১৩ নভেম্বর নতুন করে সমাবেশ করার অনুমতি চয় বিএনপি

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৮ নভেম্ববর, মঙ্গলবার: আগামী ১৩ নভেম্বর রোববার নতুন করে আবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছে বিএনপি। 1মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা জানান। ওইদিনও অনুমতি না পেলে তখন কি করবেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অনুমতি চাইতেই থাকব। বিএনপি সুশাসনে বিশ্বাসী বলেই বারবার অনুমতি চাইছে।
তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি কর্মসুচি দিয়েছিলো এবং ওই কর্মসুচি পালনের জন্য আমরা অনুমিত চাই। কিন্তু সেই অনুমতি তো দেওয়ায় হয়নি বরং আজকে এখানে পুলিশ দেওয়া হয়েছে। তাতে মনে হয় আবারো একটা যুদ্ধ ক্ষেত্রে তৈরি করা হয়েছে।
সভা সমাবেশের অনুমিত না দেওয়া সংবিধানের স্পষ্ট লংঘন এমন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদেও সংবিধানে খুব স্পষ্টভাবে বলা আছে সভা সমাবেশ, জনমত সংগঠিত করা, প্রতিবাদ করা এটা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। এরা বরাবরই এসব করতে বাধা দিচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে একই কায়দায় তারা বিরোধী দলের সকল সমাবেশগুলোতে বাধা সৃষ্টি করেছে। র‌্যালি করার অনুমতি দেয় না। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে। এবং বিগত সাত বছর একই কায়দায় বিএনপিকে নির্মূল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এবার আমরা অনুমতি চাইলাম ডিএমপি থেকে বলা হলো একই দিনে অন্যান্য দলগুলো অনুমতি চাওয়ার কারণে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভঙ্গ হতে পারে এজন্য অনুমতি দেওয়া সম্ভব হবে না। এরপর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব প্রেসবিফিংয়ের মাধ্যমে এবং অনুমতি চেয়ে পার্টি অফিসের সামনে সমাবেশ তালিক ঘোষণা করেন। তখন দক্ষিণ সিটি করপোরেশন চিঠি দিয়ে জানিয়েছে। রাস্তায় সমাবেশ করা নিষিদ্ধ। তাহলে গণতান্ত্রিকদলগুলো জনমত সৃষ্টির জন্য কথা বলার জণ্য তাহলে তারা কোথায় যাবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, আমরা একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দল এবং বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। আমাদের যে কর্মকান্ড ও কর্মসুচি তা সম্পূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক কর্মসুচি। আমাদেও সংবিধানে এ অধিকার দেওয়া রয়েছে। যে আমরা আমাদেও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালন করতে পারবো। দূর্ভাগ্যজন ভাবে এই সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। সেজন্যেই গণতান্ত্রিক কর্মসুচিগুলোতে তারা এভাবে বাধা দিয়ে যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। এই সরকারের আমলে বিএনপির মত নির্যাতিত আর কেউ নেই। ১ হাজারেরও বেশী নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। পাচশতাধিক নেতকার্মী গুম, কারাগারে আছে হাজার হাজার নেতাকর্মী। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য সংলাপের বিকপ্প নেই দাবি করে তিনি বলেন, তা নাহলে জনগণের ধৈর্য্যের বাধ ভেঙ্গে গেলে কি হবে তা কেউ জানে না।
মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আপনারা সোহরাওর্য়াদী উদ্যানতো ব্যবহার করলেন, পাশাপাশি পুরো ঢাকা শহরসহ সারাদেশে বিদ্যুতের বাতি ব্যবহার করলেন।
তিনি বলেন, আমরা এখন এই অনৈতিক, অনির্বাচিত পার্ল্টামেন্ট নেই। স্বাভাবিকভাবে আমাদের কথাগুলো বলার জন্যে জনগণকে সংগঠিত করার জন্যে স্পেস দরকার। যেকোনো গণতান্ত্রিক স্টেটে স্বীকৃত ।

Leave a Reply