সাতকানিয়ার ঈদ বাজারে কেনাকাটায় ব্যস্ত নারীরা

এম এম রাজা মিয়া রাজু, ৭ জুন ২০১৮ ইংরেজী, বৃহস্পতিবার: ঈদের বাকী আর নয় দিন। মানুষের চোখে ঘুম নেই। আদরের ছোট্ট মনিদের মন খুশি রাখতে নতুন কাপড়ের কেনাকাটায় ব্যস্ত পরিবারের সবাই। কেরানীহাট নিউ মার্কেট হক টাওয়ার সহ সব ক’টি মার্কেটে গ্রাহকদের এখন উপচে পড়ে ভীড় পরিলক্ষিত হয়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটার ধুম পড়েছে। তবে গ্রাহকদের মধ্যে মহিলা সংখ্যা বেশী। মহিলা ঘরের কাজ ফেলে এখন কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঈদ বাজারে দেখা যায় কতেক মহিলার কোলে দুই থেকে ছয় মাস বয়সী বাচ্চাদের নিয়ে অলি গলিতে ঘোরা ফিরা করতে। তীব্র তাপ দাহে এই অবুঝ বাচ্চারা কান্নাকাটি করছে। কিন্তু সেই দিকে মায়ের খেয়াল নেই। তার খেয়াল পছন্দের থ্রী পিছ ও শাড়ীর দিকে। অনেকে আবার বাচ্চা রাখার জন্য সাথে নিয়ে এসেছে শাশুড়ীকে। নাতি কিংবা নাতনীকে নিয়ে দাদী অধীর হয়ে পড়েছে ঈদ মার্কেটে । এ বৃদ্ধ বয়সে অলিগলিতে ঘোরার তার বয়স নেই। এতে বাপ বেটার কোন খোঁজ নেই। সে আছে টাকা যোগাড়ের তালে। এটা পরিবারের বাড়তি একটি খরচ। তাই এই টাকা যোগাড় করতে কর্তাকে একটু হিমশিম খেতে হয়। কারণ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশী এই মাসে। এরপরও বাপ বেটা গৃন্নী ও ছোট মনিদের জন্য টাকা যোগাড় করতে পিছ পা হয় না। ভ্যানেটি ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে মহিলারা ছুটে যায় ঈদ মার্কেটে। দোকানিরা মার্কেটে বাহারি পণ্য সাজিয়ে নীল লাল বাতির আলোকসজ্জায় গড়ে তুলেছে দৃষ্টিনন্দন । বাতির আলোর ভ্যাপসা গরমে প্রাণ যাবার উপক্রম । মাত্রারিক্ত বাতিতে কাপড় পছন্দ করাই মহিলাদের কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এই সুযোগে মহিলা’রা দোকানীদের কাছে দারুনভাবে ঠকছে বলে জানা গেছে। টাকা দিয়ে ও মান সম্মত কাপড় নিয়ে বাড়ী ফিরতে পারছেন না তারা । এতে পরিবারের মধ্যে মান অভিমান ও মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। এবার ঈদবাজারে পকেটমার ও ছিনতাইয়ের ঘটনা এই পর্যন্ত ঘটেনি বলে জানা যায়। তাছাড়া জালনোট চক্রের তৎপরতা ও নেই। কাপড় নিয়ে যেমন তেমন হলে ও নিরাপদে মহিলারা কেনাকাটা করে বাড়ি ফিরতে পারছেন।

Leave a Reply