ধূমপায়ী ও অধূমপায়ীদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটির ঘটনা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২০ নভেম্বর, রবিবার: বিভিন্ন জনসমাগম স্থলে প্রতিনিয়ত ধূমপান জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। ধূমপায়ীরা আইন অমান্য করে পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে। পাশাপাশি অধূমপায়ীদের জন্য এটা বিরক্তিকর। ধূমপানকে কেন্দ্র করে নগরীর ধূমপায়ী ও অধূমপায়ীদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকাশ্যে ধূমপান নিরুৎসাহিত ও আইন অমান্যকারীর জন্য অর্থদণ্ডের বিধান করা হয়েছে।1
ব্লাস্টের স্থানীয় ইউনিট সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ বলেন, জনসমাগম স্থলে ও যানবাহনে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারীরা প্রায় অনুপস্থিত। তিনি বলেন, ‘আইনের কঠোর প্রয়োগ হলে জনসমাগম স্থলে ধূমপান বন্ধ করা সম্ভব বলে আমি বিশ্বাস করি।’ অ্যাডভোকেট সামাদ বলেন, প্রায় ৭৮ শতাংশ ধূমপায়ী ধূমপানবিরোধী আইন ও প্রকাশ্যে ও যানবাহনে ধূমপানে নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সচেতন নয়।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. জাহিদুস সাইদ বলেন, ধূমপান মানবদেহের জন্য বহুমাত্রিক ক্ষতির কারণ। তিনি বলেন, ধূমপান ক্যান্সর, হৃদরোগ, স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগের কারণ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারোয়ার জাহান বলেন, তামাকবিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন।
অধ্যাপক চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের তামাকজাত পণ্য ব্যবহারে নিয়ন্ত্রিত করতেই হবে। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ও তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে সরকারের তামাকজাত পণ্যের ওপর উচ্চ করারোপ করা উচিত।
তিনি বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ‘কিন্তু আমরা তামাক বিরোধী প্রচারাভিযানে নেই।’ তামাক চাষীদের তামাকের পরিবর্তে অন্য ফসল চাষে সহযোগিতা করা উচিত বলেন তিনি। -বাসস

Leave a Reply