সাতকানিয়ায় বিভিন্ন ব্যাংকের গ্রাহকরা লেনদেনে হয়রানীর শিকার

সাতকানিয়া প্রতিনিধি, ২৬ সেপ্টম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার: সাতকানিয়া উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংক কেরানীহাট কৃষি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের গ্রাহকরা লেনদেন করতে গিয়ে হয়রানীর শিকার হয় বলে জানা যায়। গ্রাহকরা আর্থিক লেনদেনের কোন সমস্যা ও নতুন হিসাব খোলার জন্য ব্যাংকে শরনাপন্ন হলে ম্যানেজারের কোন সহযোগিতা পায় না অভিযোগ উঠেছে। তারা সহযোগিতার পরিবর্তে ম্যানেজারের দূর্ব্যবহারের শিকার হয় বলে গ্রাহক সূত্রেপ্রকাশ। সূত্রমতে কেরানীহাট পূবালী ব্যাংকে গ্রাহকদের কোন খুচরা টাকা জমা নেয়া হয় না। ৫টাকার নোট থেকে ৫০টাকার নোট গ্রহন না। বিশেষ করে ৫টাকা কয়েন জমা দিতে গেলে তেলেবেগুন হয়ে উঠে। কিন্তু তারাই গ্রাহকদের মাঝে ওইসব টাকা সরবরাহ করে। পূবালী ব্যাংকের ম্যানেজার রিয়াজ গ্রাহকদের কোন কথা শুনতে চায় না। বরঞ্চ তিনি গ্রাহকদের বলেন ওই সমস্যা তার দেখা বিষয় নয়। কেউ নতুন হিসাব খোলার জন্য তার গেলে তাকে চিনি না বলে সাফ জবাব দিয়ে বিদায় করে দেয়। তাকে না চিনলে ও তার কাগজপত্র যাচাই করলে তো তার পরিচয় পাওয়া যায়। ওইসব তিনি করবেন না। এতে তার দায়িত্ব কি কে জানে? তাকে কেনই বা এই ব্যাংকের ম্যানজার হিসেবে দেয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষ জানে। জানা যায় তিনি তার নির্ধারিত কক্ষে অবস্থান না করে বাইরে সময কাটান। ম্যানেজার রিয়াজের আচার আচরণে গ্রাহকদের যেখানে সন্তুষ্টি হওয়ার কথা সেখানে ক্ষোদ্ধ হয়ে ফিরে যায়। াঅপরদিকে সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে মুক্তিযোদ্ধা বয়স্ক বিধবা ভাতাসহ শিক্ষকদের বেতন ভাতা প্রদানে হয়রানী করা হয় বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। তিন ব্যাংকের ম্যানেজারের কারণে লেনদেনে ধস নেমেছে। তাদের বাড়ী এমন জায়গায় যেখানে সারা বছরই দাঙ্গা হাঙ্গামা লেগে থেকে বলে গ্রাহকরা জানান। অথচ কেরানীহাট ও সদরে কয়েকটি বেসরকারী ব্যাংক রয়েছে। তাদের লেনদেনে গ্রাহকরা বরাবরই সন্তুষ্ট রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব ব্যাংকে গ্রাহক ও সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে উক্ত তিন ব্যাংকের লেনদেনে গ্রাহক হয়রানীর বিষয়টি উর্ধ্বতন কতর্ৃৃপক্ষ একবার নজর দেবেন কি?

Leave a Reply