হলুদ আভা খাবারকে লোভনীয় করে তোলে

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ৪ মে ২০১৭, বৃহস্পতিবার: হলুদ: হলুদ আভা আপনার খাবারকে লোভনীয় করে তোলে। কিন্তু হলুদের সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে এর মধ্যে আছে কারকুমিন, যা মাথাব্যথা কমাতে পারে। এটি কাজ করে একটি ডিকনজেস্টেন্ট হিসেবে। অর্থাৎ এটি রক্তাধিক্যের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া থেকে মানুষকে বাঁচায়। এটি অ্যালার্জির উপসর্গ কমায়, ঠাণ্ডাসর্দি কমায়। ‘বেশ কিছু ক্ষেত্রে হলুদ ওষুধের মতোই কার্যকর’ বললেন ভারত আগরওয়াল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যাপনা করেন ক্যান্সার মেডিসিনের এক্সপেরিমেন্টাল থেরাপিউটিক বিষয়ে। তা ছাড়া তিনি ‘হিলিং স্পাইসেস’ বইয়েরও লেখক।
জিরা: জিরা গুঁড়াই হোক কিংবা আস্ত, এই মসলাবীজে প্রচুর ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি আছে। জিরা সাইনাস ইনফেকশন অর্থাৎ নাকের গর্তে সংক্রমণ ঠেকায়। ঠাণ্ডা লাগা থেকে বাঁচায় জানালেন আগরওয়াল।
আঙুল বলে দেয় ক্যান্সার-ঝুঁকি
আপনার আঙুল বলে দেবে আপনি কতটুকু ক্যান্সার-ঝুঁকিতে আছন। কথাটি শুনতে একটু অবাক লাগে বৈকি! কিন্তু ব্রিটিশ জার্নাল অব ক্যান্সার-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, যেসব পুরুষের ইনডেক্স ফিঙ্গার তথা তর্জনী রিং ফিঙ্গার অর্থাৎ অনামিকা বা মধ্যমাঙ্গুলির চেয়ে লম্বা, তাদের প্রস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কম। উল্লেখ্য, প্রস্টেট ক্যান্সার হচ্ছে মূত্রস্থলীর গীবা-সংলগ্ন গ্রন্থিবিশেষের ক্যান্সার।
তর্জনী ও অনামিকার দৈর্ঘ্য নির্ধারিত হয় শিশুর জন্মের আগেই। এবং আঙুলের এ দৈর্ঘ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছে মায়ের পেটে একটি শিশুর ওপর কী পরমাণ টেস্টোস্টেরন আপতিত হয়েছে। কম টেস্টোস্টেরন আপতিত হলে তর্জনী লম্বা হবে। এবং জন্মের আগে শিশুর ওপর টেস্টোস্টেরনের কম আপতন হলে জন্মের পর তাকে প্রস্টেট ক্যান্সার থেকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে।
মনের জোর নিয়ন্ত্রণ করে ব্লাডার
প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মহিলা জীবনের একপর্যায়ে এসে ইনকন্টিনেন্সে ভোগেন অর্থাৎ প্রস্রাবের বেগধারণে অক্ষম হয়ে পড়েন। মনে হয় এ ভোগান্তি থেকে রেহাই পাওয়া কঠিন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের আশা, সিবিটি তথা ‘কগনিটিভ বিহেভিয়ারেল থেরাপি’তে অতি সক্রিয় মূত্রথলি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাদের নিজস্ব সমীক্ষা রয়েছে মোটামুটি ৬২ বছর বয়সী মহিলাদের ওপর। এ সমীক্ষায় দেখা গেছে, সিবিটির পাশাপাশি গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া ও সঠিক ইমেজারি এক্সারসাইজ চললে মেয়েরা নিজেদের মনকে প্রশিক্ষিত করে তোলা যায় কোনো ওষুধ ও সার্জারি ছাড়াই তাদের মূত্রথলি নিয়ন্ত্রণে।
তাহলে ফলাফল? প্রতি সপ্তাহে ইনকন্টিনেন্স ৩৮ ইপিসোড থেকে ১২ ইপিসোডে কমিয়ে আনতে পারেন এভাবে। মন ও দেহের যে সম্পর্ক তা মহিলারা ইনকন্টিনেন্সে কমাতে কাজে লাগাতে পারেন। এ অভিমত এ সমীক্ষার সমীক্ষক অ্যারন মিশেলফিল্ডার। তার মতে, সমীক্ষায় অংশ নেয়া মহিলাদের দিয়ে এটি করা সম্ভব।

Leave a Reply

%d bloggers like this: