মধুর ক্যান্টিন ছিল ওবায়দুল কাদেরের প্রধান আড্ডাস্থল

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১ নভেম্ববর, মঙ্গলবার: যখন ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ছিলেন তখন মধুর ক্যান্টিন ছিল ওবায়দুল কাদেরের প্রধান আড্ডাস্থল। কিন্তু দলীয় রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকায় ইচ্ছা থাকলেও সেইভাবে আর সুযোগ হয়নি মধুর ক্যান্টিনে যাওয়ার।1
তবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আড্ডা দিতে আজ মধুর ক্যান্টিনে ছুটে গেলেন আওয়ামী লীগের নতুন এই সাধারণ সম্পাদক। মধুর ক্যান্টিনে চা-য়ে চুমুক দিতে দিতে পেছনের স্মৃতি রোমন্থনের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বেশ কিছু পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ঢঙে ওবায়দুল কাদের ছাত্রদেরকে রাজনীতির পাশাপাশি পড়াশুনায় মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্র রাজনীতির সুতিকাগার খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে গেলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা স্বাগত জানান। এসময় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তাকে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অনেকে সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর ওবায়দুল কাদের স্মৃতি বিজড়িত মধুর ক্যান্টিনে যান এবং ‘চা’ পান করেন। এসময় তিনি ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের খোঁজ খবর নেন। উপস্থিত ছিলেন এমন নেতারা জানান, মন্ত্রী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পড়ালেখার প্রতি বেশি মনেযোগী হতে বলেছেন।
ওবায়দুল কাদের নেতাকর্মীদের,সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে,দিনের শুরুতেই কয়েক ঘন্টা পড়া লেখা করতে,এরপর মধুর ক্যান্টিনে সময় দিতে,পড়া লেখার পাশাপাশি রাজনীতি করার পরামর্শ দেন। পড়ালেখা বাদ দিয়ে রাজনীতি নয় বলেও অভিমত দেন তিনি।

এদিকে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই পদে থেকে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ওবায়দুল কাদেরের এভাবে আড্ডা দেয়ার এই ঘটনা ছাত্রদেরকে রাজনীতিতে আগ্রহী করে তুলবেন মনে করছেন ছাত্রলীগ নেতারা।
ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৭ থেকে ৮১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক এই ছাত্র দীর্ঘ রাজনীতির জীবনে অনেক বার কারাভোগও করেন। আওয়ামী লীগের সবশেষ কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।
ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্সসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply