জেল কোড অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়া সুচিকিৎসা ও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত: ডাঃ শাহাদাত হোসেন

নিউজগার্ডেনডেস্ক, ১২ সেপ্টম্বর ২০১৮, বুধবার: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, কারাগারে বেগম খালেদার জিয়া বাম হাত ও পা প্রায় অবশ হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি খুবই অসুস্থ। সরকারী ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করানোর সুপারিশ করলেও সরকার তা অগ্রাহ্য করছে। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে সুচিকিৎসা না দিয়ে কারাগারে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে সরকার। জেল কোড অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়া সুচিকিৎসা ও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত। তিনি বলেন, সরকারের ঘনিষ্ট ব্যক্তিরা অবৈধভাবে লুটপাট করে আজকে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশ থেকে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। তাই বিশ্বের বৃহত্তম দেশকে ডিঙ্গিয়ে বাংলাদেশ আজ শীর্ষ ধনীর তালিকায়। তিনি আজ ১২ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে অসাংবিধানিকভাবে কারাগারে আদালত বসানো এবং কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে কেন্দ্রঘোষিত প্রতীকি অনশন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সকাল ১০ টা দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচিতে বিভিন্ন পেশাজীবি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দুর্যোগপূর্ণ আবহওয়া উপেক্ষা করে যোগ দেন। অনশন শেষে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নেতৃবৃন্দকে জুস পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান। এতে ডা. শাহাদাত আরো বলেন, অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনের ক্রোধ মিটাতে একেবারেই দিশেহারা। বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় সাজা দিয়েও মনের ঝাল মিঠছে না। নানামূখি ষড়যন্ত্রের ধারা এখনো অব্যাহত রেখেছে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার। তারা কারাগারে আদালত বসিয়ে নিু আদালতকে ব্যবহার করে গোপন বিচার প্রক্রিয়ায় বেগম জিয়াকে আরেকটি মিথ্যা সাজা দেয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। কারাগারে বিচার কাজ পরিচালনা করা আইনের পরিপন্থী ও স্বাধীন বিচার বিভাগের সর্বজনীন নীতিকে অমান্য করা। কারাগারে গোপন আদালত বসানো ক্যাঙ্গারু কোর্টেরই দৃষ্টান্ত। এ সমস্ত আদালত গায়েবী নির্দেশেই পরিচালিত হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেছেন, অবৈধ আওয়ামীলীগ সরকারের হানাদার বাহিনীরা দেশজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর চালাচ্ছে অন্যায় আগ্রাসন। বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার সম্পূর্ণ গণবিরোধী। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভোটাবিহীন একতরফা করতে নানা ধরনের প্রতিহিংসায় মেতে উঠেছে। নানাভাবে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে পুলিশী শক্তি ব্যবহার করে রাজনৈতিক পরিবেশ সংঘাতময় করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে সরকারের আক্রোশের শিকার হয়ে বেগম খালেদা জিয়া আজ কারাবন্দি। তাকে কারাগারে রেখে কোন নির্বাচন হবে না। নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে। শেখ হাসিনার অধীনে কোন নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করতে হবে। তিনি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতাকৃত চট্টগ্রামের বিএনপি নেতা ইয়াকুব চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার সেলিম, আবু মুসা, বেলায়েত হোসেন ভুলু, কবি সিরাজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, গোলাম কিবরিয়া গোলাপ, জোনাব আলীসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবী করেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সামশুল আলম বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে যে সাজা দেওয়া হয়েছে তা বিচারের নামে অবিচার হয়েছিল। আইনের শাসন, গণতন্ত্র, ভোটধিকার ও ন্যায়বিচার আজ ভুলুন্ঠিত। হারানো গণতন্ত্র, ও ভোটধিকার ফিরয়ে আনতে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিকল্প নেই। আজকে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে যেভাবে আপনারা অনশন কর্মসূচিকে সফল করেছেন। আগামীতে বেগম জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে সবাইকে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।
সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেছেন, সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার শুরু করেছে সরকার। চট্টগ্রামসহ সারাদেশে কোন ঘটনা না ঘটলেও বিভিন্ন থানায় থানায় অগ্রীম মামলা করে রেখেছে পুলিশ। এসব মামলায় হাজার হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামী করে রাখা হয়েছে। সারাদেশে চলছে মামলার ছড়াছড়ি, গ্রেফতার ও আসামী করার হিড়িক। সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিনা কারণে দমননীতির অংশ হিসেবে মামলা দায়ের করে সে মামলায় গ্রেফতার করছে। সরকার অজানা আশংকায় নেতাকর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে কারাগার ভরে ফেলেছে। দমন পীড়ন চালিয়ে বেআইনীভাবে চিরকাল ক্ষমতায় থাকাটা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি‘র সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মো: মিয়া ভোলা, হাজী মো: আলী, আশরাফ চৌধুরী, হারুন জামান, সৈয়দ আহামদ, মাহাবুব আলম, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, লায়ন কামাল উদ্দিন, ইকবাল চৌধুরী, এড. আবদুস সাত্তার সরওয়ার,এস এম আবুল ফয়েজ, এম এ হান্নান, উপদেষ্টা জাহিদুল করিম কচি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন,ইসকান্দর মির্জা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, গাজী মো: সিরাজ উল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ সিহাব উদ্দিন আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, হাজী মো: তৈয়ব, প্রচার সম্পাদক সিহাব উদ্দিন মুবিন, মহিলা দলের সভাপতি কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, সিনিয়র সহ সভাপতি ফাতেমা বাদশা, শেখ নুর উল্লাহ বাহার, এ্যাব নেতা ইঞ্জিনিয়ার কে এম সুফিয়ান, নগর বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক শামছুল আলম(ডক), হাজী সালাহউদ্দিন, আবু জহুর, জহির আহামদ, সম্পাদক বৃন্দ হামিদ হোসেন, হাজী নুরুল আক্তার, ডা: এস এম সারওয়ার, দিদারুল আলম চৌধুরী ইব্রাহীম বাচ্চু, আবদুল নবী প্রিন্স, শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, জিয়াউদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, হাজী বাবুল হক, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মোশারফ হোসেন ডেপটি, কাউন্সিলর মো: আজম, আবদুল্লাহ আল হারুন, নগর বিএনপির সহ সম্পদাকবৃন্দ এ কে খান, আবদুল হালিম স্বপন, মো: সেলিম, রফিকুল ইসলাম, মো: ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, মো: শাহজাহান, আজাদ বাঙ্গালী, ইসমাইল বাবুল, ইউনুছ চৌধুরী হাকিম, সফিক আহামদ, আবুল খায়ের মেম্বার, আবদুল হাই, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আফতাবুর রহমান শাহীন, সাহাব উদ্দিন, হাজী বাদশা মিয়া, রোকন উদ্দিন মহামুদ, আবদুল কাদের জসিম, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, নগর শ্রমিক দল সভাপতি তাহের আহামদ, ড্যাব নেতা ডা: বেলায়েত হোসেন ডালি, ডা: ফয়েজুল ইসলাম, ২০ দলীয় জোট নেতা আলাউদ্দিন আলী, নগর যুবদলের সি: যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, ছাত্রদল নেতা শেখ রাশেল, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জমির উদ্দিন নাহিদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, তাঁতী দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, নগর বিএনপির সদস্য কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, আঁখি সুলতানা, জাকির হোসেন, আলী ইউসুফ, মনজুর কাদের মিন্টু, মো: তসলিম হোসেন, মো: ইলিয়াছ, রফিক সরদার, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি, এস এম মফিজ উল্লাহ, আলাউদ্দিন আলী নূর, আবদুল্লাহ আল সগির, কাজী সামছুল আলম, মনজুর আলম মনজু, এস এম ফরিদুল আলম, জানে আলম জিকু, মো: বেলাল, জামাল উদ্দিন জসিম, মো: ইলিয়াছ, ফারুক আহামেদ, মো: আজম, সাধারণ সম্পাদক, এম এ হালিম বাবলু, জাহেদ উল্লাহ রাশেদ, আলী হায়দার, মনজুরুল কাদের মনজু, হাজী জাহেদ, মাসুদুল কবির রানা, মো: ফিরোজ খান, সিরাজুল ইসলাম মুন্সি, মো: হারুন, আশরাফ খান, জিয়াউর রহমান জিয়া, সৈয়দ আবুল বসর, জসিম মিয়া, আনোয়ার হোসেন আনু, হাজী মো: এমরান, মোস্তাক আহামদ, মনজুর মিয়া, মো: হাসান প্রমুখ।

Leave a Reply

%d bloggers like this: