‘সাহায্যের ডাকপিয়ন’এর কর্মশালা বৈঠক শেষ হলো

নিউজগার্ডেন ডেস্ক, ০৪ জুন ২০১৭, রবিবার: ‘ঈদের আনন্দ হোক সকলের’  মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে শেষ হলো ‘সাহায্যের ডাকপিয়ন’এর কর্মশালা বৈঠক। ময়মনসিংহের সদরে কাচিঁঝুলিতে এই বৈঠক আয়োজন করা হয়।
গতকাল দুপুর ২ টার সময় শুরু হওয়া এই বৈঠকে গরিব দুঃখিদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ঈদ আনন্দকে কয়েকগুন বাড়িয়ে তোলার প্রচেষ্টার কথা আলোচনা করা হয়। এসময় বক্তৃতা দেন সাহায্যের ডাকপিয়নের প্রধান উপদেষ্টা মি: জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস, বিশেষ অতিথি ড: নাজমুল হক, মি: সুব্রত সরকার এবং মি: মাসুদ রানা।
সাহায্যের ডাকপিয়নদের এ বৈঠকে ‘সাহায্যের ডাকপিয়ন’ এর ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মি: হাশিবুল বান্না রিয়াদ জানান, ভবিষ্যতে বেশকিছু ত্রাণমূলক কার্যক্রম করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
তিনি আরও জানান, এই ঈদের মধ্যে তারা আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘শিশুদের পাশে সাহায্যের ডাকপিয়ন’ ইভেন্ট। সমাজের একটি বিশেষ শ্রেণির শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই হবে তাদের মূল লক্ষ্য, যেখানে তারা সেই শিশুদের ছোট ছোট ইচ্ছেগুলোকে পূরণ করতে চেষ্টা করবে।
এব্যাপারে তিনি বলেন, ‘একটি শিশু খুব বেশি কিছু চায় না। তারা শুধু চায় আমাদের একটুখানি ভালবাসা এবং মায়ার পরশ। তাই আপনারাও এগিয়ে আসুন। বাড়িয়ে দিন আপনাদের ভালবাসা ও মায়ার পরশ মাখা হাত। এসব শিশুগুলোকে সুযোগ দিন অন্তত একটা দিন আনন্দের সাথে কাটানোর।’
এরপর একে একে আরও বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়, যেগুলো হল :
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্কুলে শিক্ষা উপকরণ ও ঈদ পোশাক বিতরণ।
শিশুদের মাঝে বিশেষ ঈদ গিফ্ট বক্স বিতরণ।
ময়মনসিংহ শহরের দুইটি জায়গায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাথে মেহেদি উৎসব উদযাপন।
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে একটি বিশেষ ইফতার মাহফিলের আয়োজন।
উল্লেখ্য, দারিদ্রের বেড়াজালে আবদ্ধ সাহায্যপ্রার্থী মানুষদের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার লক্ষ্যে গড়ে উঠেছে এই অলাভজনক সংগঠন ‘সাহায্যের ডাকপিয়ন’। সমাজের গরীব দুঃখি মানুষদের দ্বারে দ্বারে ডাকপিয়নের ন্যায় সাহায্য সহযোগীতা পৌঁছে দেয়াই সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য।
এই সমাজে মূলত দুই ধরনের মানুষ রয়েছে,  প্রথমত যারা সাহায্যপ্রার্থী এবং যারা সাহায্য করতে আগ্রহী। এ দুই শ্রেণির মানুষের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে চলছে সংগঠনটি। এই সংগঠনটি ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।   এখন পর্যন্ত অনাথ ও পথ শিশুদের বিভিন্ন উৎসবে বস্ত্র বিতরণ, মেহেদি উৎসব এবং মূক ও বধির শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সহ ফানুস উৎসবের ন্যায় আন›“ায়ক সব উৎসবের আয়োজন করেছে সংগঠনটি।
সেই সাথে আরো বড় বড় কাজ করার স্বপ্ন দেখে সাহায্যের ডাকপিয়ন। এর মাঝে অন্যতম হল, মানুষের মাঝে সাহায্য-সহযোগীতার মানসিকতা জাগ্রত করার মাধ্যমে দুস্থদের আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে সহায়তা করা। এভাবে প্রত্যেকে স্বনির্ভর হলে এগিয়ে যাবে দেশ। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি প্রান্ত থেকে সাহায্যের ডাকপিয়নেরা উঠে আসবে, এবং কাজ করবে মানবকল্যাণে।
এই মহান উদ্দেশ্যে সাহায্যের ডাকপিয়নের পাশে দাঁড়ানোর উপায় হল :
অর্থ প্রেরণর মাধ্যমে। সরাসরি তাদের কার্যক্রমে যোগদানের মাধ্যমে

Leave a Reply

%d bloggers like this: