সোহরাওয়ার্দীর নাগরিক সমাবেশস্থল কানায় কানায় ভরে গেছে

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৮ নভেম্বর ২০১৭, শনিবার: একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশে জনতার ঢল নেমেছে। সমাবেশ সফল করতে শনিবার সকাল থেকেই রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হয়েছেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো সমাবেশস্থল কানায় কানায় ভরে গেছে। এখন নেতাকর্মীরা উদ্যানের আশপাশের রাস্তায় অবস্থান নিচ্ছেন।
‘জয় বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তারা পুরো সমাবেশস্থল মুখরিত করে তুলেছেন। এছাড়া মহানগরীর বিভিন্ন থানা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে এসব মানুষের মুখে ছিল একাত্তরের সেই বিখ্যাত ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। তাদের স্লোগানে সমাবেশস্থল মুখরিত হয়ে ওঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সুসজ্জিত পোশাকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে হাজির হচ্ছেন। প্রতিটি প্রবেশ পথে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে দুপুর আড়াইটায় সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও তার আগেই কানায় কানায় ভরে গেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সোহরাওয়ার্দী ছাপিয়ে শাহবাগ, টিএসসি চত্বর, দোয়েল চত্বরেও মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মূল মঞ্চে মাইকে অনবরত চলছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।
সমাবেশস্থলে জড়ো হওয়া মানুষের হাতে লাল-সবুজের পতাকা ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতীকও তুলে ধরতে দেখা যায়। কেউ বা আবার নিজেদের পছন্দের নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুনও তুলে ধরছেন হাতে। নাগরিক কমিটি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভাপতিত্ব করবেন ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। এদিকে নাগরিক সমাবেশকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে প্রবেশ করা ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় সন্দেহভাজনদের দফায় দফায় তল্লাশি করা হচ্ছে।
সমাবেশের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা। সভাস্থলের আশপাশের কয়েকটি সড়কে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে যান চলাচল। কাকরাইল ক্রসিং, মৎস্যভবন ক্রসিং, কদমফুল ক্রসিং এবং শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তন গেইট এবং আইইবি গেইট দিয়ে উদ্যান দিয়ে কাউকে সমাবেশে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। উদ্যানের পশ্চিম দিকে ছবির হাট গেইট, টিএসসি গেইট, কালীমন্দির গেইট এবং তিন নেতার মাজার গেইট দিয়ে সমাবেশে প্রবেশ করা যাবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*