জেলা প্রশাসককে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির স্মারক লিপি

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৮ ফেব্র“য়ারী ২০১৮, রবিবার: বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জাল নথির উপর ভিত্তি করে সাজানো মামলায় প্রতিহিংসামূলক বিচারে সাাজা দিয়ে কারাগারে বন্দি করা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় বিএনপি দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষনা করেছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসাবে আজ ১৮ ফেব্র“য়ারী রবিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারক লিপি প্রদান করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি। চট্টগ্রাম মাহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুুুুবের রহমান শামীম এর নেতৃত্বে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরীকে স্মারক লিপি প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মাহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান, সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, সাবেক কাউন্সিলর হাজী শামছুল আলম, এড. আবদুস সাত্তার, এড. মফিজুল হক ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন।
এসময় বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন গণতন্ত্রের জন্য নিবেদিত। তিনি সব সময় মানসিকতায় ভদ্র এবং উদার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন এবং সংসদীয় গণতন্ত্র এনেছেন। বাংলাদেশের বেশির ভাগ উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়া এবং জিয়াউর রহমানের অবদান অপরিসীম। বেগম জিয়ার ওপর সকল প্রকার হয়রানী ও হেনস্তার অবসান ও নিঃশর্ত মুক্তির জন্য প্রহর গুণছে দেশবাসী। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি এবং তাঁর ওপর সব ধরণের নির্যাতন মূলক কর্মকান্ড থেকে সরকারকে বিরত থাকার জন্য আপনার মাধ্যমে আহ্বান জানাচ্ছি।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে কোর্টবিল্ডিং চত্বরে এক জমায়েত অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জমায়েতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুুুুবের রহমান শামীম বলেন, সরকার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে আদালতকে ব্যবহার করে বেগম জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দিয়েছে। বানোয়াট মামলায় বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে সাজাপ্রদান সম্পূর্ণরূপে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে কারাগারে অমানবিক আচরণ করেছে। এক অমানবিক আদিম নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, যে নেত্রী গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠ নির্বাচন এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য অবিরাম সংগ্রামে অবিচল নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাকে কখনই জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। দেশে দুঃসহ অবস্থা বিরাজ করছে বলে ন্যায় বিচার, ইনসাফ অদৃশ্য হয়ে গেছে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, কথিত বিচারের নামে সাজা দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো সরকারের হীন সুদূর প্রসারী পরিকল্পনারই অংশ। বহুদলীয় গণতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য বিধায় করে আগামী নিবার্চন পুনঃরায় একতরফাভাবে করতে একদলীয় দুঃশাসনকে চিরস্থায়ী করাই এদের মূল লক্ষ্য। এই ফরমায়েশী রায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার এক হিংসাশ্রয়ী পরিকল্পনা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব সামছুল আলম, এড. আবদুস সাত্তার, হাজী মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ আজম উদ্দিন, হারুন জামান, সৈয়দ আহমদ, মাহবুব আলম, এড. মফিজুল হক ভূইয়া, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইকবাল চৌধুরী, এড. আব্দুস সাত্তার সরওয়ার, এস.এম. আবুল ফয়েজ, এম এ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস.এম. সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইসকান্দর মির্জা, আর.ইউ. চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আব্দুল মান্নান, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আনোয়ার হোসেন লিপু, মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী মঞ্জু, কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মোবিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, জহির আহমদ, সম্পাদকবৃন্দ মোহাম্মদ আলী মিঠু, এম.আই.চৌধুরী মামুন, হামিদ হোসেন, দিদারুল আলম চৌধুরী, হেলাল চৌধুরী, জিয়াউদ্দিন খালেদ চৌধুরী, থানা সভাপতি মোশাররফ হোসেন ডেপতী, আব্দুল্লাহ আল হারুন, হাজী হানিফ সওদাগর, সহ-সম্পাদকবৃন্দ। এ.কে. খান, মোঃ সেলিম, মোঃ ইদ্রিস আলী, রেহান উদ্দিন প্রধান, আবু মুছা, শফিক আহমদ, নকিব উদ্দিন ভূইয়া, ফয়েজ আহমদ, সালাহ উদ্দিন লাতু, নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ শিপন প্রমুখ।

Leave a Reply