বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের নতুন বাজার ইউরোপের জর্জিয়া

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১১ সেপ্টম্বর ২০১৭, সোমবার: বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের নতুন বাজার হবে ইউরোপের দেশ জর্জিয়া। ঢাকায় সফররত দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জালাগানিয়ার সঙ্গে বিজিএমইএ নেতাদের বৈঠকে এমনটি আশা করা হয়েছে।
সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার হাতিঝিলে বিজিএমইএ ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিজিএমইএ ও জর্জিয়ার সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনের সফরে ১১ সেপ্টেম্বর তারা ঢাকায় আসেন।
বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ইউরোপের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র জর্জিয়া। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ সব দিক থেকে তাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানা ও পোশাকের বিষয়ে তাদের আগ্রহ বেশি। তবে ঔষধ ও কৃষি উৎপাদনে ব্যবসায়ীদের তাদের দেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে কারিগরি সহায়তার বিষয়ে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, জর্জিয়া সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের এ সফরর মাধ্যমে দেশটির সঙ্গে বিনিয়োগের রাস্তা আরও প্রসারিত হবে। তারা আমাদের শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে। দেশটিতে বর্তমানে এক মিলিয়নের (সব মিলিয়ে) কাছাকাছি আমাদের রপ্তানি হয়। কিন্তু ভবিষ্যতে আমাদের ব্যবসা আরও বাড়ানোর সুযোগ আছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত জর্জিয়ান রাষ্ট্রদূত আরচিল জুলিয়াসভিলি বলেন, ডুয়িং বিজনেসে সূচকে (ব্যবসায়িক পরিবেশ) জর্জিয়া এগিয়ে। তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করলে অনেক ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যাবে। এছাড়া দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা সম্পর্ক আরও বাড়াতে পারি। যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জর্জিয়ার উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী মি. ডেভিড জালাজিনা বলেন, এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। আমরা ছোট দেশ হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগী সদস্য। জর্জিয়ার রয়েছে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ, এ খাতে খুব ভালো অবস্থানে রয়েছি। তবে ওষুধ ও কৃষি খাতে আমাদের দেশে চাহিদা রয়েছে। এ সুযোগটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা গ্রহণ করতে পারেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের গার্মেন্ট শিল্প সম্পর্কে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করা হয়। পরে বিজিএমইএর সভাপতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গার্মেন্ট শিল্পের বিভিন্ন অবদান তুলে ধরেন।

 

Leave a Reply