সাতকানিয়ায় বৃষ্টিতে সড়কে কোমর পানি

এম এম রাজা মিয়া রাজু, ০৩ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার: সাতকানিয়া বাশঁখালী সড়ক ও পৌর সভায় এক পসলা বৃষ্টিতে কোমর পরিমাণ পানি জমে যাচ্ছে। তাছাড়া পানি নিষ্কাশনের ড্রেন নেই। ফলে রাস্তার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। মেইন সড়ক খানাখন্দে পরিণত হওয়ায় পথচারী ও যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়। জীবনের তাগিদে সড়কে ঝুকি নিয়ে যাত্রীরা চলাচল করছে। এতে বৃদ্ধ গর্ভবতী মহিলা তো দূরের কথা যুবক যুবতীরা গাড়ীর ঝাকুনীতে আধ মরা হয়ে যায়। অনেকে কোমরে ব্যাথা পেয়ে কষ্টে কাল যাপন করছে। তবে সরকার জনগণের দুঃখ লাঘবে সড়ক সংস্কারের জন্য প্রতি বছর কোটি কোটি বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছে। খানাখন্দ সড়কের টেন্ডারকৃত স্থানে কাজ ও করা হয়। টাকা জায়েজের জন্য লোক দেখানো কাজ। জানা যায় ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকার টেন্ডারের কাজ করা হয় সিকিঁ পরিমান। বাদবাকী টাকা ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ ভাগবাটোয়ারা করে নেয় বলে সূত্রেপ্রকাশ। এরফলে বিশাল অংকের টাকার কাজ বছর ফিরে না আসার আগেই মাটি সাথে মিশে যায়। তাদের অনিয়মের ফলে রাস্তা পূর্বের গর্তে পরিণত হয়ে মানুষের যে দুঃখ সেই দুঃখ থেকে যায়। এতে জনগণের কোন করনীয় নেই। যাদের তদারকির দায়িত্ব রয়েছে তারা ভক্ষকে অবতীর্ণ হওয়ায় সরকারের মোটা অংকের টাকা বারবার গচ্ছা যাচ্ছে। এদিকে খানাখন্দ রাস্তায় মানুষের দুঃখের কথা সংবাদকর্মীরা লিখে সরকারের দপ্তরে পৌছাঁয়। এতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষিত হলে রাস্তা সংস্কারে তৎপর হয়ে উঠে। যথানিয়মে টাকা ও বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও ঠিকাদার বরাদ্দকৃত টাকা আতœসাতে মেতে উঠে। সূত্রমতে কাগজকলমে কাজের পরিমাণ ঠিক রেখে সিংহভাগ টাকা তারা আতœসাৎ বলে অভিযোগ রয়েছে। কাজেই বর্ষাকালে সড়কের বেহাল অবস্থা হয়ে দাড়াঁয়। তাদের কারণে এখন সাতকানিয়া বাশঁখালী সড়ক ও পৌর সভার সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য টেন্ডারকৃত রাস্তায় সংস্কার শেষে পরিপূর্ণভাবে কাজ বুঝে নেয়ার জন্য একটি টীম গঠন করার প্রয়োজন রয়েছে। নতুবা সংশ্লিষ্ট বিভাগের যোগসাজশে ঠিকাদার দায়সারা কাজ করে টাকা লুটপাটে লিপ্ত থাকবে । তাদের দুর্নীতির ফলে গ্রামের উন্নয়ন কর্মকান্ডের মুখ থেবড়ে পড়বে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে মন্দের প্রভাব পড়বে। এতে যেমন সরকারের টাকা গচ্ছা যাবে তেমনি সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। রাস্তা সংস্কার ও দুর্নীতি রোধে এলাকার লোকজন সংশ্লিষ্ট বিভাগসহ মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Leave a Reply