দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য আন্তর্জাতিক মানের গ্রাজুয়েটস তৈরি করেছে সরকার

নিউজগার্ডেন ডেস্ক : ৩ জুন ২০১৮, রবিবার

সরকার দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণে এ পর্যন্ত ৩৫৮ জন এডভান্সড সার্টিফিকেট ফর ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনালস (এসিএমপি) গ্রাজুয়েটস তৈরি করেছে। আরো ১৪২ জনের প্রশিক্ষণ এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট গভর্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্প, ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিত্র) ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ংয়ের (ইওয়াই) মাধ্যমে এসব এসিএমপি গ্রাজুয়েটস তৈরি করা হচ্ছে।

দেশের আইটি কোম্পানিগুলোর ৫০০ জন মধ্যম স্তরের কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিেিস্ট্রশনে (আইবিত্র) গত ৫ অক্টোবর ২০১৭ থেকে ‘এসিএমপি ফোর ডট ও’ কোর্স চালু করা হয়।

প্রতি ব্যাচে কর্মকর্তারা ২০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট আহমেদাবাদ (আইআইএমএ), ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি), দিল্লী এবং আইবিএ এর অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকরা। প্রশিক্ষণের কোর্সসমূহ যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা স্বীকৃত।

এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল করিম বলেন, গত ৩১ মে ২০১৮ ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইটি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের কাছ থেকে সার্টিফিকেট গ্রহণের মধ্যদিয়ে মোট ৩৫৮ জন আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ পেয়ে এসিএমপি গ্রাজুয়েট হলো। আরো ১৪২ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হবে এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে।

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা বিবেচনায় নিয়ে কোর্সটির নাম রাখা হয়েছে ‘এসিএমপি ফোর ডট ও। আগামীতে এসিএমপি গ্রাজুয়েটসরা নিজ আইটি কোম্পানীর ব্যবসার উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের আইটি খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং (ইওয়াই) এর বিজনেস অ্যাডভাইজারি সার্ভিসের প্রকল্প পরিচালক বিদ্যুৎ ঠাকুর বলেন, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, পিপল ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস অ্যান্ড কাস্টমার ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস কমিউনিকেশন, ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং, স্ট্রাটেজি ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস অ্যানালাইটিকস, সাইবার সিকিউরিটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে এসিএমপি গ্রাজুয়েটস তৈরি করা হচ্ছে। বাসস

তখন একজন ইসরাইলি স্নাইপার সরাসরি রাজানকে গুলি করে। আমারদের দলের অপর ৩ জন এতে আহত হয়।

রাজান প্রথমে বুঝে উছতে পারেনি যে তার গায়ে গুলি লেগেছে। বুঝার পর সে কেঁদে উঠলো আর মাটিতে পড়ে গেলো।

রাজান ২০ এপ্রিল আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, তিনি মনে করেন আহত আন্দোলনকারীদের সেবা দেয়া এটা তার কাজ এবং দায়িত্ব।

ইসরাইলি সৈন্যরা ইচ্ছা করেই এত এত মানুষ হত্যা করছে। এটা খুবই উদ্ভট এবং লজ্জাজনক কাজ হবে যদি আমি আমার জনগনের সাথে না থাকি, রাজান বলেছিলেন।

গত মাসে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেয়া সাক্ষাতকারে রাজান বলেছিলেন, তিনি খুব উদ্যমের সাথেই এই কাজ করে থাকেন।

তিনি বলেছিলেন, আমাদের একটাই উদ্দেশ্য জীবন বাঁচানো এবং আহতদের সরিয়ে ফেলা। এটা আমরা আমাদের দেশের জন্য করি।

রাজান সামাজিক বাধা উপেক্ষা করে প্রতিদিন ১৩ ঘন্টা কাজ করতেন। তিনি সকাল ৭টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতেন।

রাজান বলেছিলেন, সমাজ যদি নারীকে খুশি হয়ে দায়িত্ব পালন করতে না দেয়। তাহলে জোড় করে করে নারীদের অংশ নিতে হবে। কেননা নারীরা যেকোন পুরুষের তুলনায় অধিক শক্তিশালী।

রাজানের মা সাবিরিন বলছিলেন, রাজান খান ইউনিসে আন্দোলনকারী সবার কাছেই অতি পরিচিত মুখ ছিল।

Leave a Reply

%d bloggers like this: