জাতীয় সঙ্গীত যথাযথ মর্যাদায় গাইতে হবে: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১১ মার্চ ২০১৮, রবিবার: চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত অবিনশ^র ও এটি যথাযথ মর্যাদায় গাইতে হবে। নতুন প্রজন্মের সন্তানদেরকেও নির্দিষ্ট সুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনে উদ্ধুদ্ধ করতে হবে। এই সঙ্গীতের জন্য নির্দিষ্ট একটি সুর রয়েছে। যখন দেখি কোথাও কোথাও জাতীয় সঙ্গীত দায়সারা ও নিজের ইচ্ছে মত করে পরিবেশন করা হয় তখন অপমানজনক মনে হয়। আর যদি বেসুরে গাওয়া হয় তাহলে জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি অবমাননার সামিল। এখন থেকে এটা আমরা করবো না। আমরা শুদ্ধ তাল ও সুরে এ সঙ্গীতটি পরিবেশন করবো। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সঙ্গীতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। ১৯৭২ সালে সংবিধানে জাতীয় সঙ্গীতকে স্বীকৃতি দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের দিন সকাল ৮টায় একযোগে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীও এতে অংশ নেবেন। আমরা সবাই একটু চেষ্টা করলে শুদ্ধ সুরে তাল লয়ে এ সঙ্গীত গাইতে পারবো। আজ ১১ মার্চ ২০১৮ ইং বেলা সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস কর্তৃক জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ে শুদ্ধ সুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামীর সভাপতিত্বে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির জেলা কালচারাল অফিসার মো. মোসলেম উদ্দিন সিকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের নবাগত জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন ও মাধ্যমিক-উচ্চ শিক্ষা চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক ড. গাজী গোলাম মাওলা। বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাশহুদুল কবিরসহ শিল্পী, কলাকুশলী ও প্রতিযোগিরা উপস্থিত ছিলেন। বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় প্রাক-প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নেন। বিচারকদের নিরপেক্ষ বিচারে প্রতিযোগিতায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে চট্টগ্রামের কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন মহিলা কলেজ-১ম, মাধ্যমিক পর্যায়ে চট্টগ্রামের পটিয়ার আব্দুর রহমান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়-১ম এবং প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে বান্দরবানের মেঘলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-১ম স্থান অর্জন করেন। এ তিনটি প্রতিষ্ঠান জাতীয় পর্যায়ে অংশ গ্রহণ করবে। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন শিল্পী শ্রেয়সী রায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা, আবদুর রহিম, মোস্তফা কামাল, অপু বর্মন, প্রদীপ দাশ, সাইফুদ্দিন মাহমুদ খান, কাজল মজুমদার ও রাজীব মজুমদার।

Leave a Reply