সেন্ট প্ল্যাসিডস স্কুলে ৭০০ শিশু শিল্পীর চিত্র প্রদর্শনী

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ২৯ অক্টোবর, শুক্রবার: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চারুকলার শিক্ষক এবং নগরীর ১০টি আর্ট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা শিল্পী শওকত জাহানের উদ্যোগে ও পরিচালনায় নগরী ১০টি আর্ট স্কুলের ২৮ ও ২৯ অক্টোবর ২দিন ব্যাপী ৭০০ শিশু শিল্পীর ২২তম বাংলাদেশে photoবৃহত্তম শিশু শিল্পী চিত্র প্রদর্শনী সেন্ট প্ল্যাসিডস স্কুল হলে অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ অক্টোবর বিকাল ৪টায় সেন্ট প্লাসিডস্ হাইস্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ব্রাদার প্রদীপ লুইস রোজারিও সিএসসি এর সভাপতিত্বে চিত্রপ্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশপ মজেস এম কস্তা এবং উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং পুবালী ব্যাংকের পরিচালক আবু সুফিয়ান, বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক জেলা পিপি এবং চট্ট্রগাম মহানহগর মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবুল হাশেম, এলিট পেইন্ট গ্র“প অব কোম্পানিজ এবং সুপার গ্র“প অব কোম্পানিজের কর্মকর্তা জনাব সুব্রত দেব, সেন্ট স্কলাটিকাস সিস্টার হাউজের সুপিরিয়র অব সিস্টার’স রেনু কস্তা, সেন্ট স্কলাটিকাস স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল সিস্টার রেনু মারিয়া পালমা আরএনডিএম, বান্দরবান ডন বক্স স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল ব্রাদার সিলভেস্টার মৃধা, বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোখতার হোসাইন, পটিয়া মরিয়ম আশ্রম স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল ব্রাদার মন্ত্রজয় ত্রিপুরা এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ। বক্তব্য শেষে অংশ গ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিল্পী শওকত জাহান। তিনি তার বক্তবে সেন্ট প্ল্যাসিডস স্কুলে প্রিন্সিপ্যাল এবং বিশপসহ যারা অতিথিদের সহ প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে যারা সহযোগিতা করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করেন। প্রদর্শনীর উদ্বোধক সাংবাদিক আবু সুফিয়ান বলেন আজকের শিশুরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে নেতৃত দিবে। শিশু কিশোরদেরকে মানসিকভাবে উন্নত চিন্তা চেতনার অধিকারী করার জন্য চিত্রাংকন চর্চা, সাহিত্য সংস্কৃতির প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে। কেননা এ মাধ্যমে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা প্রকাশের বিশেষভাবে সহায়ক। প্রধান অতিথি তার বক্তবে এ ধরনের আয়োজনে সেন্ট প্ল্যাসিডস স্কুল গর্বিত এবং শিশুরা নতুন নতুন ছবি এঁকে ওরা যেমন মনের চিন্তা চেতনা প্রকাশ করছে তেমনি দেশ উপকার হচ্ছে, কারণ ছবি আঁকার মাধ্যমে শিশুরা সুন্দর সুন্দর চিন্তা ছাড়া অন্য চিন্তা করার সুযোগ পায় না। এ ধরনের আয়োজনের জন্য শওকত জাহানকে ধন্যবাদ জানান এবং তাদের পক্ষ থেকে যত রকমের সাহায্য সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। ১৯৮৬ সাল থেকে একই ধারাবাহিকভাবে এ প্রদর্শনী শওকত জাহান এককভাবে সাহসিকতার সাথে করে আসছে এতে বিস্ময় প্রকাশ করেন। সভাপতির বক্তব্যের পরে ৭০০ জন বিজয়ী শিল্পীর মধ্যে ৫০০শত ১ম ২০০জন ২য় এবং ৬০জনকে ব্রাদার মার্সেল স্মৃতি পুরস্কারসহ ১জনকে ব্রাদার মার্সেল গুণীজন পদক প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের বৃহত্তম এই শিশু চিত্রপ্রদর্শনী এবার উৎসর্গ করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে এবং মহান মুক্তিযোদ্ধের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*