প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৭ জুলাই ২০১৮, শনিবার: নিউজগার্ডেন টুয়েন্টি ফোর ডটকমে ২৬ জুন প্রকাশিত ‘ইয়াবার ছোবলে ধোপাছড়ির যুব সমাজ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ধোপাছড়ি এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ চৌধুরী। তিনি এক প্রতিবাদলিপিতে বলেন, প্রকাশিত সংবাদে ইয়াবা চক্রের সদস্য হিসেবে আমার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ইহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাকে সমাজে হেয় করতে এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। সংবাদটি আমাকে সামাজিক, পারিবারিক ও পেশাগতভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কাজেই আমি দ্বর্থ্যহীনভাবে বলতে চাই, ওই সংবাদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
দেশে ইয়াবা ব্যবসার প্রসার ঘটছে একশ্রণীর স্বার্থপর ও ধান্ধাবাজ ব্যক্তিদের কারণে। তার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ চৌধুরী বলেন, গত এক দশকে হাজার হাজার মানুষ ইয়াবা নিয়ে ধরা পড়েছে। কিন্তু কোনো ব্যক্তি কোনো দিনও আমার নাম বলেনি। আমি যদি ইয়াবা ব্যবসা করতাম তাহলে অবশ্যই আটক পাচারকারীরা আমার নাম বলতো। দেশের একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ চৌধুরী বলেন, দেশের যেকোন নাগরিক, সাংবাদিক বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্য যদি আমার ইয়াবা ব্যবসা বা কোন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা দেখাতে পারেন তাহলে যেকোন ধরনের শাস্তি মাথা পেতে নেব। জীবনে ধূমপান বা মাদক গ্রহণ করিনি এবং শরীরে কোনো ধরনের অবৈধ আয়ের ছোঁয়া লাগে না বলেও দাবি করেন তিনি।
চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ চৌধুরী জানান, গত সময়ে ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই তিনি চোরাচালান ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার। মাদক ব্যবসায়ীর সাথে এলাকার কিছু স্বার্থান্বেষীমহল জড়িত। তাদের কাজই হলো আরেকজনকে ফাসিয়ে ফায়দা লুটা।
ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে তার নাম পত্রিকায় কেন আসলো জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ চৌধুরী বলেন, স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজেদের আড়াল করতে তাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী বানাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের কোনো থানায় তার বিরুদ্ধে ইয়াবা নিয়ে কোনো মামলা নেই বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।
চলমান মাদকবিরোধী অভিযান সম্পর্কে চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ চৌধুরী বলেন, এর কারণে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেছে। পালিয়ে যাওয়া ইয়াবা ব্যবসায়ীরা যাতে আর কোনোদিন এই ব্যবসায় আসতে না পারে সেই জন্য অভিযান দীর্ঘমেয়াদি করতে হবে।
উল্লেখ্য, সাবেক চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ চৌধুরীর দাদা আলহাজ্ব নজু মিয়া চৌধুরী ধোপাছড়ি ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা এবং দুইবার চেয়ারম্যান ছিলেন। তাহার ছেলে শহীদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীও ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। শহীদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ভাই নুরুল ইসলাম চৌধুরীও ঐ এলাকার তিন বার চেয়ারম্যান ছিলেন। সেই সুবাধে শহীদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে আবু ইউসুফ চৌধুরী চেয়ারম্যান হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। তাদের পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণে এলাকার মানুষ তাদেরকে সম্মান দেখিয়েছেন। গুটিকতেক স্বার্থান্বেষীমহল তাদের ঐতিহ্য ধ্বংস করার জন্য কাল্পনিক কাহিনী বানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অপবাদ রটাচ্ছে বলে এলাকার জনসাধারণ জানান।

Leave a Reply

%d bloggers like this: