সরকারের নির্বাচনী প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধান অন্তরায় বেগম জিয়া: আবুল হাসেম বক্কর

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৪ মে ২০১৮ ইংরেজী, সোমবার: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, বর্তমান অবৈধ সরকার নির্বাচনী ফলাফল তাদের অনুকূলে নিতে রাষ্টযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সরকারের নির্বাচনী প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধান অন্তরায় বেগম খালেদা জিয়া। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে যে কোন মূল্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে উঠেছে সরকার। খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি নেতা কর্মীদের গণগ্রেফতারের মাধ্যমে আতংক সৃষ্টি করেছে। কালো টাকা বিলিয়ে ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে খুলনা সিটি নির্বাচনে জয়লাভ করতে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তিনি আজ ১৪ মে সোমবার বিকালে নগরীর নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে কোতোয়ালী থানা বিএনপির উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে কেন্দ্রঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এতে তিনি আরো বলেন, বেগম জিয়ার জামিন নিয়ে সরকার অমানবিক আচরণ করছে। তাকে চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে প্রতিহিংসার প্রতিশোধ নিচ্ছে। ভিত্তিহীন মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাবন্দি নেত্রীর সাথে তার আত্মীয়স্বজনদের দেখা করতে দিচ্ছে না। এ অবস্থায় দেশবাসী বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সরকার অশুভ ও দুরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্যে বেগম জিয়াকে কারাবন্দি করে রেখেছে। তিনি বলেন, বেগম জিয়ার মুক্তির উপর নির্ভর করবে আগামী জাতীয় নির্বাচন। তাকে বন্দি রেখে একদলীয় ফ্যাসিবাদী নির্বাচন করার উদ্যোগ নিলে তা দেশবাসী কঠিন প্রতিরোধে নস্যাৎ করে দেবে। অবিলম্বে তার পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের সুযোগ করে দিয়ে তার সুচিকিৎসাসহ নি:শর্ত মুক্তির দাবী জানাচ্ছি। তাকে মুক্তি না দিলে অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে কঠিন খেসারত দিতে হবে।
কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি হারুন জামান, মো. ইকবাল চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, মো. শাহ আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মন্নান, সামশুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মবিন, সহসাধারণ সম্পাদক জহির আহমদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী নুরুল আকতার, হকার্স বিষয়ক সম্পাদক আবদুল বাতেন, সহসম্পাদকবৃন্দ মো. ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, আবু মুসা, সফিক আহমদ, আবুল খায়ের মেম্বার, আবদুল হাই, সালাহউদ্দিন লাতু, নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়তে হোসেন ভুলু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, নগর বিএনপির সদস্য ইউসুফ সিকদার, রফিক সর্দার, বকশির হাট ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এস এম মফিজউল্লাহ, মো. বেলায়েত হোসেন, মো. ফিরোজ, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুস সালাম নিশাদ (সাবেক), সাদেকুর রহমান রিপন, জাহিদ উল্লাহ রাশেদ, ফয়েজ আহমদ, জসিম মিয়া, সাব্বির আহমদ, নগর ছাত্রদলের সহসভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক মো. আলী মর্তুজা খান, তাতী দলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গির আলম, বিএনপি নেতা আবু মহসিন চৌধুরী, দিদারুল ইসলাম, নগর যুবদল নেতা হাসান আল মামুন, মো. এরশাদ হোসেন, মো. সেলিম, মো. আনোয়ার, মো. ইদ্রিস আলম, তানভীর মল্লিক, জসিম উদ্দিন, মো. নওশাদ, মো. আকরাম, মো. সৈয়দ আজম, আবুল কালাম, মো. রিয়াদ, মো. সালেহ আহমদ, মো. মোতালেব, ছাত্রদল নেতা মো. হাসান, সৌরভ প্রিয় পাল, সৈয়দ সাফওয়ান আলী, এন মোহাম্মদ রিমন প্রমুখ।

Leave a Reply