বেঠিক খাদ্যগ্রহণের ফলে কিডনিতে পাথর হয়

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭, শুক্রবার: কিডনি আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শরীরের নানা হরমোন তৈরি করা ছাড়া রক্ত শোধন করা, শরীরের যাবতীয় দূষিত পদার্থ রেচন আকারে বের করে দেওয়া ইত্য়াদি কিডনির কাজ। এভাবে আমরা সুস্থ থাকি। জানেন কি, কিডনির সমস্যায় সবচেয়ে প্রথম ধাপ হল কিডনিতে স্টোন। যদি সঠিকভাবে শরীরের ক্ষতিকর টক্সিনগুলিকে না বের করা যায় তাহলে কিডনিতে স্টোন হতে বাধ্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিহাইড্রেশন, অত্যধিক মদ্যপান, বংশগত ধারা, অত্যধিক ওজন ও বেঠিক খাদ্যগ্রহণের ফলে কিডনিতে স্টোন হয়। একবার কিডনিতে স্টোন হলে তা যেমন বেদনাদায়ক, তেমনই মূত্রথলির নলি আটকে দিয়ে মূত্রত্যাগেও নানাবিধ অসুবিধার সৃষ্টি হয়। অগত্যা অপারেশন করা ছাড়া উপায় থাকে না। নিচের দেখে নিন, কিডনির স্টোন থেকে বাঁচতে চাইলে কি কি খাবারকে নিজের খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।
লাল গোশত : গরু বা খাসির গোস্ত হোক অথবা, হ্যাম ইত্যাদিতে প্রচুর বেশি পরিমাণে প্রোটিন থাকে যা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে কিডনি স্টোনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।
কার্বোনেটেড পানীয় : বাজারচলতি নানা ধরনের কার্বোনেটেড পানীয় কিডনি স্টোনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। এতে থাকে ফসফরিক অ্যাসিড যা স্টোন তৈরির পাশাপাশি নানা ধরনের কিডনির সমস্যা তৈরি করে।
রিফাইন কার্বোহাইড্রেট : বেশি পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন চাল অথবা চিনি, ময়দা ইত্যাদি কিডনির জন্য ভালো নয়। এতে কিডনির স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
কফি : বেশিমাত্রায় কফি খেলেও কিডনির ক্ষতি হয়। তাছাড়া কফি বেশি খেলে শরীরে ডিহাইড্রেশন হয় যা কিডনি স্টোন হওয়ার অন্যতম কারণ।
কৃত্তিম মিষ্টিবর্ধক : কৃত্তিম মিষ্টিবর্ধক বড়ি নিয়মিত খাওয়া উচিত নয়। এতেও কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অ্যালকোহল : অত্যধিক মদ্যপান লিভারের পাশাপাশি কিডনিরও ব্যাপক ক্ষতি করে। এর ফলেও ডিহাইড্রেশন হয় যা কিডনিকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।
লবণ : লবণে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম যা রক্তচাপ ও হার্টের অসুখকে বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া কিডনিতে স্টোন তৈরিতেও লবণের ভূমিকা দেখা যায়।

Leave a Reply