বেগম জিয়াকে জেলে রাখা মানে গণতন্ত্রকে বন্দি রাখা: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ২০১৮, শুক্রবার: বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলা রাখা মানে গণতন্ত্রকে বন্দি করে রাখা। অবৈধ সরকার গণতন্ত্রকে বন্দি করে রেখেছে। কিন্তু কেউ কোনদিন গণতন্ত্রকে বন্দি করতে পারেনি। এটা সাগরের পানিতে বাঁধ দেয়ার মতো। সাগরে বাঁধ দিয়ে যেভাবে পানি রোধ করা যায় না, তেমনি খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে গণতন্ত্রকে বন্দি রাখা সম্ভব না। যারা এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তারা গণতন্ত্রের প্লাবনে ভেসে যাবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে ‘মাদার অফ ডেমোক্রেসি’ তা শুধু দেশেই নয় বিশ্বেও স্বীকৃত। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের যেভাবে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে তাতে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা কমে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় নিরাপত্তা ও বিচারহীনতার কারণে সমাজে অস্থিরতার সৃষ্টি হচ্ছে। এটা শুধু রাজনীতিকে ধ্বংস করছে না, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সরকার বিভিন্ন সংস্থাকে বিরোধী দল দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
তিনি আজ সকালে মহানগর বিএনপির সহসভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়াসহ ডবলমুরিং বিএনপির সদ্য কারামুক্ত ৩৩ জন নেতাকর্মী মেহেদীবাগস্থ বাসভবনে গেলে সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। পরে বিকালে খসরু কারাগারে আটক মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, বন্দর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল হাসান, ছাত্রদল নেতা তানভীর, পারভেজ, ইপিজেড থানা বিএনপি নেতা জাবেদ আনাসারী, মো. শাহাজাহান, নুরুদ্দিন মুন্না, সাইফুল, সোহেল, সোলায়ামান এর বাসায় যান এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। জনাব খসরু আটক নেতাকর্মীদের নি:শর্ত মুক্তি দাবী করেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, সহসভাপতি মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, নুরুল আমিন, সহসাধারণ সম্পাদক সামশুল আলম, মহানগর বিএনপি নেতা নুরুজ্জামান, এডভোকেট সেলিম উদ্দিন শাহীন, ফাতেমা বাদশা, মো. মুসা, মো. সবুর, মো. নাসির, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সভাপতি মো. সেকান্দর, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি মো. হানিফ সওদাগর, ইপিজেড থানা বিএনপির সভাপতি সরফরাজ কাদের রাসেল, সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন, বন্দর থানা সিনিয়র সহসভাপতি হাসান মুরাদ, সহসভাপতি মো. সালাহউদ্দিন, মোজাদ বারেক, বিএনপি নেতা মো. হারুন, মো. জাহেদ, মো. ওসমান, নুর উদ্দিন সোহেল, মো. ফারুক, হুমায়ুন কবীর সোহেল, মো. মহসিন, মো. আশরাফ, মো. আজম, মো. শওকত, আবদুল হালিম, মো. হারুন, মো. জাহেদ প্রমুখ।

Leave a Reply