সব ধরনের কোটা তুলে দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন মন্ত্রিসভায়

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৩ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার: সরকারি বেতন স্কেলের নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণী) পদে নিয়োগে সব ধরনের কোটা তুলে দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। বুধবার ৩ অক্টোবর দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুমোদন দেওয়া হয়। কোটা পর্যালোচনা কমিটি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কোটা সংস্কার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আজ মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়। পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৯ম গ্রেডের (প্রথম শ্রেণী) ও ১০ম-১৩তম গ্রেড (দ্বিতীয় শ্রেণী) পদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা যেতে পারে। এসব গ্রেডে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা যেতে পারে। কোটা বাতিলের ফলে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থায় সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে প্রতিফলিতব্য প্রভাব নির্দিষ্ট সময় অন্তর পর্যালোচনা করে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যেতে পারে। এদিকে ৩০ ভাগ কোটা বহাল রাখাসহ ৬ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে এক সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেন তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু জাফর মো. সালেহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচার, কোটা সংস্কার কমিটির সুপারিশ বাতিল, বিসিএসসহ সব চাকরির পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি থেকে ৩০ শতাংশ কোটা বাস্তবায়ন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সুরক্ষা আইন ও তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, স্বাধীনতাবিরোধীদের নাগরিকত্ব বাতিল, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং সব সরকারি চাকরি থেকে বহিষ্কার।

Leave a Reply

%d bloggers like this: