আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২১ নভেম্বর, সোমবার: সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তবে তার পরিবর্তে দলের 1মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল সেনাকুঞ্জে গেছেন। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রতিনিধি দলটি সেনাকুঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা করেছেন বলে জানা গেছে। এবার মির্জা ফখরুল এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সেনা প্রধান লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বিএনপি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
মুক্তিযুদ্ধকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিত আক্রমণের সূচনা করে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর থেকে ২১ নভেম্বর দিনটিকে ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ হিসেবে পালন করে বাংলাদেশ।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমানবাহিনী ঘাঁটির মসজিদগুলোয় দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী কর্তৃক ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে বৈকালীন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ওই সংবর্ধনায় জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতিগণ, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, উপদেষ্টামণ্ডলী, মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনার, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূতসহ উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সেনাকুঞ্জের এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের দ্ইু প্রধান রাজনৈতিক নেত্রী শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার মধ্যে বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ হয় এবং নিজেদের মধ্য তারা কুশল বিনিময় করেন। তবে পাঁচ বছর ধরে দুই নেতার মধ্যে সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে মুখোমুখি কথা বলার রীতিও বন্ধ হয়ে আছে।
সর্বশেষ ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর সেনাকুঞ্জের সংবধর্নায় যোগ দেন খালেদা জিয়া। তবে সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গ তার কথা হয়নি। এরপর ২০১৩ সাল থেকে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনায় যোগদান করছেন না খালেদা জিয়া।

Leave a Reply