অসহনীয় পায়ে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে কি করবেন?

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১১ জুন ২০১৮ ইংরেজী, সোমবার: আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাপনের একটি অন্যতম সমস্যা হলো পায়ে ব্যথা। পায়ে ব্যথার একাধিক কারণ থাকতে পারে যেমন, বয়স বৃদ্ধিজনিত পায়ে ব্যথা, ব্যায়াম করার কারণে পায়ে ব্যথা, অতিরিক্ত হাঁটা বা দৌড়ানোর ফলে পায়ে ব্যথা ও পায়ের সাথে মানানসই নয় এমন ধরণের জন্য জুতা/স্যান্ডেল পরার কারণে পায়ে ব্যথা। ব্যথা যে কারণেই হোক আমাদের নাজেহাল করতে এই পায়ে ব্যথার জুড়ি নেই। তাই আসুন পায়ে ব্যথার ঘরোয়া কিছু সমাধান সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
গরম ও ঠাণ্ডা পানি: গরম ও ঠাণ্ডা পানি থেরাপি পায়ে ব্যথার পরিত্রাণে অনেক কাজে দেয়। দুটি গামলা নিয়ে একটিতে ঠাণ্ডা পানি ও অপরটিতে গরম পানি নিন। এবার প্রথমে গরম পানিতে আপনার পা তিন মিনিট মতো রেখে পরে ঠাণ্ডা পানিতে কয়েক সেকেন্ড রাখুন। এভাবে এই গরম ঠাণ্ডা পানি থেরাপি কিছুক্ষণ চালিয়ে যান দেখবেন আপনি অনেকটা আরাম পাবেন।
ভিনেগার: ভিনেগারের নানা ধরণের ব্যবহারের সাথে সাথে এটি পায়ের ব্যথা সারানোতে বেশ কাজ করে। একটি গামলায় গরম পানি ভর্তি করে তাতে দুই টেবিল চামচ ভিনেগার ও সামান্য লবণ মিশিয়ে নিন। এরপর এতে আপনি ২০ মিনিট মতো পা ডুবিয়ে রাখুন। দেখবেন পায়ে ব্যথায় আরাম পাচ্ছেন।
বরফ: পায়ের ব্যথা সারিয়ে তুলতে বরফের তুলনা হয় না। খানিকটা বরফ একটি আইস ব্যাগে নিয়ে আপনার পায়ের আক্রান্ত জায়গাগুলোতে চেপে ধরুন। আপনি চাইলে সরাসরি বরফ ম্যাসাজ করতে পারেন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট এভাবে বরফ ধরলে আপনার পায়ের ব্যথা অনেকটাই উপশম হবে।
গোলমরিচ: গোলমরিচ যেকোন ধরণের ব্যথা প্রতিকারে মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। আধা গামলা গরম পানিতে টেবিল চামচের হাফ টেবিল চামচ গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে তাতে কিছুক্ষন পা ডুবিয়ে রাখুন দেখবেন ব্যথা কেমন উধাও হয়ে যায়।
সরিষা বীজ: পায়ে ব্যথা থেকে পরিত্রাণে সরিষা বীজ খুব উপকারী উপাদান। সরিষার কার্যকরী উপাদান সমূহ রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে ব্যথা উপশমে কাজ করে। কিছু পরিমাণ সরিষা বীজ থেঁতো করে হাফ গামলা গরম পানিতে মিশিয়ে তাতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রেখে পা শুকিয়ে ফেলুন। দেখবেন পা ব্যথা অনেকটাই কমে গিয়েছে।
যেকোন রোগের সমাধানে প্রাকৃতিক প্রতিষেধকের থেকে ভালো কিছু আর হয় না। তাই পা ব্যথা হলে প্রাকৃতিকভাবে তা সারিয়ে তুলতে উপরের ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করুন। পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

Leave a Reply