষ্ট যোগাযোগ। তাছাড়া সমর প্রস্তুতি এবং বাকযুদ্ধ চললেও মিশর-তুরস্ক দুই পক্ষই রাজনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সঙ্কটের সমাধান করার কথাও বলছে। আমরাও আশা করি যুদ্ধে নয়, আলোচনার টেবিলেই সমাধান হোক লিবীয় সঙ্কট। লিবীয় সঙ্কট সমাধানে জাতিসংঘের কোন ভূমিকা না দেখে বিশ্ববাসী হতবাক!

বলার অপেক্ষা রাখেনা, লিবিয়ার বর্তমান সঙ্কটের জন্য দায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোট। আরো স্পষ্ট করে বলা যায়, একমাত্র আমেরিকাই। আজকে লিবিয়ার চরম রাজনৈতিক সঙ্কটে আমেরিকার রহস্যজনক নির্লিপ্ততা বিস্ময়ের জন্মদিলেও যেটা দৃশ্যমান সেটা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের উদীয়মান মুসলিম শক্তিকে দমিয়ে রেখে সম্পদ কুক্ষিগত করায়ই মার্কিন মুল্লকের মূলনীতি। তার এই অপকর্ম ষোলআনা পূরণ হওয়ায় সে চুপসে আছে নির্লজ্জভাবে। দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে, আমেরিকা তার এই অপকর্ম সম্পাদনে কাছে পাচ্ছে কোননা কোন মুসলিম দেশকে।

 

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল


রিটেলেড নিউজ

নওগাঁয় মানছে না স্বাস্থ্যবিধি

নওগাঁয় মানছে না স্বাস্থ্যবিধি

newsgarden24.com

মো.আককাস আলী, নওগাঁ: নওগাঁয় মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। পড়ছে না সাধারণ মাস্ক। ফলে বাড়ছে প্রাণঘাতী করোন... বিস্তারিত

বঙ্গবন্ধুর ত্যাগী সৈনিক শহিদুল সরদারকে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায়

বঙ্গবন্ধুর ত্যাগী সৈনিক শহিদুল সরদারকে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায়

newsgarden24.com

মো. আককাস আলী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধুর ত্যাগী সৈনিক, আওয়ামী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তা... বিস্তারিত

চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনার সংখ্যা বাড়ছে!

চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনার সংখ্যা বাড়ছে!

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: দেড়শত বছরের পুরানো ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, চট্টগ্রামের পাথরঘাটা সতীশবাবু লেইনের মুখে ... বিস্তারিত

নিশ্চয় মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানব জাতির গর্ব

নিশ্চয় মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানব জাতির গর্ব

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: মানবতার সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ও দলের সংখ্যা প্রচুর। ইতিহাসে এমন মানুষের সংখ্য... বিস্তারিত

আইন করে অনলাইন নিয়ন্ত্রণের যুগ বোধহয় শেষ...

আইন করে অনলাইন নিয়ন্ত্রণের যুগ বোধহয় শেষ...

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: আমাদের দেশে গণমাধ্যম সমসময়ই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, বিশেষ করে ১৯৭১ সালের দিকে... বিস্তারিত

আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৫৯, আহত ৬১৪: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৫৯, আহত ৬১৪: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক: বিদায়ী আগস্ট মাসে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ৩৮৮টি দুর্ঘটনায় ৪৫৯জন নিহত ও ৬১৮জন আহত হয়ে... বিস্তারিত

সর্বশেষ

বিভিন্ন দেশ থেকে সমুদ্রপথে আসছে পেঁয়াজ

বিভিন্ন দেশ থেকে সমুদ্রপথে আসছে পেঁয়াজ

newsgarden24.com

চট্টগ্রাম: ১১টি দেশ থেকে সমুদ্রপথে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দেশগুলো ... বিস্তারিত

‘ভারতের সঙ্গে কিসের বন্ধুত্ব? যে বন্ধু আমার স্বার্থ দেখে না : ডা. জাফরুল্লাহ

‘ভারতের সঙ্গে কিসের বন্ধুত্ব? যে বন্ধু আমার স্বার্থ দেখে না : ডা. জাফরুল্লাহ

newsgarden24.com

সমাজের নানা স্তরে দুর্নীতির উদাহরণ টেনে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লা... বিস্তারিত

সদরঘাট থানা মৎস্যজীবী লীগের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সদরঘাট থানা মৎস্যজীবী লীগের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

newsgarden24.com

চট্টগ্রাম মহানগর আওতাধীন সদরঘাট থানা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের এক মত বিনিময় সভা আজ সকাল ১১টায় সদরঘা... বিস্তারিত

রাষ্ট্রপতির সুস্থতা কামনায় জোরারগঞ্জ ইসলামিয়া মাদরাসার দোয়া অনুষ্ঠিত

রাষ্ট্রপতির সুস্থতা কামনায় জোরারগঞ্জ ইসলামিয়া মাদরাসার দোয়া অনুষ্ঠিত

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এর সুস্থতা কামনা করে জোরারগঞ্জ ইসলামিয়া দাখিল মাদরা... বিস্তারিত