রসুন এবং সরিষার তেল এক সাথে গরম করে গলা, মাথায় মালিশ করে দিলেও ঠান্ডা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১০ জানুয়ারী ২০১৮, বুধবার: দুপুরে কাঠফাটা রোদ আর গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে হালকা কুয়াশা আর শেষ রাতে ঠান্ডার আগমনে শীতের আগাম বার্তা উপলব্ধি করা যায়। আর আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সাথে সাথে দেখা দিয়েছে সবার মাঝে ঠান্ডা জনিত সম্যসা। জ্বর, সর্দি, কাশি সহ অনেক রকম রোগের উপসর্গ। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোনোভাবেই আমাদের ঠান্ডা লেগে না যায়। পাশাপাশি ঠান্ডা জনিত সম্যসা থেকে বাঁচতে খেতে হবে মৌসুমী ফল, মৌসুমী সবজি। চলুন দেখি কিছু জাদুকরি খাবার যা সহজই ঠান্ডা জনিত সম্যসা থেকে মুক্তি দেবে।
১ রসুন: রসুন প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটা এন্টি-ভাইরাল, এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। রসুনে রয়েছে সালফার ভিত্তিক জৈব যৌগ। ঠান্ডা জনিত সর্দি জ্বরে রসুন জাদুর মত কাজ করে। রসুন এবং সরিষার তেল এক সাথে গরম করে গলা, মাথায় মালিশ করে দিলেও ঠান্ডা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২ চিকেন স্যুপ: ঠান্ডা জ্বরের সময় গরম গরম চিকেন স্যুপ খেতে যেমন মজার ঠিক তেমনি এটা রোগ প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। মুরগিতে অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা আমাদের কাশি আর নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। মুরগির স্যুপ দ্রুত শক্তি যোগায় সুতরাং অসুস্থ অবস্থায় মুরগির স্যুপ অত্যান্ত কার্যকর।
৩ লেবু ও মধু দিয়ে গরম পানি: প্রাচীন কাল থেকেই মুধুর ঔষুধী গুনের কথা আমরা সবাই জানি। আর ঠান্ডা জ্বর আর কাশি নিরাময়ে মধুর ব্যবহার ও অনেক পুরাতন। আর লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি যা ঠান্ডা জনিত সমস্যা সমাধানে কর্যকরী ভূমিকা রাখে। এক গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ মধু আর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে দ্রুত কাজ করে।
৪ ডাবের পানি: জ্বরের সময় গা গরম থাকায় শরীর থেকে প্রচুর পরিমানে পানি শুকিয়ে যায় ফলে শরীরে পানির পরিমান পূরণ করার জন্য ডাবের পানি খুবই উপকারি। ডাবের পানি দ্রুত শরীরে পানি শুন্যতা দূর করে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।
৫ আদা চা: ঠান্ডা, জ্বর ,কাশি আর সর্দিতে আদা চায়ের বিকল্প নেই। এটা খুব দ্রুত প্রশান্তি দেয় এবং জাদুর মত কাজ করে। ঠান্ডায় বুক আর নাক যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন এক কাপ গরম আদা চা যেন স্বর্গীয় অমৃত।

Leave a Reply