চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ এলাকায় পরকিয়ার কারণে ঘর ভাঙলো ৩ সন্তানের জননীর প্রেমিক বাহিনী নিয়ে প্রেমিকের বাসায় পাঁয়তারা

নিউজগার্ডেনডেস্ক, ১০ সেপ্টম্বর ২০১৮, সোমবার: ইসলামী শরীয়তের বিধান মতে বিগত ১৫/১২/৮৩ ইং তারিখ পার্শ্বলিপি ব্যক্তিনীর সহিত আমি অত্র তালাকের নোটিশ দাতার বিবাহ হয় এবং একই তারিখে নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রারের কার্যালয় তাহা যথারীতি নিবন্ধিত হয়। বিবাহের পর আমরা উভয়ের মধ্য সম্পর্ক খুবই সুন্দর ছিলো। আমাদের দাম্পত্য জীবনে ২ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করিয়াছে। তাহারাও যথেষ্ট সাবালক/সাবালিকা হইয়াছেন। আমি বেশ কয়েকবছর যাবত ব্যবসা বাণিজ্য ও অন্য অন্য কাজে ব্যস্ত হইলে এই সুযোগে আমার স্ত্রী পার্শ্ববর্তী রহমান নগরের জনৈক হাসান মুরাদ প্রো: মামুন নামের এক বখাটের সাথে এমনভাবে মেলা মেশা করিয়া আসিতেছে যাহা অত্র এলাকার অনেকের নজরে পড়েছে। এই ঘটনা জানাজানির মাধ্যমে আমি ও আমার আত্মীয়স্বজনদের লজ্জাজনক ও অত্যন্ত মানহানি কর। আমি পার্শ্বলিপি ব্যক্তিনীরকে সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে বহুবার বুঝিয়ে এবং সাবধান করিবার পরেও তাহার ঐ আচরণ থেকে ফিরে আসেন নি। ফলে আমি পার্শ্বলিপি ব্যক্তিনীর বাপের বাড়ির আত্মীয়স্বজন এবং আমার আত্মীয়স্বন ও এদের সাথে কসমোপলিটন আবাসিক এলাকা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় উক্ত বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় বৈঠকের মাধ্যমে পার্শ্বেলিপি ব্যক্তিনীকে উপস্থিত সকলেই বুঝানোর অনেক রকম চেষ্টা এবং সকলেই ব্যর্থ হই। পার্শ্বলিপি ব্যক্তিনী তাহার অবস্থানেই অটুট থাকেন তারপরেও সন্তান ও সমাজের দিকে তাকিয়ে বহু রকম বুঝানোর চেষ্টা করি এবং ব্যর্থ হই তার কথা হলো আমি সংসার ও সন্তানদের ছাড়তে পারি তবুও মামুনকে ছাড়তে পারবো না। পরিষ্কারভাবে বলে দিলে স্বামী তাহাকে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক আইনিভাবে তালাক প্রদান করিয়াছে। গত ৩/৫/১৮ ইং এরপরেও ঐ ঘর ছাড়েনি। ব্যক্তিনী উল্টো তার পরকিয়া বান্ধব ও তার সাঙ্গুদের নিয়ে গতকাল আনুমানিক সময়ে বাসার গেটে থাকা দারোয়ানকে ধাক্কা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে বলেন, তালাক দিলেই সব শেষ হয় না। জানে বাঁচতে চাইলে ব্যক্তিনীর নামে বাড়ির অর্ধেক লিখে দিতে হবে। এবং নগদ ২০ লক্ষ টাকা আগামী ১ তারিখের ভিতর রেডি রাখার হুমকি দিয়ে বলেন, এসব না দিলে। মামলা হামলা ও এমনকি প্রাণও চলে যেতে পারে বলে হুমকি ধমকি দিয়ে দ্রুত চলে যান। তোকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। এই বলে তার সাংগুদের নিয়া চলে গেলে আমি দ্রুত পাঁচলাইশ থানায় গিয়ে মামুন ও তার সাংগুদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করি।

Leave a Reply

%d bloggers like this: