চসিকের ২৪২৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১০ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার: চট্টগ্রাম ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) জন্য ২ হাজার ৪২৫ কোটি ৪২ লাখ ৮২ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। ১০ জুলাই দুপুরে চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এ প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন। চসিকের কে বি আবদুস ছত্তার মিলনায়তনে সিটি মেয়র বলেন, ৬০ বর্গমাইলের এ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা ৬০ লাখেরও বেশি। এ মহানগরের জনসেবা বিবেচনায় প্রধানতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে চসিক। চসিকের নিকট নগরবাসীর প্রত্যাশা অনেক। নগরবাসীর আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটানোর প্রত্যাশা ও চট্টগ্রাম মহানগরকে পরিবেশগত, প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাসযোগ্য নান্দনিক নগর প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে চসিকের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ৮৮৩ কোটি ৩৮ লাখ ৭০ হাজার টাকার সংশোধিত বাজেট এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ২ হাজার ৪২৫ কোটি ৪২ লাখ ৮২ হাজার টাকার বাজেট প্রস্তাব করছি।
চসিক সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ২ হাজার ৪২৫ কোটি ৪২ লাখ ৮২ হাজার টাকার প্রস্তাবিত মোট বাজেটের মধ্যে চসিকের নিজস্ব খাত থেকে আয় ধরা হয়েছে ৬৯৪ কোটি ৯২ লাখ ৮২ হাজার টাকা। এর মধ্যে বকেয়া কর ও অভিকর ১৯১ কোটি ৮ লাখ, হাল কর ও অভিকর ১৪৪ কোটি ৩৪ লাখ, অন্যান্য করাদি ১৩৩ কোটি ২ লাখ, ফিস ৯৯ কোটি ৮০ লাখ, জরিমানা ৫০ লাখ, সম্পদ হতে অর্জিত ভাড়া ও আয় ৭৩ কোটি ১০ লাখ, লভ্যাংশ ৫ কোটি, বিবিধ আয় ২৩ কোটি ৪২ লাখ, ভর্তুকি ২৪ কোটি ৬৫ লাখ ধরা হয়েছে। এছাড়া ত্রাণ সাহায্য ২০ লাখ, উন্নয়ন অনুদান ১ হাজার ৬৮০ কোটি ও অন্যান্য উৎস ৫০ কোটি ৩০ লাখসহ মোট আয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, বাজেটে বেতনভাতা ও পারিশ্রমিক, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ, ভাড়া-কর ও অভিকর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পানি, কল্যাণমূলক ব্যয়, ডাক তার ও দূরালাপনী, আতিথেয়তা ও উৎসব, বীমা, ভ্রমণ ও যাতায়াত, বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা, মুদ্রণ ও মনিহারি, ফিস বৃত্তি ও পেশাগত ব্যয়, প্রশিক্ষণ ব্যয়, বিবিধ ব্যয় ও ভাণ্ডারখাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৪২ কোটি ৮৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া ত্রাণ ব্যয়, বকেয়া দেনা, স্থায়ী সম্পদ, উন্নয়ন (রাজস্ব ও এডিপি) ও অন্যান্য ব্যয় খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৮০ কোটি ৬০ লাখ টাকা।’
চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহার সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনে প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, সচিব মো. আবুল হোসেন, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, কাউন্সিলর নাজুমল হক ডিউক, মো. গিয়াস উদ্দিন, আবিদা আজাদ, আবদুল মালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply