বৈশাখের সন গণনা শুরু হয়েছিলো স¤্রাট আকবরের সময় থেকে

সামস তাব্রীজ, ১৫ এপ্রিল, ২০১৭, শনিবার: বাঙালির সার্বজনীন উৎসবের নাম পয়লা বৈশাখ। বৈশাখের সন গণনা শুরু হয়েছিলো স¤্রাট আকবরের সময় থেকে। এখন যেমন নববর্ষ নতুন বছরের সূচনার নিমিত্তে পালিত একটি সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে, এক সময় এমনটি ছিল না। তখন নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হত। তখন এর মূল তাৎপর্য ছিল কৃষিকাজ। কারণ প্রাযুক্তিক প্রয়োগের যুগ শুরু না হওয়া পর্যন্ত কৃষকদের ঋতুর উপরই নির্ভর করতে হত। আর ঢাকার বৈশাখী উৎসবের একটি আবশ্যিক অঙ্গ মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখের সকালে এই শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলা ইনস্টিটিউটে এসে শেষ হয়। এই শোভাযাত্রায় গ্রামীণ জীবন এবং আবহমান বাংলাকে ফুটিয়ে তোলা হয়। শোভাযাত্রায় সকল শ্রেণী-পেশার বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করে।
শুক্রবার রাতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ডেটলাইন ঢাকা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন নাট্যব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাবি’র চারুকলা অনুষদের ডিন নিসার হোসেন।
সৈয়দ হাসান ইমাম আরো বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে আসতে হলে আগে আমাদের রাজনীতির পরির্বতন করতে হবে। শুধু যে সংস্কৃতি দিয়ে সমাজের পরির্বতন করা যাবে সেটা কিন্তু না। আগে দেখতাম যে রাজনীতিক কর্মীরা কাজ করতো মানুষের সেবার জন্য, কিন্তু এখন রাজনীতিক কর্মীরা কাজ করে শাসন খাতে দখল করে আসছে। আর এখন মানুষের সেবা খাতে কাজ করছে এনজিও আর রাজনীতিক কর্মীরা ব্যবসায়ীক হয়ে নিজেদের পকেট ভারি করছে। সেবার রাজনীতি না করে যদি ক্ষমতার রাজনীতি করে তাহলে তারা বিছিন্ন হয়ে যাবে জনগণের কাছ থেকে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে প্রয়োজন আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সাথে তাদের পরিচয় করিযে দেওয়া যেমন সংস্কৃতি, গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন। এর মধ্যে নৌকাবাইচ, লাঠি খেলা কিংবা কুস্তি একসময় প্রচলিত ছিল। আর আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে তাদেরকে এসব ইতিহাস জানতে হবে।

Leave a Reply