ডাক্তারের লোলুপ দৃষ্টি, হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন নার্স

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ১৪ অক্টোবর : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন মুক্তি (প্রা.) হাসপাতাল ও সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত এক সেবিকাকে ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ওই ক্লিনিকের মালিক কাম চিকিৎসক মো. মাহাবুবুর d.রহমানকে আটক করেছে পুলিশ। মাহাবুব নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সে উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার (স্যকমো) পদে কর্মরত রয়েছেন। পুলিশ তার মালিকানাধীন ক্লিনিকটিও সিলগালা করে দিয়েছে। অপরদিকে ওই সেবিকা গুরুত্বর অসুস্থাবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, দুর্ঘটনায় স্বামী মারা যাওয়ার পরে এক সন্তানের জননী ওই সেবিকা আর্থিক স্বচ্ছলতা আনতে প্রায় দেড় মাস আগে চাকরি নেন স্থানীয় মুক্তি (প্রাঃ) হাসপাতাল ও সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। ওই সেবিকার ভ্যান চালক বাবা ওদুদ মুন্সী জানিয়েছেন, সোমবার রাতে তার মেয়ে সেবা ক্লিনিকে রাত্রিকালীন ডিউটি করতে আসে। রাতে মাহাবুব তাকে তার রুমে নিয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এতে তার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে মঙ্গলবার দুপুরে ক্লিনিকে সহকর্মী কয়েকজন তাকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হলে সে পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে তাকে পরিবারের লোকজনের সহায়তায় ফের উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসক ডা. সারমিন সুলতানা জানান, সেবিকার শরীর থেকে স্পাম সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি জানান, তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আসামি মাহাবুবকে আটক করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে ওই ক্লিনিকটি। তিনি জানান, ওই ক্লিনিক মালিকের বিরুদ্ধে ক্লিনিকের ভেতরে একাধিকবার নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে নির্যাতিতের মা নুরুন নাহার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনায় ন্যায় বিচার দাবি করেছেন নির্যাতিতার মা। এদিকে ঘটনার পর থেকেই ওই ক্লিনিক মালিক ও প্রভাবশালী একটি মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। সূত্র : ঢাকাটাইমস

Leave a Reply