পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৭ ভারতীয় বেসামরিক লোক নিহত

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১ নভেম্ববর, মঙ্গলবার: ভারতের কাশ্মিরে আন্তর্জাতিক সীমানা ও নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে সাতজন ভারতীয় বেসামরিক লোক নিহত এবং ১৪ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে সাম্বা, জম্মু ও রাজৌরি জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। 1খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। এদিকে, বান্দিপুরা’র আজার গ্রামে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর ‘বন্দুকযুদ্ধ’-এর ঘটনা ঘটেছে।
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর ডিআইজি ধর্মেন্দ্র পারিক জানান, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে সীমান্তের একটি এলাকায় পাক বাহিনী গুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে সাম্বা এবং জম্মু জেলার রামগড় এবং আর্নিয়া সেক্টরের চার থেকে পাঁচটি জায়গায় হামলা শুরু হয়। পাক বাহিনী ৮২ এমএম মর্টার বোমা নিক্ষেপ করে। বিএসএফও হামলার পাল্টা জবাব দেয়।
এসএসপি জোগিন্দ্রর সিং জানান, মর্টার শেল হামলায় রামগড় সেক্টরের একটি গ্রামের ২১ বা ২২ বছর বয়সী এক তরুণী এবং একজন বেসামরিক লোক নিহত হয়। পানিয়ারি গ্রামে কমপক্ষে দুজন নারী নিহত হয়েছেন। রামগড় সেক্টরে দুজন কিশোর নিহত এবং আটজন আহত হয়েছে। আর্নিয়া সেক্টরের নওসেরা এবং রামগড় সেক্টরে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী নিহত এবং দুজন বেসামরিক লোক আহত হয়েছে।
স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১০ মিনিটে আর্নিয়া সেক্টরের সীমান্তবর্তী পিন্দি গ্রামে তিনটি মর্টার শেল নিক্ষেপে বদরাজ(৪৪), নিকি, ধরনা দেবী এবং চঞ্চলা দেবী(৪৯) নামে চারজন আহত হয়।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে একটি সেনা শিবিরে সন্ত্রাসীদের হামলায় ১৯ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর থেকে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এর বদলায় পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে সন্ত্রাসীদের আস্তানায় ‘সার্জিক্যাল হামলা’ চালানো হয়েছে বলে দাবি করে ভারত।
এরপর থেকে দুপক্ষই ধারাবাহিকভাবে পরস্পরের বিরুদ্ধে ২০০৩ সালের যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে হামলার অভিযোগ আনে। বর্তমানে বিতর্কিত সীমান্তে নিয়মিত গোলাগুলির ঘটনা ঘটে চলেছে।

Leave a Reply