রোহিঙ্গাদের গুলি করে হত্যার পর লাশ আগুনে পুড়িয়ে ফেলছে

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১১ সেপ্টম্বর ২০১৭, সোমবার: মিয়ানমার চলমান সেনা অভিযানে চার শতাধিক ‘সন্ত্রাসী’কে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে সেদেশের সরকার। তবে মিয়ানমারের গণতন্ত্রের জন্য গঠিত সর্বদলীয় কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও লেবার পার্টির এমপি রুশনারা আলীর নেতৃত্বে ব্রিটেনের পার্লামেন্ট সদস্যদের লিখিত এক চিঠিতে নির্ভরযোগ্য রোহিঙ্গা সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
যদিও অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা মৃতের সংখ্যা আরো বেশি হবে বলে দাবি করেছেন। তারা বলছে, মিয়ানমারের সৈন্যরা নৃশংসতার চিত্র মুছে ফেলছে। তারা রোহিঙ্গাদের গুলি করে হত্যার পর লাশ এক জায়গায় জড়ো করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলছে। অনেক বাড়িতে গিয়ে সবাইকে ঘরের ভেতরে ঢুকিয়ে দরজা আটকে দিয়ে আগুন দিচ্ছে। ফলে সবাই ঘরের ভেতরে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে।
এছাড়া অনেককে ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ধরে নিয়ে জ্যান্ত আগুন দিয়ে মারছে। অনেক গ্রামে বড় গর্ত করে গণহারে পুঁতে পেলা হচ্ছে। যারা বিজিপির হাতে খুন হচ্ছে তাদের লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তে নদী ও স্থলভাগে অনেক লাশ উদ্ধারও হয়েছে।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন রেজু, আমতলী ও তুমরু সীমান্তে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষীদের পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন রোহিঙ্গা নিহত ও আরো তিন জন আহত হয়েছে। শনিবার রাত ও রবিবার সকালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের লাশ জিরো পয়েন্টের নো ম্যানস ল্যান্ডে পড়ে আছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বাংলাদেশ-মিয়ানমার নো ম্যানস ল্যান্ডের কয়েকশ গজের মধ্যে নতুন করে স্থল মাইন পুঁতেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন

 

Leave a Reply