চট্টগ্রামে সচেতন নাগরিক সমাজের জরুরী সভা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৩০ মার্চ ২০১৭, বৃহস্পতিবার: মহেশখালের উপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদের দাবীতে গঠিত ৩৭ ও ৩৮নং ওয়ার্ড সচেতন নাগরিক সমাজের এক জরুরী সভা আজ ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ ঘটিকায় সংগঠনের আহবায়ক হাজী হোসেন কোম্পানীর সভাপতিত্বে তাঁর ৩৮নং ওয়ার্ড ১নং সাইট পাড়াস্থ বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী জহুর আহম্মদ কোম্পানী। সংগঠনের সদস্য সচিব হাজী হাবিব শরীফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ ইলিয়াছ, ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এম.হাসান মুরাদ, ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নান, নগর যুবলীগ সদস্য আব্দুল আজিম, শামসুল আলম, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ মোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুল হোসেন, সদস্য হাফেজ মোঃ ওকার উদ্দীন, নজরুল ইসলাম টিটু, মোঃ সালাউদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, মোঃ শাহজাহান, স্বরূপ দত্ত রাজু, রহিম বাদশা, হারুনুর রশীদ, মোঃ তাজউদ্দিন, বিপ্লব দে, সুমন দে বাবু, মোঃ নোমান, মোঃ দেলোয়ার, সবুজ দে রতন, মোঃ গিয়াস, নুরুল আজম, মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ জনি, মাসুদ পারভেজ, মোঃ জুয়েল, মোঃ নুরুদ্দীন, মোঃ নাভিদ প্রমূখ।
সভায় গত ২৪ মার্চ শুক্রবার বন্দর উপদেষ্ঠা কমিটির সভায় বন্দর কতৃক মহেশখালে নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণের জন্য গঠিত কমিটি এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় কিন্তু এ কয়দিনেও উক্ত বাঁধ অপসারণের বিষয়ে দৃশ্যত কোন অগ্রগতি দেখা না দেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ ও সংশয় দেখা দিয়েছে। উপরন্তু আজ থেকে শুরু হওয়া মৌসুমী জোয়ারের প্রভাবে ৩৭ ও ৩৮নং ওয়ার্ডের কিছু কিছু এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ায় গতবারের মতো এবারও এলাকাবাসী জোয়ারের পানিতে নিমগ্ন থাকার আশংকা করছেন। এই অবৈধ বাঁধের কারণে গত বছর বর্ষা ও অমাবস্যা পূর্ণিমায় অসহনীয় জলাবদ্ধতার শিকারে পরিনত হয় বাঁধের উজান ভাটির প্রায় দশ লক্ষাধিক লোক। গত বর্ষায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় এলাকার ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার আর্থিক লোকসানের সন্মুখীন হন। এমনকি ঈদগাহে ঈদের জামাত পর্যন্ত হয়নি এই বাঁধ সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে। সভায় সল্টগোলা ক্রসিংয়ে যেখানে মহেশখাল কর্ণফুলী নদীতে সংযুক্ত হয়েছে সেখানে পরিকল্পিত স্লুইস গেট নির্মাণ, পিএস আরএস খতিয়ান অনুযায়ী খালকে খনন করে দুপাশে রিটার্নিং ওয়াল দিয়ে জনগনের জন্য হাঁটাপথ ও পর্যটন সম্ভাবনা সৃষ্ঠির জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়। সভায় অবৈধ বাঁধ নির্মাণের জনদূর্ভোগ ও বন্দরের অর্থ অপচয় ও লোপাটের বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার জোর দাবী জানানো হয়।

Leave a Reply