সীতাকুণ্ডে ড্রেনের বজ্য অপসারণের কাজের করুণদশা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২১ এপ্রিল ২০১৮, শনিবার: আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে ড্রেনের বজ্য অপসারণের কাজ। কিন্তু ভিন্ন চিত্র দেখা গেল সীতাকুণ্ড উপজেলাধীন আলীর হাট নীলাম্ভর তালুকদার সড়কে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নীলাম্ভর তালুকদার সড়ক সংলগ্ন ড্রেনটি গণি ফকির বাড়ী পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও গণি ফকির বাড়ীর আংশিকে গিয়ে থেমে যায় তার নির্মাণকাজ। যার ফলে দীর্ঘদিন যাবত ড্রেনের স্বাভাবিক পানি চলাচল বন্ধ হয়ে সেই ময়লা পানি এখন প্রতিনিয়ত গড়াচ্ছে রাস্তায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিদ্দীকে আকবর জামে মসজিদের সামনের সড়কে জমে আছে ড্রেনের ময়লা পানি আর সেই পানির উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে মুসল্লিরা। কিছুদূর যাওয়ার পর দেখা যায় আরও বেহাল দশা। নীলাম্ভর তালুকদার সড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্ভোধনের নামফলকটিই চাপা পড়েছে ড্রেনের বজ্যে। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধও।
উক্ত এলাকার বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন জানান, ‘আমরা দীর্ঘদিন যাবত এই সমস্যায় ভুগছি। ইতিপূর্বে কয়েকবার এলাকার জনপ্রতিনিধিকে জানালেও কোনো কাজ হয়নি। এই সড়ক দিয়ে যাতাযাত করছে আমাদের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ভাই-বোন ও কোমলমতি শিশুরা। প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে তারা। কে নেবে এর দায়ভার?’
উক্ত বিষয়ে জানতে সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সালাউদ্দিন আজিজের সাথে যোগাযোগ করা হলে এলাকাবাসীর অসচেতনতাকে দায়ী করে তিনি বলেন, ‘বিগত চারমাস পূর্বেও আমরা ড্রেনের বজ্য অপসারণ করেছি। কিন্তু এলাকার লোকজন তাদের গৃহস্থলির বজ্য পলিথিনে ভরে রাস্তায় ফেলে যায়। যার ফলে ড্রেনের স্বাভাবিক পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে সেই পানি রাস্তায় গড়ায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অত্র এলাকার কিছু লোক সড়কের উপর দিয়ে অবৈধভাবে স্লেব এবং দোকানপাট নির্মাণ করেছে এবং ইতিপূর্বে এ নিয়ে বেশ কয়েকবার তাদেরকে অবহিত করলেও তারা সড়ক ছেড়ে দেননি। ড্রেনের স্বাভাবিক পানি চলাচল ব্যাহত হওয়ার এটিও একটি প্রধান কারণ। সুতরাং, আমি একার পক্ষে এসব সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়, এক্ষেত্রে প্রয়োজন সকলের সহযোগিতা।’

Leave a Reply