ফিটনেসবিহীন গাড়ীতে সয়লাব দেশ প্রশাসন নির্বিকার

রাজধানীর ৩৫৯টি রুটে বাস-মিনিবাস চলে সাড়ে ৭ হাজার । এরমধ্যে সাড়ে চার হাজার বাসের ফিটনেস সনদ হালনাগাদ আছে। এগুলোরও অধিকাংশই সনদ পাওয়ার অযোগ্য।

এ হিসেবে রাজধানীর রাজপথ দাপিয়ে বেড়ানো বেশির ভাগ বাস-মিনিবাসই ফিটনেসবিহীন। পুলিশ ও বিআরটিএ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই এসব বাস চলছে বলে জানিয়েছে চালকরা। খবর ইন্ডিপেন্ডেন্ট

সব ধরণের যানবাহনের ফিটনেস সনদ দেয় বাংলাদেশ রোড টান্সপোর্ট অথরিটি বিআরটিএ। সংস্থাটির মিরপুর, দিয়াবাড়ি ও ইকুরিয়া সার্কেলে দিনে গড়ে অন্তত একশ বাস-মিনিবাসের ফিটনেস সনদ দেয়া হয়। রোববার মিরপুর বিআরটিএ অফিসে দিনভর অপেক্ষা করেও ফিটনেস সনদ নিতে আসা কোন বাসের দেখা নেই। তাহলে কিভাবে ফিটনেস সনদ পায় বাস মালিকরা। আর কিভাবেই লক্কর ঝক্কর বাস চলছে বাস্তায়। চাঁদা ছাড়া চলে না বাসের চাকা। তাই ফিটনেস হালনাগাদের চেয়ে ম্যানেজ করে চালাতেই আগ্রহী মালিকরা।বিআরটিএ আইন অনুযায়ী, ফিটনেস সনদ পেতে হলে সংশ্লিষ্ট বাস মিনিবাস নিয়ে যেতে হয় বিআরটিএ অফিসে। সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বাসের ইঞ্জিন ও চ্যাসিস নম্বরের পাশাপাশি ব্লুবুক অনুযায়ী বাসের দৈর্ঘ-প্রস্থ, লাইট, ব্রেক, রং, বডি ও আসন সংখ্যা ঠিক আছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করেন।

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে দেয়া হয় ফিটনেস সনদ। অথচ রাজধানীতে চলাচলকারী বেশির ভাগ বাসেরই এমন হাল।

২০০০ সাল থেকে রাজধানীতে নির্ধারিত রুটের জন্য বাস-মিনিবাসের পারমিট দিচ্ছে বিআরটিএ। এখন পর্যন্ত ৩৫৯টি রুটের বিপরীতে প্রায় ৫ হাজার ২৪৭টি বাস ও ২ হাজার ৩৫২টি মিনিবাসের পারমিট দেয়া হয়েছে। নিয়ম মানলে এর বেশির ভাগ বাস-মিনিবাসই রাস্তায় চলাচল করতে পারবে না।

Leave a Reply