ভোলা সদর উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৩ নভেম্ববর, বৃহস্পতিবার: ভোলা সদর উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হাকিম মিজির ছেলে মাহফুজ ও তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই ইউনিয়নের উত্তর ভেদুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।1
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতের জন্য পুলিশ স্কুলছাত্রীর লাশটিকে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। তবে ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হাকিম মিজি বলেন, তার ছেলে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্থানীয় সাঈদী, শামীম ও জুয়েল নামে তিন যুবককে হাতেনাতে ধরা হয়েছে।
নিহত ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, তার স্বামী ঢাকায় চাকরি করেন। তিনি বুধবার বিকালে বড় মেয়েকে ঢাকার লঞ্চে পৌঁছে দিয়ে একই ইউনিয়নে ভাইয়ের বাড়ি যান। এ সময় তার নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছোট মেয়েকে বাড়িতে মেয়ের চাচাত বোন (ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হাকিম মিজির মেয়ে) নুপুরের সাথে রেখে যান। রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাহফুজ ও তার বন্ধুরা মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করে। পরে গলায় রশি ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালায়।
ছাত্রীর মা আরও বলেন, যেখানে গলায় রশি দেয়া হয়েছে- সেখানে মেয়ের উচ্চতার চেয়ে দুই হাত ছোট। এখানে কেউ আত্মহত্যা করতে পারে না। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। আমি এর বিচার চাই।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর খায়রুল কবীর অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। নিহত মেয়ের গলা ছাড়া শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নিহতের পরিবার মামলা দিলে নেব। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা পলাতক রয়েছে।

Leave a Reply