চট্টগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১২ ফেব্র“য়ারী ২০১৭ রবিবার: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম সচিব) মো. সামসুল আরেফিন বলেছেন, জেলর সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বৃদ্ধি পেয়েছে মাদক ব্যবসা ও মাদকের ব্যবহার। অভিভাবকদের নজরদারির অভাবে তাদের সন্তানেরা বিপথগামী হয়ে উঠছে। তরুণ ও যুব সমাজ মাদকে জড়িয়ে পড়লে একটি স্বাধীন দেশের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন কখনো সম্ভব নয়। তাই মাদকের কবল থেকে দেশ রক্ষায় তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষদের সাথে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক তাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
আজ ১২ ফেব্র“য়ারি ২০১৭ ইং রোববার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভেজাল খাদ্যপণ্য ও ঔষধ, ভুয়া ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কাভার্ডভ্যান করে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রয়কারী, আবাসিক হোটেল-গেস্ট হাউজে অসামাজিক কার্যকলাপ রোধ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বন উজাড় করে অনুমোদনবিহীন ও বৈধ ইট ভাটায় কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানো, মদের কারখানা উচ্ছেদ, রিক্সার ব্যাটারি চার্জিংয়ের দোকান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত ব্যাটারি চালিত অবৈধ রিক্সা, হিউম্যান হলার ও রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি অটোরিক্সা চলাচলের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) নুরেআলম মিনা পিপিএম বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো রয়েছে। বিগত ২০১৬ সালে সারাদেশের মধ্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চট্টগ্রাম জেলা দ্বিতীয় ও মাদক উদ্ধারে তৃতীয় স্থান অর্জন করে বাংলাদেশ পুলিশের মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে জেলা পুলিশ। চুরি-ডাকাতি রোধ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারসহ জঙ্গি সন্ত্রাস দমনে জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। মহানগরী ব্যতীত চট্টগ্রাম জেলার প্রায় ৭০ লাখ লোকের জন্য ২ হাজার পুলিশ সদস্য রয়েছে। অনেকে অবসরে চলে যাচ্ছেন। আরো লোকবল পেলে আশা করি জেলা পুলিশ আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে আরো বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে। তিনি চুরি-ডাকাতি রোধে বাজার ও মার্কেটগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, গভীর রাত পর্যন্ত মাইক বাজিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা নিয়ন্ত্রণ করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আরও জোরদার হওয়ার আহ্বান জানান জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা।
জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায মাল্টিমিডয়ার মাধ্যমে গত জানুয়ারি ২০১৭ মাসের খাতওয়ারী অপরাধ চিত্র তুলে ধরেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. মমিনুর রশিদ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) নুরেআলম মিনা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সাহাবউদ্দিন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, চিটাগাং চেম্বারের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবদুল জব্বার চৌধুরী (চন্দনাইশ), এম. তৌহিদুল আলম (ফটিকছড়ি), মুহাম্মদ আলী শাহ (রাঙ্গুনিয়া), মোজাফফর আহমদ (পটিয়া), মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (বাঁশখালী), তৌহিদুল হক চৌধুরী (আনোয়ারা), উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল ইসলাম ভূঁইয়া (সীতাকুন্ড), মোহাম্মদ কামাল হোসেন (রাঙ্গুনিয়া), দীপক কুমার রায় (ফটিকছড়ি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মেট্রো অঞ্চলের উপ-পরিচালক আলী আসলাম হোসেন, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমদ, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. মো. হুমায়ুন কবির, কোস্টগার্ড প্রতিনিধি সার্জেন্ট লে. মো. আশমাদুল ইসলাম, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নেতা এডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের (সাতকানিয়া), সেলিমুল হক চৌধুরী (বাঁশখালী), মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম (চন্দনাইশ), মো. নিজাম উদ্দিন (বারৈয়ারহাট) প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন উপজেলার চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পুলিশ কর্মকর্তা ও সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মরত কর্মকর্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা
নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১২ ফেব্র“য়ারী ২০১৭ রবিবার: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম সচিব) মো. সামসুল আরেফিন বলেছেন, জেলর সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বৃদ্ধি পেয়েছে মাদক ব্যবসা ও মাদকের ব্যবহার। অভিভাবকদের নজরদারির অভাবে তাদের সন্তানেরা বিপথগামী হয়ে উঠছে। তরুণ ও যুব সমাজ মাদকে জড়িয়ে পড়লে একটি স্বাধীন দেশের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন কখনো সম্ভব নয়। তাই মাদকের কবল থেকে দেশ রক্ষায় তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষদের সাথে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক তাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
আজ ১২ ফেব্র“য়ারি ২০১৭ ইং রোববার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভেজাল খাদ্যপণ্য ও ঔষধ, ভুয়া ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কাভার্ডভ্যান করে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রয়কারী, আবাসিক হোটেল-গেস্ট হাউজে অসামাজিক কার্যকলাপ রোধ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বন উজাড় করে অনুমোদনবিহীন ও বৈধ ইট ভাটায় কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানো, মদের কারখানা উচ্ছেদ, রিক্সার ব্যাটারি চার্জিংয়ের দোকান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলরত ব্যাটারি চালিত অবৈধ রিক্সা, হিউম্যান হলার ও রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি অটোরিক্সা চলাচলের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) নুরেআলম মিনা পিপিএম বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো রয়েছে। বিগত ২০১৬ সালে সারাদেশের মধ্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চট্টগ্রাম জেলা দ্বিতীয় ও মাদক উদ্ধারে তৃতীয় স্থান অর্জন করে বাংলাদেশ পুলিশের মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে জেলা পুলিশ। চুরি-ডাকাতি রোধ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারসহ জঙ্গি সন্ত্রাস দমনে জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। মহানগরী ব্যতীত চট্টগ্রাম জেলার প্রায় ৭০ লাখ লোকের জন্য ২ হাজার পুলিশ সদস্য রয়েছে। অনেকে অবসরে চলে যাচ্ছেন। আরো লোকবল পেলে আশা করি জেলা পুলিশ আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে আরো বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে। তিনি চুরি-ডাকাতি রোধে বাজার ও মার্কেটগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, গভীর রাত পর্যন্ত মাইক বাজিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা নিয়ন্ত্রণ করা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আরও জোরদার হওয়ার আহ্বান জানান জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা।
জেলা প্রশাসক মো. সামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায মাল্টিমিডয়ার মাধ্যমে গত জানুয়ারি ২০১৭ মাসের খাতওয়ারী অপরাধ চিত্র তুলে ধরেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. মমিনুর রশিদ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) নুরেআলম মিনা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সাহাবউদ্দিন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, চিটাগাং চেম্বারের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবদুল জব্বার চৌধুরী (চন্দনাইশ), এম. তৌহিদুল আলম (ফটিকছড়ি), মুহাম্মদ আলী শাহ (রাঙ্গুনিয়া), মোজাফফর আহমদ (পটিয়া), মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (বাঁশখালী), তৌহিদুল হক চৌধুরী (আনোয়ারা), উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল ইসলাম ভূঁইয়া (সীতাকুন্ড), মোহাম্মদ কামাল হোসেন (রাঙ্গুনিয়া), দীপক কুমার রায় (ফটিকছড়ি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মেট্রো অঞ্চলের উপ-পরিচালক আলী আসলাম হোসেন, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমদ, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. মো. হুমায়ুন কবির, কোস্টগার্ড প্রতিনিধি সার্জেন্ট লে. মো. আশমাদুল ইসলাম, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নেতা এডভোকেট নিতাই প্রসাদ ঘোষ, পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের (সাতকানিয়া), সেলিমুল হক চৌধুরী (বাঁশখালী), মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম (চন্দনাইশ), মো. নিজাম উদ্দিন (বারৈয়ারহাট) প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন উপজেলার চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পুলিশ কর্মকর্তা ও সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মরত কর্মকর্তাসহ আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply