কিশোরগঞ্জের ভৈরবের নার্সারি করে অনেকেই স্বাবলম্বী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৮ নভেম্বর, শনিবার: কিশোরগঞ্জের ভৈরবের নার্সারি করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন। সফল উদ্যোক্তাদের দেখাদেখি অন্যরাও বেশ আগ্রহী হয়ে নার্সারি করা শুরু করছেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও কৃষি বিভাগ থেকেও নার্সারির উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও সহায়তা করা হচ্ছে। ফলে বেকার যুবকদের অনেকেই নার্সারি গড়ে তোলা শুরু করেছেন। দিনদিন বাড়ছে নার্সারির সংখ্যা। বেকার লোকের কর্মসংস্থানও হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভৈরব পৌর শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠেছে ৫০টির মতো বিভিন্ন ফলদ, বনজ ও ফুলের চারার নার্সারি। অল্প পুঁজিতে নিজস্ব ও ইজারা (লিজ) নেওয়া জমিতে নার্সারি করে সফল হয়েছেন উদ্যোক্তারা। তাদের সফলতা দেখে উদ্যোগী হয়ে ওঠছেন অনেকেই। প্রকারভেদে ওই সব নার্সারিতে মাসে ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকার চারা বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভৈরব উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জলি বদন তৈয়বা বলেন, সম্প্রতি তার অধিদপ্তর থেকে ৫০ জন নারী ও পুরুষকে নার্সারি বিষয়ক প্রশিক্ষণসহ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা করে ঋণ সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে।1
ভৈরবের মিরারচর এলাকার মডার্ন নার্সারির মালিক মো. মাঈন উদ্দিন জানান, নার্সারি লাভজনক একটি ব্যবসা। বাজারে চারা গাছের যে পরিমাণ চাহিদা আছে, তার খুব কম অংশই তারা পূরণ করতে পারছেন। এ খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের স্বাগত জানান তিনি।
ভৈরব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন প্রধান বলেন, ভৈরব উপজেলায় বর্তমানে ৫০টির মতো ছোট-বড় নার্সারি রয়েছে। অনেক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। সম্ভাবনাময় এ খাতকে বড় করতে কৃষি অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, কৃষিবিভাগ থেকে নার্সারিগুলোকে পর্যবেক্ষণ, পরামর্শ ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ থেকে নার্সারির সফল উদ্যোক্তাদের পুরস্কৃতও করা হচ্ছে।

Leave a Reply