গ্রাহকের সোয়া দুই হাজার কোটি টাকা ১০৫টি সমবায় সমিতির আত্মসাৎ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৫ নভেম্ববর, শনিবার: গ্রাহকের সোয়া দুই হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ১০৫টি সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে। এসব সমিতির বিরুদ্ধে মামলা1 করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সমবায় অধিদপ্তর। তবে গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন কি-না এ ব্যাপারে অধিদপ্তর কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি। অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত অধিকাংশ সমবায় সমিতি তাদের অফিসে তালা দিয়ে পালিয়েছে। কোনো কোনো সমিতি আবার বিভিন্ন জায়গায় গ্রাহকের আমানত বিনিয়োগ করে রাখায় গ্রাহকের দাবি সত্ত্বেও তাদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না।
প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে সমবায় অধিদপ্তর ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে ১০৫টি সমিতির বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের এই তথ্য পায়। ২০১০ সালের পর থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বিচ্ছিন্নভাবে অধিদপ্তর এ অনুসন্ধান চালায়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তালিকা উপস্থাপন করা হয়েছে। এদিকে অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তারাই বলছেন, অভিযুক্ত সমিতিগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হলে গ্রাহকের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব। অধিদপ্তরের নিষ্ক্রিয়তা এবং কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণে গ্রাহকের অর্থ আদায় করা সম্ভব হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অর্থ আত্মসাৎকারী সমিতিগুলোর সঙ্গে প্রভাবশালীদের সংশ্লিষ্টতা এবং রাজনৈতিক নেতাদের চাপে অধিদপ্তর নিষ্ক্রিয় থাকতে বাধ্য হয়। অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণাকারী ১০৫টি সমবায় সমিতির মধ্যে ৮৯টির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আর ১৫টির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকায় তাদের বিরুদ্ধে অধিদপ্তর থেকে এখনই কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
জানা যায়, বর্তমানে দেশে মোট সমবায় সমিতির সংখ্যা ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৫৬টি। এর মধ্যে কিছু সমিতির বিরুদ্ধে সমবায় সমিতি আইন অমান্যের অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্ত সমিতিগুলো সাধারণ ব্যক্তিকে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে আমানত সংগ্রহ করে এবং ওই আমানত বিভিন্নভাবে অপবিনিয়োগ করে। গ্রাহকরা যখন তাদের আমানত ফেরত পেতে সংশ্লিষ্ট সমবায় সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ করে, তখন সমিতিগুলো গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। কিছু সমবায় সমিতি অফিসে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। নিরুপায় গ্রাহকরা বিচ্ছিন্নভাবে এসব সমিতির বিরুদ্ধে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করেন।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, কিছু সমবায় সমিতি গ্রাহকের সরলতার সুযোগে অর্থ হাতিয়ে নেয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করে এমন সমবায় সমিতিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, অভিযুক্ত সমবায় সমিতিগুলোতে যেসব গ্রাহক টাকা আমানত রেখেছিলেন, তা ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি যারা টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করেছিল, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করারও চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে সমবায় সমিতিগুলো পরিচালনা করা যায় কি-না সে ব্যাপারেও চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
সমবায় অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সব সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি ঢালাওভাবে করা ঠিক হবে না। কিছু সমিতি লগ্নি করে সে অর্থ ফেরত আনতে পারেনি। এ কারণে গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। আবার অনেক সমিতি গ্রাহকের বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে গেছে। এ দুই ধরনের ঘটনাই সমবায় আইনের কিছু ফাঁকফোকরের কারণে ঘটছে। যারা এখনও অফিসে তালা ঝোলায়নি, তাদের কাছ থেকে কিছু টাকা আদায় করে গ্রাহককে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা অধিদপ্তর সব সময়ই করে থাকে। তবে সংকট তৈরি হয় যখন অফিসে তালা পাওয়া যায়। এসব সমিতির বিরুদ্ধে মামলা করেও তেমন কোনো সুফল পাওয়া যায় না।
সমবায় অধিদপ্তরের তদন্তে ঢাকাসহ একাধিক বিভাগে কার্যক্রম পরিচালনাকারী ৮টি সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে এক হাজার ৯৫০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে।
উত্তরা ইনভেস্টমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির বিরুদ্ধে আনুমানিক ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য পাওয়া গেছে। অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে সংশ্লিষ্টরা পালিয়েছে। এ কারণে অধিদপ্তর গঠিত অন্তর্র্বতী ব্যবস্থাপনা কমিটি সমিতির দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারেনি। সমবায় অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অধিদপ্তর আইনি প্রক্রিয়া মেনে গ্রাহকের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু যারা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত থাকে, তারা সহজে অর্থ ফেরত দিতে চায় না। যে কারণে বছরের পর বছর ঘুরেও জালিয়াত চক্রের কাছ থেকে গ্রাহকের পাওনা অর্থ আদায় করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।
অধিদপ্তরের তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সিটি ইনভেস্টমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির বিরুদ্ধে গ্রাহকের ৪০ কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে সমবায় অধিদপ্তরের তদন্তে। গ্রাহকের ২৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছে আল-আকসা ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি। এ ছাড়া জয়েন্ট ইসলামী ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ম্যাক্সিম ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, অগ্রণী কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা সমবায় সমিতি, অবিস্মরণীয় ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও ন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেটিভ সোসাইটি।
