সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় আওয়ামীলীগের সফলতার কারিগর প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৬ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার: মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক দক্ষিণ চট্টগ্রামের সিংহপুরুষ, চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনের বটবৃক্ষ আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু মিয়ার হাত ধরে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রেখে, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে, বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতা আবু জিয়া মুহাম্মদ শামসুদ্দিন চৌধুরী’র সার্বিক তত্ত্ববধানে, সাতকানিয়া-লোহাগাড়া’র বীর সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব, মেজর জেনারেল মিয়া মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন বীর বিক্রম পিএসসি মহোদয়ের অনুপ্রেরনায় শিক্ষাবিদ ও সমাজ সেবক থেকে রাজনীতিতে আগমন, প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী এমপি’র।
শিক্ষা ও শিক্ষকতার জীবনে প্রখর মেধা ও সফলতার স্বাক্ষর রেখে উঁচু মানের ইসলামিক স্কলার হিসেবে দেশে-বিদেশে খ্যাতির শীর্ষে পৌছেন ড. আবু রেজা নদভী। মুসলিম বিশ্বের সংগঠন ওআইসি’র সদস্য ভুক্ত এনজিওদের মধ্য বাইনেইম প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে শত শত কোটি টাকার জনকল্যানমূলক কাজ করে আরব বিশ্বের কাছে সচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অপূর্বনজীর স্থাপন করে সবার দৃষ্টিতে পড়েন প্র.ড.আবু রেজা নদভী এমপি।
সাতকানিয়া-লোহাগাড়া’য় ১৯৯৬ সাল থেকে দুই যুগের অধিক সময় আর্থমানবতার সেবাই সাধারণ দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে থেকে দারিদ্র বিমোচন, শিক্ষা বিস্তার ও ধর্মীয় উন্নয়নে অভূতপূর্ব ভুমিকা রেখে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সাধারণ মানুষের হৃদয় জয় করতে সক্ষম হন।
পারিবারিক সূত্র ধরেই ড. নদভীর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সম্পর্ক, বড় ভাই আবু জিয়া মুহাম্মদ শামসুদ্দীন চৌধুরী ১৯৬৬-১৯৬৮ সালে সাতকানিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য, ১৯৭২-৭৪ চট্টগ্রাম দঃ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, পরবর্তীতে যুবলীগ, আওয়ামীলীগের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনসহ ১৯৯১ সালে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর নৌকা প্রতিকের নির্বাচন, ১৯৯৬ সালে মাঈনুদ্দীন হাসান চৌধুরীর নির্বাচনসহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় আবু জিয়া মুহাম্মদ শামসুদ্দীন চৌধুরীর নেতৃত্বে নদভী পরিবারের ভুমিকা ছিল অগ্রগন্য। সেইসূত্র ধরেই চৌকষ প্রতিভার অধিকারী ড.আবু রেজা নদভী, বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং তিনি ড.আবু রেজা নদভী’কে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার নৌকার কান্ডারী হতে অনুপ্রাণিত করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন। ১৯৯৬, ২০০৬, ১/১১, ২০০৮ সহ বিভিন্ন সময়ে রাজপথে না থাকলেও আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর নেতৃত্বে, তৎকালিন সমসাময়িক জাতীয় নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সহযোগিতায় একজন সমাজসেবক ও শিক্ষাবিদ হিসেবে দল ও সরকারকে বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগিতার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা’র দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন ড.আবু রেজা নদভী।
পরবর্তীতে ২০০৮সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতাসীন হলে জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে কুয়েত ও আরব আমিরাতে রাজকীয় সফরের সৌভাগ্য লাভ করেন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহধন্য হয়ে কোপেন হেগেন জলবায়ু সম্মেলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী সম্মেলনসহ বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমে ভুমিকা রাখেন।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন ড.আবু রেজা নদভী’কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিলে জননেত্রী শেখ হাসিনা আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে নৌকা প্রতীক তুলে দেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষার্থে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর সহিংসতাপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ১৫৫ জন এমপির মতো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকার পরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন করে ব্যাপক সহিংসতার মধ্যেও জামাতের দূর্গ বলে খ্যাত সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় নেতাকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতায় ১ লক্ষ ৫ হাজার ভোটে বিজয়ী হয়ে ৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ১ম এমপি হিসেবে গৌরব অর্জন করেন এবং আওয়ামী রাজনীতির ভিত্তি মজবুত করনে ভূমিকা রাখেন।
নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এই পাঁচ বছরে রাতদিন পরিশ্রম করে ঝড়ে ভিজে রোদে পুড়ে আওয়ামী রাজনীতির জন্য অনুর্বর জায়গায় উর্বরতা সৃষ্টি করে নৌকাকে সাধারণ মানুষের মাঝে জনপ্রিয় করে দলীয় রাজনীতিতে বিপ্লব ঘটিয়ে ৪৩ বছরের ইতিহাস পাল্টে দেন। শুধু তাই নয় জননেত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক সহযোগিতায় ২ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন করে সাতকানিয়া-লোহাগাড়াকে উন্নয়নের মহাসড়কে রুপান্তরিত করেন। গত পাঁচ বছরে সাতকানিয়া-লোহাগাড়া যেন শান্তির জনপদে পরিণত হয়েছে, গাছ কাটা, বাঁশ কাটা, হানাহানি, মারামারি বন্ধ, আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ, প্রসাশনের সচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত ও জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির মূলুৎপাটনে ভুমিকা রাখেন। প্রতি মুহূর্তে জনগণের পাশে থেকে সর্বসাধারণের হৃদয়ের নেতায় পরিণত হন। উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় দিবস ও দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে আওয়ামী রাজনীতি, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের বার্তা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সর্বস্তরে, অলিতে-গলিতে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সাতকানিয়া-লোহগাড়ায় আজ নৌকার জয়গান, সাধারণ মানুষ নৌকায় ভোট দিতে প্রস্তুত।
পরিশেষে একটি কথায় বলব, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি চলন্তবাস, বাসটির গন্তব্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করা, সুতরাং যে যে পয়েন্ট থেকে বাসে উঠুক না কেন যাত্রী নয় বলে ঠেলে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা সংকীর্ণ মনমানসিকতারই বহিঃ প্রকাশ। অন্যজনকে ছোট করার চেষ্টা যারা করবে, নিজেরাই সবার কাছে ছোট হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার চোখের ভাষা পড়ার যোগ্যতা যাদের নেই, নোংরামিকে যারা পেশা হিসেবে নিয়েছে তারাই রাজনৈতিকভাবে বিকারগ্রস্থ। নৌকাকে এগিয়ে নেওয়ার রাজনীতি না করে যারা নৌকা নিয়ে বাণিজ্য করনের রাজনীতি করে তাদের জবাব সময়েই দিবে। রাজনীতিতে উদারতায় ধর্ম, উদারতায় মহত্ব, সবার শুভবুদ্ধির উদয় হোক। জয় বাংলা

Leave a Reply

%d bloggers like this: