ইলেক্ট্রনিক সিল ও লক সেবা বিধিমালা বাতিলের আহ্বান

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১০ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার: চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম ইলেকট্রনিক সীল ও লক সেবা বিধিমালা-২০১৮, এস.আর.ও নং-১৯৮-আইন/২০১৮/৩০/কাস্টমস, তারিখঃ ২৬/০৬/২০১৮ ইং বাতিলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ১০ জুলাই এক পত্রের মাধ্যমে অনুরোধ জানিয়েছেন। পত্রে তিনি বলেন-আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে এ অঞ্চলে প্রাইভেট আইসিডি বা অফডক স্থাপন করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (কাস্টমস) কর্তৃক চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানিকৃত বা রপ্তানিতব্য পণ্য চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত আইসিডি বা অফডকে পরিবহনের ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক সীল ও লক সেবা বিধিমালা-২০১৮, এস.আর.ও নং-১৯৮-আইন/২০১৮/৩০/কাস্টমস, তারিখঃ ২৬/০৬/২০১৮ ইং একটি প্রজ্ঞাপন জারী করে। উক্ত বিধিমালার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর হতে চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত প্রাইভেট আইসিডিসমূহে আমদানিকৃত বা রপ্তানিতব্য পণ্য পরিবহনে ইলেকট্রনিক সীল ও লক সেবা প্রদানের উল্লেখ করা হয়। এ বিধিমালার অধীনে প্রতি কন্টেইনারে ইলেকট্রনিক সীল ও লক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘন্টার পরবর্তী প্রতি ঘন্টার জন্য, প্রতি কাভার্ডভ্যান বা ট্রাক ৬০০/-(ছয়শত) টাকা এবং ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘন্টার পরবর্তী প্রতি ঘন্টার জন্য ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা হারে ফিস নির্ধারন করা হয়।
এ প্রেক্ষিতে চেম্বার সভাপতি বলেন-কার্যক্রম শুরুর পর হতে অদ্যাবধি চট্টগ্রাম বন্দর ও প্রাইভেট আইসিডিসমূহের মধ্যবর্তী স্থানে কোন ধরনের চুরির ঘটনা ঘটেনি। কন্টেইনার স্থানান্তরকালে এ মধ্যবর্তী স্থানে কোন শুল্ক বা কর ফাঁকির প্রচেষ্টাও পরিলক্ষিত হয়নি। চট্টগ্রাম বন্দর ও প্রাইভেট আইসিডিসমূহের মধ্যে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক কন্টেইনার স্থানান্তরিত হয়। উল্লেখিত লক সেবা চালু হলে বন্দরের কার্যক্রমে অহেতুক সময়ক্ষেপন হবে এবং ব্যয় বৃদ্ধি পাবে যা প্রকারান্তরে ভোক্তাসাধারণের উপরেই বর্তাবে। তাই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বৃহত্তর স্বার্থে উল্লেখিত বিধিমালাটি বাতিলের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের যথাযথ নির্দেশনা প্রদানের জন্য ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে চেম্বার সভাপতি প্রধানমন্ত্রীকে বিনীত অনুরোধ জানান।

Leave a Reply