চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের বেহাল দশা

newsgarden24.com    ০৬:০০ পিএম, ২০২০-০২-১৮    190


 চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের বেহাল দশা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ইংরেজী, মঙ্গলবার: চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের বেহাল দশা এখন। বছরের পর বছর নির্বাচন ছাড়াই চলছে মহানগর মহিলা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম। আর এই কারণে লেগে আছে কলহ, কোন্দল, গৃহবিবাদ। নির্বাচনের পরিবর্তে সিলেকশনের কারণে দলের অভ্যন্তরে রেষারেষি আর দলাদলি কমেনি। রাজপথের আন্দোলেনে দেখা না গেলে পদ-পদবি পাওয়ার লড়াইয়ে তাদের জুড়ি নেই। আন্দোলন বলতে গেলে এখন আর কিছুই নেই। মহানগর ও জেলায় কমিটি থাকলেও সব মেয়াদোত্তীর্ণ। সরকার বিরোধী আন্দোলনে মহিলাদলের ভূমিকা চোখে পড়ার মতো নয়। তবে নিজেদের মধ্যে পদপদবি নিয়ে তাদের মারামারিতে লিপ্ত

হতে দেখা যায়। মহানগর এবং জেলায় রাজপথে সক্রিয় ছিল এমন অনেক নেতার বিরুদ্ধে মামলা। মিথ্যা মামলায় ঘরছাড়া অনেক নেত্রী। অভিযোগ রয়েছে, কমিটি গঠনের সময় ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। নেতাদের পছন্দের যারা তাদের কমিটিতে পদ দেওয়া হয়। আর এ কারণে মহিলাদলের রাজনীতিতে স্থবিরতা বিরাজ করছে। মহিলা দলের তৎপরতা ঝিমিয়ে পড়েছে অনেক আগে। মহানগরে কমিটি থাকলেও সাংগঠনিক তৎপরতা নেই। মহিলা দলের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মহিলা দলের তৎপরতা না থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে আওয়ামী মহিলা লীগের সাথে আপোষ করে দিন পার করছে। আন্দোলন-সংগ্রামে-মাঠে-ময়দানে তাদের খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না। দলের কার্যালয়ে যত নেতা-পাতি নেতার ডিজিটাল ও সচিত্র পোস্টার ঝুলছে, তত নেতাকে একত্রে ও একসঙ্গে দেখা যায় না। কয়েকজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে সংগঠন। সেখানে পছন্দের লোক আর কোটারি তৈরি হয়েছে। দলকে সমৃদ্ধ করতে নতুন রক্ত-সঞ্চালন বা নতুন নতুন নেতা-কর্মীর বিকাশ ঘটানোর কোনোই তৎপরতা নেই। অনেক নেতাই বয়সের ভারে ন্যূব্জ। ফলে আন্দোলন-সংগ্রামে অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য ও ফিডব্যাক পাচ্ছে না মহিলা দল।
মহিলা দলের বিগত দিনগুলোর তৎপরতার ফিরিস্তি ঘাঁটলে দেখা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে বছরের পর বছর পর্যন্ত কমিটি করতে পারেনি মহিলা দল। এতে স্বভাবতই মনে হবে, নেতৃত্ব বিকাশের পথটি যেন ইচ্ছা করেই রুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। দেশের আশি ভাগ স্থানে মহিলাদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়নি। কোথাও কোন্দলে, কোথায় নেতাদের দড়ি টানাটানিতে, কোথায় টাকার লেনদেনের কারণে আটকে আছে কমিটি। এতে দলের সর্বস্তরে সৃষ্টি হয়েছে সীমাহীন অচলাবস্থা।
কোনো ধরনের দলীয় স্বীকৃতি না-পাওয়ায় হতাশ হয়ে গেছে তৃণমূলের অনেক নেতা-কর্মী। তাই অনেকেই এখন দলবিমুখ। কেউ কেউ নিজেরাই নিজেদের মতো ফ্রি-স্টাইলে দল চালাচ্ছে। বিশেষ করে তৃণমূল ও মফঃস্বল পর্যায়ে চলছে এমন বিশৃঙ্খল ও নৈরাজ্যকর অবস্থা। সেখানে ব্যক্তিকেন্দ্রিক উপ-দলগুলোর ভিন্ন ভিন্ন কার্যক্রমেই আবর্তিত হচ্ছে মহিলা দলের রাজনীতি। কখনও অন্তঃকোন্দল, কখনও বিরোধ-কলহ তীব্র হচ্ছে। জমছে অবিশ্বাস ও সন্দেহ। দলে কে কার দালাল বা দালাল নয়, যেন সেই পরীক্ষা শুরু হয়। সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরোধ ওপেন সিক্রেট। সংগঠনে নেতৃত্বের কোন্দল চরমে। কোথাও সভাপতি কমিটি করলে সাধারণ সম্পাদক বাগড়া দিচ্ছেন; কোথায় সাধারণ সম্পাদকের কাজকে আটকে দিচ্ছেন সভাপতি। মূল দলের মতোই অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনে নিয়মিত সাংগঠনিক সভা-মিটিং, কাউন্সিল, সম্মেলন নেই বললেই চলে। নতুন নেতৃত্বকে পথ করে দেওয়ার রাস্তাও বন্ধ। অনেক কেন্দ্রীয় নেতা কমিটিতে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের লোক হিসেবে নাম লিখিয়ে আদুভাই হয়ে আছেন। তাদের একমাত্র কাজ নেতার পক্ষে লবিং-গ্রুপিং করা, দলের কাজ করা নয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন নেত্রীর বক্তব্য এমন, সংগঠনের পদ-পদবিগুলো এখন চাঁদার বাক্স হয়ে গেছে। একজন কোনোভাবে একবার কোনো কমিটির কোথাও জায়গা পেলে সেটাকে ভাঙিয়ে দিব্যি চলছে। দশ বছরেও সেখানে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়নি। এমন অবস্থা প্রায়-সর্বত্র। চট্টগ্রামে কমিটি করতে গিয়ে বিভিন্ন উপদলের আক্রমণ ও সংঘর্ষে জিম্মি হয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলের সর্বব্যাপী কোন্দল মেটানোর উপায় খুঁজে বের করার উদ্যোগ না থাকায় অন্তঃদ্বন্দ্ব দিনে দিনে তীব্র হচ্ছে। দলের মধ্যে এখনও জিইয়ে রাখা হয়েছে সংস্কারপন্থি ইস্যু। কাউকে পেছনে ফেলতে হলে তাকে সংস্কারপন্থি বলে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। দলে জেলাভিত্তিক উপদলও বেশ চাঙ্গা।
সাংগঠনিক বৈকল্যের কুপ্রভাব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতেও ব্যাপকভাবে পড়েছে। মূল দলের সাংগঠনিক স্থবিরতা ও কোন্দল বিস্তারিত হয়েছে অঙ্গ ও সহযোগী দলগুলোতে। কমিটি ও কাউন্সিল না থাকায় যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছে না। ভুইফোড়রা সর্বত্র দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এরই সঙ্গে অমুক নেতার লোক বা অমুক এলাকার লোক হিসাবে নানা সুযোগ-সুবিধা হাতিয়ে নিচ্ছে অনেক ধুরন্ধররা। দলের সর্বস্তরে শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও চেইন অব কমান্ড আনার ক্ষেত্রে যে সীমাবদ্ধতা, সেটা আন্দোলনের মাঠে মহিলাদলকে বারবার ব্যর্থতাই উপহার দিচ্ছে। দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম বা সাংগঠনিক শক্তি বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারছে না অনেকেই। ১/১১-এর পর থেকে যে স্থবিরতার চোরাবালিতে আটকে আছে সাংগঠনিক কার্যক্রম, সেটা দূর করা না হলে দলের গতিশীলতা ও তাৎপর্যপূর্ণ রাজনীতি অধরাই থেকে যাবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সুবিধাভোগী ও শাসকদলের সাথে আঁতাতকারী নেতাদের অপতৎপরতায় চরম অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দল। এখানকার ১৬ টি থানা মহিলা দলের অবস্থাও তথৈইবচ। মহিলা দলগুলোর প্রায় ইউনিটের সর্বশেষ সভা কবে অনুষ্ঠিত হয়েছে কেউ বলতে পারে না। কোন কোন কমিটির তালিকায় কে কোথায় আছে, তাও অনেকে জানে না। চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম মহানগর।

