চিটাগাং চেম্বার সভাপতির সাথে বিজিএমইএ’র নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৬ অক্টোবর: দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম’র সাথে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্সPhoto(BGMEA) এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)’র নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ প্রথম সহ-সভাপতি মঈনউদ্দিন আহমেদ (মিন্টু)’র নেতৃত্বে ২৬ অক্টোবর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় চেম্বার পরিচালকৃবন্দ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), মোহাম্মদ হাবিবুল হক, সরওয়ার হাসান জামিল, অঞ্জন শেখর দাশসহ বিজিএমইএ’র পরিচালকবৃন্দ মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, এ. এন. এম. সাইফুদ্দিন, কাজী মাহবুবউদ্দিন জুয়েল, সদস্যবৃন্দ শওকত ওসমান, খন্দকার বেলায়েত হোসেন ও এম. এ. হান্নান উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়কালে চেম্বার সভাপতি বিজিএমইএ’র নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে এ কমিটির মেয়াদকালে চট্টগ্রামে তৈরী পোশাকখাত অধিকতর বিকাশ, রপ্তানি বৃদ্ধিসহ আরো কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি এখাতে বিরাজমান সমস্যা, মেট্রো এলাকায় জমির দু®প্রাপ্যতা, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানী সরবরাহে ঘাটতি, ব্যাংক ঋণের অধিক সুদ, রুগ্ন পোশাক কারখানা, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো ইত্যাদির আশু সমাধানের উপর গুরুত্বারোপ করে এ বিষয়ে এফবিসিসিআই ও সিসিসিআই কর্তৃক সরকারের উর্ধ্বতন পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন। তিনি দেশের অর্থনীতিতে চট্টগ্রামে তৈরীপোশাক খাতের পূর্বের ৪০% অবদানের কথা উল্লেখ করে বর্তমান দূরাবস্থা থেকে উত্তরণ করে এখাতের প্রসার এবং উন্নয়ন, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি পরিকল্পিত ‘গার্মেন্ট পল্লী’ তৈরীসহ প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের নিমিত্তে চিটাগাং চেম্বার ও বিজিএমইএ যৌথভাবে একটি গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করবে বলে মন্তব্য করেন। চেম্বার সভাপতি চট্টগ্রামের গুরুত্ব বিবেচনা করে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বড় ফ্লাইট অবতরণ উপযোগী ৮০০ মিটার প্রশস্ত রানওয়ে নির্মাণে বিমানমন্ত্রীর সম্মতির কথা নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন। বিজিএমইএ’র পক্ষে ১ম সহ-সভাপতি বলেন-নানাবিধ সংকট এবং অনৈক্যের কারণে চট্টগ্রামে পোশাক খাত আজ হুমকির সম্মুখীন। বিশেষ করে গত কয়েক বছরে চট্টগ্রামে ৭১৬টি কারখানার মধ্যে ৩১৬টি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একর্ড ও এলায়েন্সের হস্তক্ষেপে অবশিষ্ট ৪০০টির মধ্যে অনেক কারখানা বন্ধ হওয়ার আশংকা রয়েছে। তিনি চট্টগ্রামে এ শিল্পের জন্য অন্তত ২০০ একর ভূমি সম্বলিত বিশেষায়িত অঞ্চল তৈরী করলে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া তিনি পোশাক শিল্পের রক্ষায় একর্ড ও এলায়েন্স’র কার্যক্রমকে আরো সহযোগিতাপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে এর সাথে সংশ্লিষ্ট কতিপয় দালালচক্রকে চিহ্নিত করার পাশাপাশি ব্যাংক ঋণের সুদের হার হ্রাস, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ব্যাংকের ক্ষমতায়ন বিকেন্দ্রীকরণ, ডলারের অবমূল্যায়নের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। উক্ত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস, পরিচালক এ. এম. মাহবুব চৌধুরী, প্রাক্তন প্রথম সহ-সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরী ও সদস্য এস. এম. জাহিদুল ইসলাম।

Leave a Reply