৫ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম অটো রিক্সা-অটো টেম্পো শ্রমিক লীগের সংবাদ সম্মেলন

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭, মঙ্গলবার: চট্টগ্রাম অটোরিক্সা-অটোটেম্পো শ্রমিক লীগ ও ১নং রুট অটোটম্পো চালক-মালিক সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে আজ ১১ টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মেট্টো আরটিসি অনুমোদিত অটোটেম্পো রুটে পারমিট বিহীন হিউম্যান হলার চলাচল বন্ধ, ২০০৭ এর নীতিমালা অনুযায়ী অটোরিক্সা মালিকের জমা ৬০০ টাকা পুর্নবহাল, ভূয়া নিয়োগপত্র দ্বারা সকল গাড়ীর রুট পারমিট নবায়ন বন্ধ, স্বল্প শিক্ষিত দক্ষ অটোরিক্সা-অটোটেম্পো চালকদের সহজ শর্তে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান, ২০০৭ এর নীতিমালা অনুযায়ী অটোটেম্পো-অটোরিক্সার পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ও নগরের টানর্জিড পয়েন্ট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, নতুন ব্রীজ ও অক্সিজেন এলাকায় অটোরিক্সা চালকদের কাছ থেকে মাসিক ষ্ট্রীকারের নামে চাঁদাবাজি বন্ধ করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি উজ্জ্বল বিশ্বাস। এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি কামাল উদ্দিন চৌধুরী, অটোরিক্সা-অটোটেম্পো শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: ইলিয়াছ, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আবদুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এয়ার মোহাম্মদ খোকন, সহ সম্পাদক মো: হাসান, মো: মিজানুর রহমান, ১নং রুট অটোটেম্পো চালক-মালিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক মোজাম্মেল আলী নেওয়াজ, যুগ্ম আহ্বায়ক দিলীপ সরকার, সংগ্রাম পরিষদ নেতা তুষার সেন, মো: জামাল, মো; বেলাল, মো: মোরশেদ, ইসমত পাশা চৌধুরী কোম্পানী, ফিরোজ আহমদ কোম্পানী, মো: সুমন কোম্পানী, নূর হোসেন নুরু কোম্পানী, মো: হারুন, অটোরিক্সা শ্রমিক লীগ নেতা মো. রফিক, মো. আজাদ, আবদুল হালিম, মো; সোহেল, মো: মহসিন প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলন বক্তারা বলেন, একটি কুচুক্রিমহল বিদেশ থেকে মিনি পিকাপ ট্রাক চেসিস আমদানী করে বিআরটিএ’র অসাধু কর্মকর্তাদের জোগসাযোসে অর্থের বিনিময়ে যাত্রীবাহী হিউম্যান হলার রুপান্তরিত করে রেজিষ্ট্রেশন প্রদানের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে নামমাত্র জমা নিয়ে স্বল্প কিস্তীর ফাঁদে ফেলে অধিক মূল্যে বিক্রী করে চেচিস ব্যবসায়ীরা রাতারাতি কলাগাছ থেকে তালগাছে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্টো আরটিসি, বিআরটিএ নির্ধারিত বৈধ ১নং রুটে মধ্য অংশে যাহা চকজাবার, জামাল খান, কাজীর দেউরী, আগ্রাবাদ, বারেক বিল্ডিং সহ নগরীর বেশ কয়েকটি অটোটেম্পু রুটে অবৈধভাবে পারমিট বিহীন হিউম্যান হলার চলাচলের মাধ্যমে বৈধ অটোটেম্পু সেক্টরকে ধ্বংস এবং চালক -শ্রমিকদের বেকার করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যার কারণে অটোটেম্পু চালকরা যাত্রী শূন্যতাই পড়েছে। বক্তারা আরো বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রো এলাকায় চলাচলরত অটোরিক্সার দৈনিক মালিকের জমা ৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০০ টাকায় ইতিমধ্যে নির্ধারিত করা হয়েছে। যা চট্টগ্রামের চালকদের জন্য মরার উপর খড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা ঢাকা মেট্রোপলিটনে ২৬৭বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বসবাসরত ১কোটি ১৮লক্ষ ৮৪হাজার ৪১জনের জন্য পারমিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৩হাজার। অথচ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের আয়তন ১৬৮.০৭বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বসবাসরত ৬০ লক্ষ জনসাধারণের ব্যবহারাত্বে রুট পারমিট ইস্যু করা হয়েছে ১৩হাজার যা ঢাকার তুলনায় ৩গুণ বেশি। ১১ থেকে ১৫ বছর রাস্তায় চলাচলরত অটো রিক্সার দৈনিক মালিকের জমা ৬শ টাকা থেকে ৯শ টাকা নির্ধারণ শ্রমিকদের স্বার্থ পরিপন্থি বলে আমরা মনে করি। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে আমাদে উক্ত ৫ দফা দাবী বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি। অন্যথায় আগামী ১২ই মার্চ ২০১৭ইং পুনরায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে চট্টগ্রামের অটোরিক্সা অটোটেম্পু চালকদের সাথে নিয়ে মানববন্ধনোত্তর ভিক্ষোব মিছিল সহকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবরে স্মারক লিপি প্রদান সহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

Leave a Reply