কঠোর পরিশ্রম, মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের আওতাধীন তথা ডবলমুরিং থানা মহিলা দলকে তিল তিল করে শেকড় থেকে সাজিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফাতেমা বাদশা। এই নীতিনির্ধারক এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও মহিলাদলের রাজনীতিকে শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং মহিলাদলের শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত করেন। সেই মহিলা দলের শক্ত ঘাঁটি এখন হযবরল অবস্থায় নিপতিত। শাসক দলের দমন-পীড়ন, দলের নীতিনির্ধারক নেতাদের এলাকায় অনুপস্থিতি, তদারকির ঘাটতি, কমিটির সিনিয়র নেতাদের গা-ছাড়া ভাব, কারও দলত্যাগ, কারও শাসক দলের সাথে প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে আঁতাত এবং মিলেমিশে বিগত দিনের অর্জিত সম্পদ রক্ষাসহ নানা কারণে চট্টগ্রাম মহিলা দল এখন পক্ষাঘাত অবস্থা বিরাজমান। তবে তৃণমূলে মাটি কামড়িয়ে এখনো যারা মহিলা দলকে ধরে রেখেছে, তারা দলের এই বেহাল দশার জন্য মূলত সুবিধাভোগী অকৃতজ্ঞ নেতাদের দায়ী করেছেন। তৃণমূলের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, বিএনপির শাসনামলে যে সব নেতা এমপি-মন্ত্রীদের ব্যবহার করে কাড়িকাড়ি টাকা হাতিয়েছেন, আন্দোলন সংগ্রামে তাদের মাঠে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এখনও নেই। এই মহারথিদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। অথচ উনারা এলাকায় প্রচার করে বেড়াচ্ছে অমুক পদে, তমুক পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে। অবস্থাটা এ রকম, গাঁয়ে মানে না, আপনি মোড়ল। কারণ তৃণমূলের সাথে তাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তারা  মহিলা দলের ভাল অবস্থান পেতে আদাজল খেয়ে নেমেছে। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে মহিলা দলের কমিটি সাজাতে হবে। অগ্রহণযোগ্য ও তৃণমূলের সাথে সম্পর্ক নেই, এমন ব্যক্তিদের নিয়ে মহিলা দলের কমিটি গঠিত হলে তারা গণরোষের শিকার হবে। এইসব চিহ্নিত ব্যক্তি দল ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় প্রভাব বিস্তার করে কোটি কোটি টাকা রোজগার করেছে। এখন আ.লীগের সাথে আঁতাত করে মামলামুক্ত থাকছে এবং দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, অবৈধভাবে গড়ে তোলা সেই সহায়-সম্পদ টিকিয়ে রাখছে। নিজ দলের প্রতি তাদের কোন দরদ নেই। তৃণমূলের নেতাকর্মীসহ দলীয় সমর্থকদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, শাসক দলের অনুগত হয়ে নিজ দলের সাথে বেঈমানী করে ব্যবসা, ধন-সম্পত্তি রক্ষা, মামলা, হয়রানি নির্যাতন থেকে মুক্ত থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশ গাড়ী বাড়ীর মালিক। বিএনপি সরকারের সময়ে ওই মোনাফেকরা বিভিন্ন তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছেন। তারাই এখন দলের আদর্শবোধ ভুলে গেছে। এই ষড়যন্ত্রকারীরা এখন মহিলা দলের ভাল পদ দখলে নিতে কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
দলের চরম দু:সময়ে যেসব ব্যক্তি মহিলা দলের ভাঙার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকেছেন, আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেনি, পর্দার আড়ালে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন, শাসক দলের সাথে আঁতাত ও নানা সুবিধা নিয়ে ইউরোপ, আমেরিকা, ভারত, চীন, ব্যাংককে পালিয়ে আয়েশে সময় কাটাচ্ছেন, অন্তত: তারা যেন বিএনপির নতুন কমিটিতে ঠাঁই না পায়। তাদেরকে বিএনপির নতুন কমিটিতে স্থান দেয়া হলে তৃণমূলের ত্যাগী কর্মীরা আ.লীগ নয়, বরং এসব সুবিধাবাদী অকৃতজ্ঞ ও বেঈমানদের বিরুদ্ধেই আন্দোলন গড়ে তুলবে। তারা বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া মহিলা দলে এসব ঘাড়-মোটা, মাথা-মোটা ব্যক্তিদের ঠাঁই দেয়া যাবে না। এই বসন্তের কোকিলদের বহিষ্কার কিংবা অপসারণ করা এই সময়ের অন্যতম প্রধান দাবি। তাদের সরিয়ে দিলে মহিলাদল হবে কলংকমুক্ত এবং অধিকতর শক্তিশালী। এরা জনবিচ্ছিন্ন। এলাকার জনগণের কাছে এদের সামান্যতম জায়গা নেই।
এলাকার মানুষ ও নেতাকর্মীগণের একটাই চাওয়া- পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগী লোকদের নিয়ে গঠিত হোক আগামী মহিলা দলের নেতৃত্ব। এতে দল সুসংগঠিত এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে। বাস্তবায়িত হবে শহীদ জিয়ার লালিত স্বপ্ন। মহিলা দলের পুনঃ গঠন বিষয়ে এক নেত্রী বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিগত আন্দোলন সংগ্রামে জীবনবাজি রেখে অংশগ্রহণ করেছে। নতুন কমিটিতে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতেই এইসব ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।
আন্দোলনে যারা শরিক হয়নি, শাসক দলের সাথে আঁতাত করে নিরাপদে থেকেছেন, এসব সুবিধাভোগী নেতাদের নতুন কমিটিতে ঠাঁই হবে না। রাজনীতিতে সামনে আমাদের হয়তো আরো কঠিন সময় আসবে। নতুন কমিটিতে তরুণদের হাতে নেতৃত্ব দিতে হবে। এখানে তরুণদের মধ্যে অনেক যোগ্য নেতা রয়েছে। এসব নেতাদের মূল্যায়ন করলে দল আরো শক্তিশালী হবে, ভবিষ্যৎ আন্দোলন আরো চাঙ্গা হবে। বর্তমান সময়ের রাজনীতিতে তরুণদের জয়জয়কার। মহিলা দলের আন্দোলনে তৃণমূলের তরুণ নেতাকর্মীরা তার প্রমাণ রেখেছে। আগামী আন্দোলনে সফলতা পেতে হলে নতুন কমিটিতে তরুণদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। মহিলা দলেরর প্রতিটি ইউনিটে তরুণ নেতৃত্বকে এগিয়ে নিতে হবে। তাহলে দল আরো শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে। এলাকার জনগণ উপকৃত হবে।