ঢাকা বিভাগের ২১টি সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে ৩১২ কোটি ৭২ লাখ ৩৬ হাজার ৬১০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এগুলো হচ্ছেথ জয়েন্ট ইসলামী ফাইন্যান্স অ্যান্ড মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ম্যাক্সিম ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, অগ্রণী কমার্স অ্যান্ড ফাইন্যান্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, রূপালী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আল-আকসা ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, স্বদেশ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, চয়নিকা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, দি ঢাকা আরবান কো-অপারেটিভ সোসাইটি, তারদা ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ফ্রেন্ডস সিকিউরিটি ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ধানসিঁড়ি বহুমুখী সমবায় সমিতি, তিজারাহ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আল মদিনা ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, নিউ ঝিনুক বহুমুখী সমবায় সমিতি, আলতাকিম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ডায়মন্ড ম্যাক্সিম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, সিকিউরিটি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ম্যাগনেট ফাইন্যান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আস্থা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও ফিউচার ডেভেলপমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি।
চট্টগ্রাম বিভাগের ৬০টি সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে ১৫৯ কোটি ৬১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত সমিতিগুলো হচ্ছেথ ফারইস্ট ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, বাংলাদেশের কো-অপারেটিভ বুক সোসাইটি, প্রিভেইল মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, প্রান্তিক মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আল আমান মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, লোহাগাড়া বার আউলিয়া সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, ফ্যামিলি পল্লী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আল-ইহসান মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, সিলভার মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, সোশ্যাল মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, পপুলার মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, নিউ আল আমিন মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ন্যাশনাল মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, উদ্দীপ্ত মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, দেশ-বাংলা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, দিগন্ত মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, জেনিথ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ফাইভ স্টার সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, সুইটি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, সমকাল মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ইসলামী ইনভেস্টমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ইউনাইটেড মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, নোয়াখালী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, প্রগতি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, জনতা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আল আরাফাত সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, সাহারা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, নতুন বাজার বহুমুখী সমবায় সমিতি, মুক্ত বহুমুখী সমবায় সমিতি, আল-সামস ইসলামী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, উদয়ন সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, মেঘনা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, নিরাপদ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, শুভেচ্ছা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, বৈশাখী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আল ইত্তেহাদ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, গ্রাম উন্নয়ন মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, গ্গ্নোব ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, মোহনপুর প্রচেষ্টা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, জাগো যুব সমবায় সমিতি, ন্যাশনাল আইডিয়াল মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, দেবিদ্বার গ্গ্নোবাল বহুমুখী সমবায় সমিতি, দেবিদ্বার প্রিভেইল বহুমুখী সমবায় সমিতি, গ্গ্নোবাল বহুমুখী সমবায় সমিতি, নিউ লাইফ বহুমুখী সমবায় সমিতি, শাহজালাল মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, নিউ পূবালী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, মুন্সীরহাট জাগো বহুমুখী সমবায় সমিতি, চৌদ্দগ্রাম প্রিভেইল বহুমুখী সমবায় সমিতি, লাকসাম রংধনু বহুমুখী সমবায় সমিতি, লাকসাম অগ্রণী বহুমুখী সমবায় সমিতি, জাফরগঞ্জ দি নিউ এক্রিম বহুমুখী সমবায় সমিতি, ডিজিটাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি, দেশপ্রীতি বহমুখী সমবায় সমিতি, মহামায়া গ্রিন সোসাইটি সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, মহামায়া গরীব দুঃখী সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, ম্যাক্সিম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, অগ্রণী বহুমুখী সমবায় সমিতি, ফারইস্ট ইসলামী সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি।
রাজশাহী বিভাগের ১৩টি সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে ১৪ কোটি ৯৭ লাখ ৯৩ হাজার ৩১১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এগুলো হচ্ছেথ বরেন্দ্র মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ম্যাসেজ কনজুমার মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, দিগন্ত বহুমুখী সমবায় সমিতি, ইসলামিক কমিউনিকেশন সার্ভিসেস মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, গ্গ্নোবাল এক্সপ্রেস মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, ম্যাক্সিম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, আল-ইনসাফ মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, পিসিএস সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, কাহালু সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, তিনদীঘি আর্থ-সামাজিক সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি, পপুলার মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, বৈশাখী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি ও একতা কর্মসংস্থান মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি।
এ ছাড়া বরিশাল বিভাগের তিনটি সমবায় সমিতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এগুলো হচ্ছেথ রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি, জয়েন্ট সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি ও পাইওনিয়র বহুমুখী সমবায় সমিতি। সূত্র: সমকাল

Leave a Reply