সরকার বেগম জিয়াকে জামিন পাওয়ার অধিকার থেকেও বঞ্চিত করেছে: মাহবুবের রহমান শামীম

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১২ মার্চ ২০১৮, সোমবার: বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ১ মাস কারাগারে অমানুষিক নির্যাতন শিকারের পর উচ্চ আদালত আজকে ৪ মাসের জামিন মঞ্জুর করে। কিন্তু এ অবৈধ সরকার বেগম জিয়ার মুক্তি বিলম্বিত করতে নতুন করে কুমিল্লার কথিত গাড়ী পুড়ানো মামলায় আবারও গ্রেফতার দেখিয়েছে। আদালতে সরকারের এ নগ্ন হস্তক্ষেপে দেশের মানুষ বিস্ময়ে হতবাক। এ নিষ্ঠুর সরকারের আচরণে বাংলাদেশের মানুষ ব্যাথিত। সরকার বেগম জিয়াকে জামিন পাবার অধিকার থেকেও বঞ্চিত করেছে। আমরা চট্টগ্রামবাসী এ অন্যায় আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আজ ১২ মার্চ সোমবার বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে আগামী ১৫ মার্চ চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে জনসভা সফল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আওতাধীন কোতোয়ালী থানা বিএনপির এক প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, গায়ের জোরে বিচারিক প্রশাসনকে কব্জা করে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। সরকার ক্রোধের মনোভাব থেকে অন্যায়ভাবে দেশনেত্রীকে জরাজীর্ণ পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রিয় দেশনেত্রীকে অচিরেই মুক্ত করে আনবে। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনসহ গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দের নি:শর্ত মুক্তির দাবী জানান।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, দেশ নেত্রীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার যে পথ জনসভা করা, সে জনসভা আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে চায়। আমাদের শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তিনি আগামী ১৫ মার্চ চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে জনসভা সফল করতে নেতাকর্মীদেরকে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করার আহবান জানান।
কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহসভাপতি হাজী মো. আলী, সুবক্তগীন সিদ্দিকী মক্কী, হারুন জামান, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো: সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক সিহাব উদ্দিন মবিন, সংযুক্ত আরব আমিরাত বিএনপির সহ সভাপতি নরুল আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী নরুল আকতার, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সরওয়ার আলম, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, হকার্স বিষয়ক সম্পাদক আবদুল বাতেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম পেয়ারু, সালাউদ্দিন কায়সার লাবু, নকিব উদ্দিন ভুঁইয়া, শফিক আহমদ, সদস্য ইউসুফ সিকদার, মঞ্জুরুল কাদের মিন্টু, রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম রাশেদ খান, নগর ছাত্রদলের সহসভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, কোতোয়ালী থানা আওতাধীন ওয়ার্ড সমূহের সভাপতি আকতার খান, এস এম মফিজুল্লাহ, কাউন্সিলর ইসমাইল বালি, আলাউদ্দিন আলী নূর, খন্দকার নুরুল ইসলাম, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ এম এ হালিম বাবলু, সাদেকুর রহমান রিপন, জসিম মিয়া, ফয়েজ আহমেদ, সাব্বির আহমদ, নুর হোসেন নূরু প্রমুখ।

Leave a Reply