 

সাবস্ক্রাইব ইউটিউব চ্যানেল


রিটেলেড নিউজ

সকলকে করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগের সময় হতদরিদ্র মানুষের পাশে থাকতে হবে: খোকন চৌধুরী

সকলকে করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগের সময় হতদরিদ্র মানুষের পাশে থাকতে হবে: খোকন চৌধুরী

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৬ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, সোমবার: চসিক মেয়র প্রার্থী ও তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্... বিস্তারিত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুদক পরিচালকের মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুদক পরিচালকের মৃত্যু

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৬ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, সোমবার: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দুদক পরিচ... বিস্তারিত

জব্বারের বলীখেলা স্থগিত

জব্বারের বলীখেলা স্থগিত

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৫ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, রবিবার: ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ কর... বিস্তারিত

মূল সড়ক নিরব, অলি গলি সরব

মূল সড়ক নিরব, অলি গলি সরব

newsgarden24.com

রাকিবুল হাসান, ০৫ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, রবিবার: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রশাসনের তৎপরতায় কর্মচাঞ্... বিস্তারিত

রাজনীতি হল মানবসেবা: খোকন চৌধুরী

রাজনীতি হল মানবসেবা: খোকন চৌধুরী

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১ এপ্রিল ২০২০ ইংরেজী, শনিবার: স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও তৃণমূল এনডিএম চেয়ারম্য... বিস্তারিত

বাংলাদেশ করোনায় মৃত্যুহারে ইতালির পরে!

বাংলাদেশ করোনায় মৃত্যুহারে ইতালির পরে!

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৪ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, শনিবার: বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী নোভেল করোনাভাইরাস ... বিস্তারিত

সর্বশেষ

সকলকে করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগের সময় হতদরিদ্র মানুষের পাশে থাকতে হবে: খোকন চৌধুরী

সকলকে করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগের সময় হতদরিদ্র মানুষের পাশে থাকতে হবে: খোকন চৌধুরী

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৬ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, সোমবার: চসিক মেয়র প্রার্থী ও তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্... বিস্তারিত

বাঁশখালী হাব্বানিয়া বাজারে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

বাঁশখালী হাব্বানিয়া বাজারে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

newsgarden24.com

মোঃ আবদুল জববার,বাঁশখালী, ০৬ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, সোমবার: চট্টগ্রামের বাঁশখালী গন্ডামারা ইউনিয়নে... বিস্তারিত

২০০ পরিবারের মাঝে চিটাগাং মেট্রোপলিটন শপ ওনার্স এসোসিয়েশন’র খাদ্য সামগ্রী প্রদান

২০০ পরিবারের মাঝে চিটাগাং মেট্রোপলিটন শপ ওনার্স এসোসিয়েশন’র খাদ্য সামগ্রী প্রদান

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৬ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, সোমবার: চট্টগ্রাম ব্যাবসায়ীদের বৃহত্তর সংগঠন চিটাগাং ... বিস্তারিত

কিন্ডারগার্টেনগুলোর দুর্দিন করোনায়, সহায়তা চায় প্রধানমন্ত্রীর

কিন্ডারগার্টেনগুলোর দুর্দিন করোনায়, সহায়তা চায় প্রধানমন্ত্রীর

newsgarden24.com

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৬ এপ্রিল ২০২০২ ইংরেজী, সোমবার: করোনাভাইরাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের কিন্ডার... বিস্তারিত