ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান শিবিরে চলছে টানটান উত্তেজনা

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৫ নভেম্ববর, শনিবার: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান শিবিরে চলছে টানটান উত্তেজনা। ভোটারদের পক্ষে টানতে মরিয়া দুই প্রার্থীই। কিন্তু ৫১টি অঙ্গরাজ্যের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ প্রদেশের চিত্রটা একটু ভিন্ন। সেখানে হিলারি এবং ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাকে ছাপিয়ে গিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইভান ম্যাকমুলিন।1
উটাহ প্রদেশের জনমত সমীক্ষা বলছে হিলারি বা ট্রাম্প নন, এগিয়ে আছেন ম্যাকমুলিন। এখানে ম্যাকমুলিন জিতে গেলে প্রায় ৪৮ বছর পরে রিপাবলিকান বা ডেমোক্রেট নন, কোনও তৃতীয় প্রার্থী মার্কিন প্রসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো প্রদেশে জিতবেন।
১৯৬৪ সাল থেকে এই প্রদেশটি রিপাবলিকানদের দখলে ছিল। ফলে ম্যাকমুলিনের উত্থানে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত ট্রাম্প। ফলে এই প্রদেশে হিলারি নন, ট্রাম্পের আক্রমণের অভিমুখ ঘুরে গিয়েছে ম্যাকমুলিনের দিকে। প্রশ্ন তুলেছেন ম্যাকমুলিনের অতীত জীবন নিয়ে। স্বাভাবিক ভাবেই যার অনেকটাই রহস্যে ঘেরা।
মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা, সেন্ট্রাল ইন্টালিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) কেস অফিসার ‘ডাইরেক্টরেট অব অপারেশন’বিভাগের সাবেক কমকর্তা ইভান ম্যাকমুলিন। ব্রিগহাম ইয়ং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরে ছাত্র থাকার সময়েই আংশিক সময়ের জন্য সিআইএ-তে কাজ শুরু করেন তিনি। কাজ করেছেন জাতিসংঘের উদ্বাস্তু পুনর্বাসন বিভাগে কাজ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ইরাক ছেড়ে বেড়িয়ে আসার পরেই সিআইএ থেকে পদত্যাগ করেন ম্যাকমুলিন। এমবিএ করে কয়েক বছর গোল্ডম্যান স্যাক্সস-এ চাকরিও করলেন। তার পরে আবার সরকারি কাজে। রিপাবলিকান দলকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে পরামর্শ দিতেন। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্থান মেনে নিতে পারেননি। তাই সব ছেড়ে নিজেই প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থী।
আদতে ম্যাকমুলিনের মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বেশ কয়েকটি প্রদেশের ব্যালটে ম্যাকমুলিনের নামও নেই। কিন্তু উটাহয় যদি জিতে যান তবে ট্রাম্পের পরাজয়ের আশঙ্কা বাড়বে। পাশাপাশি প্রাক্তন গুপ্তচরের জয় ইতিহাসে উজ্জ্বল ফুটনোট হয়ে থেকে যাবে।

Leave a Reply