হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে অফিসে করণীয়

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৭ ফেব্র“য়ারী: চাকরিজীবীরা অধিকাংশ সময়ই কর্মক্ষেত্রে ব্যয় করেন। এ সময় অনেকেই না জেনে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খাবার গ্রহণ করেন। যা হৃদপিণ্ডের ক্ষতি করতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক হৃদপিণ্ডের সুস্থতার জন্য কর্মক্ষেত্রের যে ভুলগুলো আমাদের এড়িয়ে চলা উচিত। heart
অস্বাস্থ্যকর খাবার: অফিসে ক্ষুধার্ত হলে অনেকেই বিস্কুট, কোমল পানীয়, অনবরত কফি এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত স্ন্যাকস খান। এসব খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও সুখকর নয়। সুস্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার বিকল্প নেই। উদাহরণস্বরূপ, ফ্যাটের জন্য কাঁচা বাদাম, অলিভ অয়েল, মাছের তেল, তিসির বীজ, অ্যাভোকাডোস খেতে পারেন। অফিসে স্ন্যাকস খেতেই হয় তাহলে ডায়েটে পর্যাপ্ত পরিমাণে রঙিন শাকসবজি রাখুন।
লবণ কম খান: ডায়েটে লবণ কম খাওয়া অত্যাবশ্যাক। ফিজিওথেরাপিস্ট পুনীত রেহানি বলেন, ডায়েটের নিয়মানুযায়ী একজন ব্যক্তিকে প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। এর বেশি খেলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এই ধরনের চিপস, নোনতা বিস্কুট এবং উচ্চ লবণযুক্ত স্ন্যাকস এড়িয়ে চলুন।
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা: দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকা একটি নীরব ঘাতক। তাই এক জায়গায় বসে দীর্ঘক্ষণ কাজ না করে প্রতি এক বা দুই ঘণ্টা পর পর একটু পায়চারী করুন। হালকা ব্যায়াম করুন। শরীর কর্মক্ষম থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
পরোক্ষ ধূমপান এড়িয়ে চলুন: প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ধূমপান উভয়ই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অফিসে আপনার কাছাকাছি স্থানে কাউকে ধূমপান করার অনুমতি দেবেন না। আপনি জানেন কি এক ঘণ্টা পরোক্ষ ধূমপানের কারণে যে ক্ষতি হয় ঠিক একই পরিমাণ ক্ষতি হয় দুই থেকে চারটি সিগারেট খেলে। তাই সিগারেটের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকুন।
চাপ এড়িয়ে চলুন: অফিসে অথবা বাসায় যথাসম্ভব শারীরিক এবং মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন। হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বাড়িয়ে দেয় দীর্ঘস্থায়ী চাপ।
শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম: কাজের ব্যস্ততায় আপনি হয়তো ঠিকভাবে নিঃশ্বাসও নিতে পারনে না। যা আপনার সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে পাঁচ থেকে দশ মিনিট গভীর শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। এতে ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ড ভালো থাকবে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন: শেষ তবে সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, অফিসে কিংবা বাসায় যেখানেই থাকুন, পর্যাপ্ত পরিমাণে পান করুন। বলা হয়ে থাকে, পানি হচ্ছে হৃদপিণ্ডের নিরাপদ বেষ্টনী। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, কোলন ক্যানসার, স্তন ক্যানসার এবং মূত্রাশয় ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় পানি।

Leave a Reply

%d bloggers like this: