বেগম জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়লো

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১০ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার এই মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া কারাগারে অসুস্থ থাকায় তাকে আদালতে উপস্থিত করেনি কারা কর্তৃপক্ষ। এদিন খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। এ ছাড়া আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষেও হাজিরা দাখিল করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান ১৭ জুলাই পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন বাড়ান এবং যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য নতুন দিন ঠিক করেন। এদিন সকাল ১১টা ৮ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়ে ১১টা ১৩ মিনিটে শেষ হয়। এদিকে, দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতে বলেন, খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত না হওয়ার কারণে আদালতের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না। খালেদা জিয়া দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া থেকে ১৫০ দিন এই মামলার উপস্থিত হননি।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত হতে চান না। আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে আদালতে উপস্থিত না করতে পারলে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু যাবে না।
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চার জন। এর মধ্যে খালেদা জিয়া ছাড়া অভিযুক্ত অন্য তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
এ মামলায় মোট ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।
মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।

Leave a Reply