কথিত বড় ভাইকে খুঁজছে পুলিশ

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৬ অক্টোবর : পুলিশ দাবি করছে ভাড়াটে খুনিদের মাধ্যমেই ইটালিয় নাগরিক চেজারে তাভেলাকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডর সঙ্গে কোন জঙ্গি সংগঠনের সম্পৃক্ততা নেই। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, bbc picআটক ব্যক্তিরা একজন কথিত বড় ভাইয়ের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ডে চালিয়েছে। তবে এই ‘বড় ভাইয়ের’ পরিচয় সম্পর্কে পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি। পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন ,পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এই ৪ জনকে গতকাল ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটিও পুলিশ জব্দ করেছে। পুলিশ আরও কমিশনার বলেন, “আমরা সেই কথিত বড় ভাইকে খুঁজছি। এই বড় ভাইয়ের পেছনে মদদদাতা কারা সেটিও আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি।” আটককৃত ‘ভাড়াটে খুনিদের’ সঙ্গে সেই কথিত বড়ভাই হত্যাকাণ্ডের জন্য টাকার বিনিময়ে মৌখিক চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগে অর্ধেক টাকা ‘খুনিদের’ দেয়া হয়েছে। বাকি অর্ধেক পরে দেয়া হবে বলে সেই কথিত বড়ভাই জানিয়েছিলেন। পুলিশ কমিশনার বলেন, “একজন কথিত বড়ভাই তাদের (আটক ব্যক্তিদের) বলেছে একজন বিদেশিকে খুন করতে হবে।” তিনি জানান সিসিটিভি’র ফুটেজ পর্যালোচনা এবং প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে নিশ্চিতভাবে অপরাধীদের সনাক্ত করা হয়েছে। চেজারে তাভেলাকে টার্গেট করে খুন করা হয়নি। তিনি দাবি করেন একজন পশ্চিমা নাগরিককে হত্যা করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করাই ছিল এর লক্ষ্য। তবে কারা এই অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়, সে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেননি তিনি। তিনি বলেন, পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করেছে। গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষ এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা এই তদন্ত তদারকি করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার গুলশানে চেজারে তাভেলাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ডের পর একটি ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছিল জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট চেজারে তাবেলা হত্যার ‘দায় স্বীকার’ করেছে। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে ইসলামিক স্টেট’র জড়িত থাকার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সূত্র : বিবিসি।

Leave a Reply