আমাদের শিশুদেরকে মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে হবে: অধ্যক্ষ ড. আবু নোমান

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার: চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী রহমতগঞ্জ এলাকার ঐতিহ্যবাহী শিশু বাগ আধুনিক শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আজ ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় শিশু বাগ স্কুলের পরিচালক শামসুদ্দীন মুহাম্মদ নাসের টিপুর সভাপতিত্বে ও স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক মাওালানা কুতুব উদ্দীনের সঞ্চালনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উদযাপিত হয়। মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বায়তুশশরফ আদর্শ কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব ড. মাওলানা সাইয়িদ আবু নোমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক মো. আবদুল হান্নান, নিউজগার্ডেন টোয়েন্টি ফোর ডট কমের সম্পাদক কামরুল হুদা, সার্কিট হাউজ মসজিদের খতীব মাওলানা ছাবের আহমদ, আহমেদ ফয়সাল ইবনে ইসহাক, মাওরানা হাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, ছৈয়দ সাফওয়ান, প্রধান শিক্ষিকা মুসাররাত জাহান, সহকারী প্রধান শিক্ষিকা নুসরাত জাহান। সহকারী শিক্ষিকা জাহেদা বেগম, সেলিনা আফরোজ, সেলিনা আকতার, শামিমা আরা বেগম, জেবুন্নেসা বেগম, নওশিন আকতার, নুজহাত চৌধুরী, আরিফুল ইসলাম, ইমতিয়াজ হোসাইন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মাওলানা সাইয়িদ আবু নোমান বলেন, মাহে রবিউল আউয়াল হিজরি বছরের পুণ্যময় ও বরকতময় মাস। হিজরি বছরের বসন্তকাল বলা হয় এ বরকতময় মাসকে। যখন সারা বিশ্ব অন্ধকারের গভীর সাগরে নিমজ্জিত ছিল এবং সমগ্র মানবজাতি পথহারা ও বিভ্রান্ত ছিল তখন ষষ্ঠ শতাব্দীর এ বরকতময় মাসের মোবারক দিন ১২ রবিউল আউয়াল আল্লাহর হাবিব হজরত মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সা: এ দুনিয়াতে আগমন করেন। বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. মাওলানা সাইয়েদ মুহাম্মদ আবু নোমান আরো বলেন, ইসলামী চিন্তাবিদ গবেষক অধ্যক্ষ শামসুদ্দীন মুহাম্মদ ইসহাক জ্ঞানী, গুণী ও দার্শনিক ছিলেন। তেমনি অধ্যক্ষ রেজাউল করিম চৌধুরী একই মাপের মানুষ ছিলেন। তারা দু’জনের মধ্যে আদর্শের মিল খুজে পাওয়া যায়। তিনি শিশুবাগ স্কুলের ছাত্রছাত্রীদেরকে অধ্যক্ষ শামসুদ্দীন মুহাম্মদ ইসহাকের জীবনী পড়ার আহবান জানান এবং তার মত জ্ঞানী গুণী মানুষ হয়ে সমাজে নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের সেবা করারও আহবান জানান। আজ অধ্যক্ষ শামসুদ্দীন মুহাম্মদ ইসহাক আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার আদর্শ আমাদের কাছে রয়ে গেছে আমাদেরকে সে আদর্শ লালন করে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলেই আমরা মানুষ হয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবো। তিনি ইসলামী জ্ঞানে গুণান্বিত ছিলেন বিধায় আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদের খতীব সাইয়েদ আবুল আহাদ মাদানী তাকে মহব্বত করতেন। একজন ইংরেজী শিক্ষিত মানুষ কিভাবে এতগুলো ইসলামের জ্ঞান অর্জন করেছেন, তা সাইয়েদ সাহেবকে বিস্মিত করেছে। বায়তুশ শরফের পীর আবদুল জব্বার সাহেবের সাথেও তার নিবিড় সম্পর্ক ছিলো, একমাত্র কারণ তার ইসলামী জ্ঞানের ভান্ডার। তাই আমাদের আজকের এ শিশুদেরকে তার মত জ্ঞানী গুণী হওয়ার চেষ্টা চালাতে হবে। তিনি আরো বলেন বঞ্চিত বিক্ষুব্ধ সমাজকে বাঁচাতে হলে ইসলামের বিধিবিধান মেনে এবং ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আসতে হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*